Barta24

সোমবার, ১৫ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

অনলাইনে ভিক্ষা করে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার আয়!

অনলাইনে ভিক্ষা করে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার আয়!
ছবি: সংগৃহীত
টেক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাহায্য চেয়ে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার আয় করেছেন ইউরোপের এক নারী। এজন্য তাকে গ্রেফতার করেছে দুবাই পুলিশ।

দুবাই পুলিশের দাবি, এই নারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটার অ্যাকাউন্টে তার একমাত্র শিশুসন্তানকে বড় করে তোলার জন্য আর্থিক সাহায্য চেয়েছিলেন। এর ১৭ দিনের মধ্যে তিনি ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের তহবিল সংগ্রহ করেন।

গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুবাই গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার আল জালাফ জানান, এই নারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে তালাকপ্রাপ্ত বলে দাবি করেন এবং তার সন্তানের ছবি প্রকাশ করে নিজের ও সন্তানের জীবিকা নির্বাহের জন্য ভিক্ষা চান সবার কাছে।

জালাফ বলেন, এই নারীর এ রকম প্রচারণার বিষয়টি জানতে পেরে শিশুটির বাবা বলেন, তাদের পারিবারিক সুনাম ধ্বংসের জন্য এমন অপকর্ম চালানো হচ্ছে। তবে এই নারীর নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি দুবাই পুলিশ।

ব্রিগেডিয়ার জালাফ বলেন, রাস্তার ভিখারি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এসব পোস্টে বিশ্বাস করতে নিষেধ করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই রমজানে দুবাইয়ে ১২৮ জন ভিক্ষুককে গ্রেফতার করা হয়। দুবাইয়ে অনলাইনে ভিক্ষাবৃত্তি দণ্ডনীয় অপরাধ। এজন্য ৫০ হাজার দিহরাম অথবা সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে দেশটিতে।

সূত্র: গ্যাজেটস নাও।

আপনার মতামত লিখুন :

ভুয়া অ্যাকাউন্টে সয়লাব ইনস্টাগ্রাম

ভুয়া অ্যাকাউন্টে সয়লাব ইনস্টাগ্রাম
ভুয়া অ্যাকাউন্টে সয়লাব ইনস্টাগ্রাম, ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকের আওতাধীন ফটো শেয়ারিং অ্যাপ ইনস্টাগ্রামে ১৬ মিলিয়ন ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভারতের ইউজারদেরকে প্রভাবিত করা হয়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

মূলত অনলাইনে টার্গেট মার্কেটিংয়ের কৌশল হিসেবে তারা এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে গ্রাহকদেরকে প্রভাবিত করছে। ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার এবং এঙ্গেজমেন্ট বাড়াতে তারা আর্টিফিশিয়াল বুস্টিং ‘ভ্যানিটি মেট্রিক্স’ ব্যবহার করছে।

সুইডিশ ভিত্তিক গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান হাইপঅডিটর সম্প্রতি বিশ্বের ৮২ টি দেশের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যালোচনা করেছে।

সমীক্ষায় দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্ট রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৪৯ মিলিয়ন, ব্রাজিলে ২৭ মিলিয়ন এবং ভারতে ১৬ মিলিয়ন ভুয়া অ্যাকাউন্ট রয়েছে।

ইনস্টাগ্রামে ভুয়া অ্যাকাউন্টের প্রভাবে বিজ্ঞাপনদাতাদেরকে ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ গুনতে হয়েছে। বিশ্বব্যাপী এই গোচ্চার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এ গুড কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যান্ড্রেস এঙ্কারলিড বলেন, ‘বর্তমান বাজারে টিকে থাকতে প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইন বিজ্ঞাপনদাতাদের পেছনে টাকা ব্যয় করছেন। তারা ভাবছেন এর বিনিময়ে বিজ্ঞাপনদাতারা অনলাইনে ‘রিয়েল অ্যাকাউন্টের’ সঙ্গে এঙ্গেজমেন্ট তৈরি করছেন। কিন্তু এর বেশির ভাগই ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মানুষকে প্রভাবিত করা হচ্ছে।’

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ‘ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং’ নামের একটি গোষ্ঠীর আবির্ভাব হয়েছে। যারা ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এভাবে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া অ্যাকাউন্টের প্রভাব এবং অনলাইনে কোম্পানিগুলোর বিজ্ঞাপন দেওয়ার হিড়কি পড়ার কারণ হচ্ছে বিশ্বব্যাপী একটি বিশাল সংখ্যক মানুষ এসব প্লাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

প্রসঙ্গগত পরিসংখ্যান

ইনস্টাগ্রামে মাসিক ১০০ কোটি অ্যাক্টিভ ইউজার, ফেসবুকে ২.৩৮ বিলিয়ন অ্যাক্টিভ ইউজার, প্রতিদিন ১৬ মিলিয়িন মানুষ টুইটারে লগ-ইন করছেন। অন্যদিকে হোয়াটসঅ্যাপে শুধুমাত্র ভারতেই ৩০০ মিলিয়ন ইউজার রয়েছেন।

সূত্র: গ্যাজেটস নাও

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কর্মী ছাঁটাই করবে হুয়াওয়ে

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কর্মী ছাঁটাই করবে হুয়াওয়ে
কর্মী ছাঁটাই করবে হুয়াওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

চীনা টেক জায়ন্ট হুয়াওয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে একটি বিশাল সংখ্যক কর্মচারীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেবে বলে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ পেয়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসন হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত থেকে বাদ না দেওয়ার পরেই এরকম সিধান্তের কথা শোনা যাচ্ছে।

মূলত, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত হুয়াওয়ের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার ফিউচারহুয়াওয়ে সেন্টারে কর্মরত চাকরিজীবিদের ওপর সরাসরি এর প্রভাব পড়বে। হুয়াওয়ের এই ল্যাব যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া এবং ওয়াশিংটনে রয়েছে। যেখানে বর্তমানে ৮৫০ জনের বেশি ব্যক্তি কর্মরত আছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এবিষয়ে সম্পৃক্ত থাকার সুবাদে ওয়াল স্ট্রিটকে জানান, হুয়াওয়ের জন্য কর্মরত চীনা কর্মচারীদেরকে দেশে ফিরে যাওয়ার সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে কোম্পানির সঙ্গে কাজ করার জন্য। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে গিয়ে কাজ করার জন্য একটি পথ তাদের জন্য খোলা রাখা হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের জন্য এরকম পথ বন্ধ রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যেই অনেকেরই চাকরি চলে গেছে। তাদেরকে রেসিগ্নেশন লেটারও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতে আরও অনেকের চাকরি যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।’

এবিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স হুয়াওয়েকে জিজ্ঞাসা করলে তারা কোনো মন্তব্য করেননি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যে এই টেক যুদ্ধের অবসান না হলে দুই দেশের সম্পর্কের আরও অবনতি হতে পারে। যার প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাজারেও পড়বে।

সূত্র: গ্যাজেটস নাও

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র