Alexa

ভাইরাস ইনফেক্টেড ল্যাপটপের দাম ১ মিলিয়ন ডলার!

ভাইরাস ইনফেক্টেড ল্যাপটপের দাম ১ মিলিয়ন ডলার!

ভাইরাস আক্রান্ত ল্যাপটপ/ ছবি: সংগৃহীত

একটি ল্যাপটপ যেখনে রয়েছে ছয়টির বেশি কুখ্যাত ভাইরাস, এর মধ্যে রয়েছে বহুল পরিচিত ভাইরাস ওয়ানাক্রাই ও আইলাভইউ। তেমনি একটি ল্যাপটপ শিল্প হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের এক নিলামে তোলা হয়েছে। এই আর্টিকেলটি লেখার সময় এর দাম উঠেছে এক দশমিক এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে ভাইরসাসযুক্ত বা ম্যালওয়্যার ইনফেকটেড কোন কিছু বিক্রি করা অবৈধ। তাই এই নিলামে এই শিল্প বিক্রির জন্য একটি নীতিমালা কারি করা হয়েছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী বলছে, এই ল্যাপটপটি শুধুমাত্র শিল্প এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে ক্রয় করতে পারবেন।

এই প্রকল্পটি চিত্রশিল্পী গুও ও দং এবং ডিপ ইনস্টিংক্ট নামে একটি নিউ ইয়র্ক সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এই নিলামের আয়োজন করা হয়েছে। তবে এরকম ভিন্নধর্মী নিদর্শন নিলামে উঠানোর বিষয়ে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এটা দেখে বিমোহিত হয়ে গেছেন।

যে ছয়টি ম্যালওয়ার ফাংশন এই ল্যাপটপে রয়েছে

১। ওয়ানাক্রাই- যা ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী উইন্ডোজ ইউজারদের বেকায়দায় ফেলে দিয়েছিল।

২। আইলাভইউ- এই ভারসটি ২০০০ সালে প্রকাশ পায়, যা ৫০ মিলিয়ন কম্পিউটারে আঘাত হানে। এরমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ, পেন্টাগন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কম্পিউটারও আক্রান্ত হয়েছিল এই ভাইরসে।

৩। মাইডুম- ২০০৪ সালে উইন্ডোজ ইমেইল এ আঘাত হানে। যা ‘এরোর’ চিহ্ন দেখাতো।

৪। সো-বিগ- ২০০৩ সালে যখন এই ভাইরাস ছড়ায় তখন সিকিউরিটি কোম্পানি বলেছিল, এই ভাইরাসটি ইমেইল এর মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ায়।

৫। ডার্কতাকিলা- এটি তৈরি করা হয়েছিল গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেনের তথ্য চুরি করে নেওয়ার জন্য।

৬। ব্ল্যাকএনার্জি- ২০১৬ সালে ইউক্রেন এর পাওয়ার প্লান্টে এই ভাইরাস দিয়ে হামলা চালানো হয়েছিল।

সূত্র: বিবিসি

আপনার মতামত লিখুন :