Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

হোয়াটসঅ্যাপের সিস্টেমে ত্রুটি বের করে ভারতীয় তরুণের পুরস্কার লাভ

হোয়াটসঅ্যাপের সিস্টেমে ত্রুটি বের করে ভারতীয় তরুণের পুরস্কার লাভ
হোয়াটসঅ্যাপের সিস্টেমে ত্রুটি বের করে ভারতীয় তরুণের পুরস্কার লাভ, ছবি: প্রতীকী
টেক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ফেসবুকের আওতাধীন প্রাইভেট মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের সিস্টেমে ত্রুটি খুঁজে বের করায় ভারতের মনিপুরি প্রদেশের এক তরুণকে ফেসবুকে থেকে পুরস্কার হিসেবে সম্মানি দেওয়া হয়েছে।

হোয়াটসঅ্যাপে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা লঙ্ঘন করে এমন একটি বাগ খুঁজে বের করায় জোনেল সৌগাইজাম নামের এক তরুণকে ৫ হাজার মার্কিন ডলার সম্মানি দিয়েছে ফেসবুক। সেই সঙ্গে তার নাম ফেসবুকের ‘হাল ফেইম ২০১৯’ এ নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

২২ বছর বয়সী ওই তরুণ জোনেল একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। আর ফেসবুকের এই হাল ফেমে ৯৪ জন ব্যক্তির নাম রয়েছে যার মধ্যে তার অবস্থান ১৬তম।

জোনেল প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়াকে এক সাক্ষাৎকারে জানান, হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস কলের সময় একটি ‘বাগ’ যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই ভয়েস কল থেকে তা ভিডিও কলে রূপান্তর করে দেয়। ফলে যিনি কল দিয়েছেন অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তি কি করছেন তা ক্যামেরায় দেখতে পারবেন, যা একজন ব্যক্তির গোপনীয়তার বিষয়টি লঙ্ঘন করছে।

তিনি এই বাগটি আবিষ্কার করার পরে ‘বাগ বাউন্টি প্রোগ্রাম’ সংস্থাকে জানান। যা পরবর্তীতে ফেসবুকের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ আমলে নেয় এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে।

উল্লেখ্য বাগ হচ্ছে যেকোনো প্রোগ্রামের সিস্টেমে সংঘটিত ভুল-ত্রুটিসমূহ।

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ইথিকাল হ্যাকাররা ফেসবুক, টুইটার, গুগলসহ বিভিন্ন বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সাইটে এ রকম বাগ আবিষ্কার করেছেন। আর নামকরা এসব ওয়েবসাইটের বাগ খুঁজে পেলেই পুরস্কার দেওয়া হয় এসব হ্যাকারদের।

আর টেক জায়ান্ট গুগল তো তাদের অ্যান্ড্রয়েড ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ করতে এ রকম প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। মূলত এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সিস্টেমের নিরাপত্তাজনিত যেসব দুর্বলতা থাকে তা ঠিক করে নিতে পারে, যা হয়ত তাদের চোখে অনেক সময় ধরা পড়ে না।

-হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে

আপনার মতামত লিখুন :

‘ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছি’

‘ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছি’
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

প্রত্যেক ঘরে ঘরে তৃণমূল পর্যায়ে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা মনে করি যে রূপান্তরটা আমরা করতে চাচ্ছি—বাংলাদেশের প্রত্যেক বাড়িতে দ্রুত গতির কানেক্টিভিটি যাতে পৌঁছাতে পারি, সেই কারণে তারা (ডিসি) তৃণমূলে কাজ করেন। বস্তুত পক্ষে আমরা ওই যে গ্রামের কথা বলছি, সেই গ্রাম পর্যন্ত যে নিয়ন্ত্রণের জায়গা, সহযোগিতার জায়গা—পুরোটাই কিন্তু জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের ওপর নির্ভর করে।

তিনি বলেন, আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে কানেক্টিভিটি তৈরি করা। এটা আমাদের কমিটমেন্ট। আমি যদি রেলপথ, নৌপথ, সড়ক পথের মতো আমার ইন্টারনেটের পথ তৈরি করতে না পারি তাহলে যে বাংলাদেশের কথাই বলি, ডিজিটাল বলি আর যাই বলি, কিছুই হবে না।
মন্ত্রী বলেন, আমরা এইবার গ্রামগুলোকে শহর বানাতে চাইছি। গ্রামগুলোকে শহর বানানোর মানে কেবল গ্রামগুলোতে বিল্ডিং বানানো কিংবা রাস্তাঘাট পাকা করা কিংবা মানুষের যে অবস্থান আছে সেটা পরিবর্তন করা নয়। ডিজিটাল রূপান্তর সারা পৃথিবীতে হচ্ছে। আমাকে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করেই রূপান্তরটা করতে হবে। সামনের দিনে আপনি কৃষি থেকে শুরু করে হেন কিছু পাবেন না যেখানে আমরা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করব না।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, যদি স্বাস্থ্যসেবা দিতে হয় তাহলেও ডাক্তার পৌঁছে স্পেশালিস্ট দিয়ে সেবা দেওয়ার চাইতে সহজ হয়ে যাবে টেলি মেডিসিন ব্যবহার করা। আইটি ব্যবহার করা সহজ হয়ে যাবে প্রচলিত কৃষি উন্নয়নের জন্য।

তিনি আরও বলেন, আমি যদি কোথাও একটা ফাইবার বসাতে চাই তাহলে সেখানে আমার ফাইবার বসানোর লোকটার নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা লাগে। রাস্তা কাটার জন্য তার অনুমতি দরকার হয়। আমি আশাবাদী, জেলা প্রশাসকরা নতুন পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াবেন। প্রশাসনে পরিবর্তন আসছে। প্রশাসন কাজের দিক থেকে ডিজিটাল হচ্ছে। ডিজিটাল প্রশাসন রূপান্তর করাও আসলে তৃণমূল থেকে করতে হবে। তাদের বলেছি, আপনারা ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল‌ রেভল্যুশনের জন্য প্রস্তুত হোন।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের টাইমলাইন একুশ সাল। এই সময়ের জন্য যা যা করণীয় আছে তার জন্য তৈরি হোন। আমি মনে করি আমাদের জনগণ কোন অবস্থাতেই পেছনে পড়ে থাকে না। তারাও তাদের সাথে সহযোগিতা করবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দিক থেকে কমিটমেন্টটা এই রকম যে, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বোঝাই বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে, প্রত্যেক মানুষের কাছে কানেক্টিভিটি যেন থাকে। জেলা প্রশাসকরা এই বিষয়ে উৎসাহী, তারা সহযোগিতা করবেন।

৯০ শতাংশ সরকারি সেবা থাকবে হাতের মুঠোয়

৯০ শতাংশ সরকারি সেবা থাকবে হাতের মুঠোয়
'পরিচয়' অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিংয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

'মানুষের এখন আর ভুয়া পরিচয়পত্র বানানো সম্ভব হবেনা। এখন থেকে খুব সহজেই বোঝা যাবে কে আসল পরিচয়পত্র বাহক। ৯০ শতাংশ সরকারি সেবা মানুষের হাতের নাগালে থাকবে'- বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

বুধবার (১৭ জুলাই) সহজে এবং দ্রুত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাইয়ের গেটওয়ে 'www.porichoy.gov.bd' উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, অতিরিক্ত সচিব পার্থ প্রতিম দেব  এবং অন্যান্য প্রকল্প পরিচালক ও কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, 'আজ সরকারের অনন্য একটি সেবা উদ্বোধন করা হলো। এর মাধ্যমে দেশের সরকারি সেবায় একটি অন্য মাত্রা যুক্ত হলো।' 

'পরিচয়' অ্যাপ্লিকেশনটি প্রোগ্রামিং যা সরকারি-বেসরকারি বা ব্যক্তিগত যেকোনো সংস্থা গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই করে নিমিষেই সেবা দিতে পারবে। এনআইডি যাচাই করার জন্য এখন থেকে আর আগের মতো ৩-৫ কর্মদিবস অপেক্ষা করতে হবে না। 'পরিচয়' গেটওয়ে ব্যবহার করলে এনআইডি যাচাইয়ের জন্য বাড়তি কোনও জনবলের প্রয়োজন নেই। যেকোনো প্রতিষ্ঠান সফটওয়্যারের মাধ্যমে 'পরিচয়' এর সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করলে এনআইডি শনাক্তের ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেয়ে যাবে।

এখন থেকে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাকাউন্ট খোলা বা যে কাজগুলোতে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের প্রয়োজন হয়, তা খুব সহজে করা যাবে। সময়ও সাশ্রয় হবে। নিজের নাম নিবন্ধন করে যাচাইয়ের জন্য আর ৪/৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে না। ভোগান্তিও পোহাতে হবে না। এটি  জাল আইডিগুলো শনাক্ত করে জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং পরিসেবাগুলোকে আরও নিরাপদ করবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র