Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

কেয়ামত পর্যন্ত প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকবে: বিটিআরসি

কেয়ামত পর্যন্ত প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকবে: বিটিআরসি
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের গণশুনানি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রযুক্তিগত সমস্যা কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান জহুরুল হক। তিনি বলেন, মানুষের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে প্রতিনিয়ত সমস্যাগুলো পরিবর্তিত হচ্ছে, আমরা গণশুনানির মাধ্যমে মানুষের সমস্যাগুলো শুনে সমাধান করার চেষ্টা করছি।

বুধবার (১২ জুন) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ মিলনায়তনে ‘টেলিযোগাযোগ সেবা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম’ সম্পর্কিত এক গণশুনানিতে এ মন্তব্য করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, কিছু সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া সম্ভব আবার কিছু সমস্যা কমিশনের যাচাই-বাছাইয়ের পর এবং বিভিন্ন ধরনের এক্সপার্টদের মাধ্যমে সমাধান করতে হয়। তাই ধৈর্য ধরে প্রত্যেককে প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সাহায্য করতে হবে।

গণশুনানিতে বিটিআরসি মোবাইল অপারেটরদের পক্ষপাতিত্ব করেছে বলে অভিযোগ করেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, প্রায় তিন বছর পূর্বে অনুষ্ঠিত গণশুনানির অভিযোগ আজ কেন প্রকাশ করা হচ্ছে? ৯০ দিনের মধ্যে গণশুনানির ফল প্রকাশের নিয়ম থাকলেও বিটিআরসির কেন সেই বাধ্যবাধকতা নেই? গ্রাহকরা অপারেটরদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, তার পক্ষে অপারেটররা মতামত না দিয়ে কমিশন কেন তাদের পক্ষপাতিত্ব করছে? ভয়েস কলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে কমিশনের কাছে জানতে চাইলে কমিশনের উত্তর— বিশ্বের দুই-একটি দেশ ছাড়া বাংলাদেশের কলরেট সবচেয়ে কম। এমএনপি’র ডিপিং চার্জ কেন? এর উত্তরে কমিশনের বক্তব্য— বিষয়টি ভবিষ্যতে খতিয়ে দেখা হবে।

মহিউদ্দিন আহমেদ আরো বলেন, ফোরজি সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে স্পেকট্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু স্পেকট্রামের উচ্চমূল্যের কারণে অপারেটররা নিলামে প্রয়োজনীয় স্পেকট্রাম কিনছে না। এ বিষয়ে কমিশনের কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নাই। ফোরজির গতি নিয়ে কমিশনের বক্তব্য— ফোরজি সেবা পেতে আরও সময় লাগবে। ফাইভ-জি নিয়ে গ্রাহকদের মতামত নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে কমিশন বলেছে— বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পেলে ৬ মাসের মধ্যে ফাইভ-জি চালু করা হবে। প্রযুক্তির অপব্যবহার সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করার দাবি জানালে কমিশনের উত্তর, সামাজিক উন্নয়ন তহবিলের অর্থ দিয়ে হাওর ও দুর্গম এলাকায় নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। ফিক্সড ইন্টারনেট ব্যবসায় নৈরাজ্য ও মূল্য নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কমিশন এ নিয়ে উদ্বিগ্ন বলে গণশুনানিতে জানায়। সাড়ে সাত লাখ রিটেইলারকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রতি জেলায় বিটিআরসি’র কার্যালয় ও লোকবল নিয়োগ করে তদারকির তাগিদ জানান মহিউদ্দিন আহমেদ।

গণশুনানিতে বিটিআরসি’র লাইসেন্সধারী বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের দায়িত্বপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, কমিশনার (স্পেকট্রাম) মো. আমিনুল হাসান, কমিশনার (ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশনস) মো. রেজাউল কাদের, কমিশনার (সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস) প্রকৌ. মো. মহিউদ্দিন আহমেদ এবং কমিশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের মহাপরিচালকরা নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে মতামত দেন।

এছাড়া সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা, ভোক্তা অধিকার সংঘ, বাংলাদেশ মোবাইল ফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন, বিটিআরসি’র লাইসেন্সধারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও তাদের অ্যাসোসিয়েশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গণশুনানিতে গত ২৪ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত বিটিআরসির ওয়েবসাইটে নিবন্ধনের মাধ্যমে ২০২ জন গ্রাহক মোট ১৩১৯ অভিযোগ/প্রশ্ন/মতামত কমিশনকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে গণশুনানি সংশ্লিষ্ট কমিটি যাচাই-বাছাই করে ১৬৫ জনকে গণশুনানিতে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানায়।

প্রশ্নসমূহের মধ্যে মোবাইল অপারেটরদের কলড্রপ ও বিভিন্ন প্যাকেজ (ভয়েস, ডাটা বান্ডল) এবং এর মূল্য সম্পর্কে অভিযোগ ছাড়াও বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন, সাইবার অপরাধ, মোবাইল ফোনে হুমকি, ফেসবুক ব্যবহারে নিরাপত্তা, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস, ফাইভজি, অ্যামেচার রেডিও সার্ভিস, মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি, মোবাইল অপারেটরদের কল সেন্টারের মাধ্যমে সেবা সংক্রান্ত অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য টেলিকম সেবাপ্রদানকারী লাইসেন্সধারীদের সেবা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আপনার মতামত লিখুন :

ই-কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি, সময় চাইলেন সংশ্লিষ্টরা

ই-কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি, সময় চাইলেন সংশ্লিষ্টরা
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

বাজেটে ই কমার্স নিয়ে আবারো ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে বলে জানালেন খাত সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি আমলে নিয়ে অনলাইনে পণ্য ও সেবা বিক্রয়কে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮ ও বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত সংজ্ঞা অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত করে আলাদা সার্ভিস হিসাবে বিবেচনা করা এবং নতুন সেবা কোড বরাদ্দ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে এই খাতের জাতীয় সংগঠন ই-কমার্স  অ্যাসোসিয়েশন   অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) 

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে সংগঠনটি। 

সম্মেলনে জানানো হয়, ইতিমধ্যে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি বৃন্দ এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় , আইসিটি বিভাগ , এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে একাধিকবার বৈঠক করে বাজেটে ই-কমার্স এর সংজ্ঞা পরিবর্তন, ভুল সংশোধন এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসের উপর আরোপিত ভ্যাট অব্যাহতি সহ বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পেশ করেছেন। ই-ক্যাব এর প্রস্তাবনার উপর সম্মতি জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি বিভাগ থেকে দুটি অফিসিয়াল চিঠিও এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে ভারতে ই-কমার্সের উপর কোন ভ্যাট নেই উল্লেখ করে  শমী কায়সার বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই ই-কমার্সের উপর ভ্যাট নেই। বাংলাদেশেও এই খাতটি একদমই নতুন। যখন এই খাত টি মাত্র দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে তখন এমন ধরনের সিদ্ধান্ত ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাঁধা গ্রস্ত করবে। 

ই-কমার্স খাতে ভ্যাট সরকারের ডিজিটাল সেবা খাত বিকাশে বাধাগ্রস্ত করবে উল্লেখ করে ই-ক্যাব সেক্রেটারি মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বেলেন,  আমরা সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগের সঙ্গে এক মত। কিন্তু তাই বলে বৃহত্তর স্বার্থে স্বল্প মেয়াদী আয়ের বিনিময়ে নয়।
এ কারণেই আমরা ই-কমার্সের সংজ্ঞাকে পরিষ্কার করতে চাই। যাদের ফিজিক্যাল কোনও স্টোর নেই, কেবল অনলাইনেই পণ্য বিক্রি করেন শুধু সেসব প্রতিষ্ঠানকেই ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানাই। কেননা অনলাইন ব্যবসায় করেন তারা বাজার থেকে পণ্য কেনার সময়ই একদফা ভ্যাট দিয়ে থাকেন। এরপরও যদি পুনরায় তাদেরকে ভ্যাট দিতে হয় তবে তাদেরকে দুই দফা কর দিতে হবে। আর এই করভার কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর গড়াবে। অর্থাৎ অনলাইনে পণ্য মূল্য বেড়ে যাবে। তখন কেউ অনলাইনে কেনা-কাটা করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।
তিনি জানান, ই-ক্যাব আগামী তিন বছরে সারাদেশে আরও ১০ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে ই-কমার্সের সঙ্গে প্রায় ৫০ হাজার উদ্যোক্তা সরাসরিভাবে জড়িত। ই-কমার্সের উপর প্রস্তাবিত ভ্যাট তাদের সবার জন্যই একটা মারাত্মক ঝুঁকির ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। শুধু উদ্যোক্তাদের এই খাতে আসলেই চলবে না, গ্রাহকদেরও নিয়ে আসতে হবে। নতুন করে এই খাতের উপর প্রস্তাবিত ভ্যাট উদ্যোক্তা-গ্রাহক উভয়কেই এ খাত থেকে দূরে সরিয়ে দিবে।  

ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ: আব্দুল ওয়াহেদ তমাল, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হক সহ ই-ক্যাব কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পরিচালকবৃন্দ । 

 

অর্থ হাতিয়ে নিতে হ্যাকারদের টার্গেট গুগলের অ্যাপস

অর্থ হাতিয়ে নিতে হ্যাকারদের টার্গেট গুগলের অ্যাপস
গুগলের অ্যাপস, ছবি: সংগৃহীত

সাইবার হামলা সম্পর্কে যাদের টুকটাক ধারণা আছে তারা হয়ত প্রায়ই শুনে থাকেন ফিশিং মেইলের কথা। এর মাধ্যমে হ্যাকাররা লিংক পাঠিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়। কিন্তু এবার গুগলের অ্যাপ ব্যবহার করে ভিন্ন কায়দায় মানুষকে বিপর্যস্ত করছে হ্যাকাররা।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়্যার্ড ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে হ্যাকাররা গুগলের বিভিন্ন অ্যাপের ডিফল্ট সেটিংসের মাধ্যমে মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য চুরি করে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এরমধ্যে গুগলের ক্যালেন্ডার অ্যাপসহ অন্যান্য অ্যাপগুলো ব্যবহার করে হ্যাকাররা এসব অবৈধ কাজ করছে।

গুগলের ফটোস থেকে প্রাইজ মানি অফার, গুগল ম্যাপসে ভুয়া বিজনেস প্রোফাইল, সার্চ রেজাল্টে ভুয়া ইমেজ প্রকাশ এবং গুগল সার্ভে ব্যবহার করেও মানুষকে হয়রানির করছে হ্যাকাররা।

কীভাবে হ্যাক করে?

হ্যাকাররা ক্যালেন্ডার অ্যাপের মাধ্যমে বিনা অনুমতিতে ইউজারের কার্য তালিকার মধ্যে ‘ইনভাইটেশন’ পাঠানোর ফিচারের অপব্যবহার করে এই কাজ করছে।

ইভেন্টের আগে ‘রিমাইন্ডার’ ফিচারটিকে হ্যাকাররা কাজে লাগিয়ে ব্যাংকিং লেনদেন সংক্রান্ত ইনভাইটেশন দিয়ে ইউজারকে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্যাদি এবং গোপন নম্বর দিয়ে লেনদেন সম্পন্ন করতে বলা হয়। এতে করে হ্যাকাররা আপনার ব্যাংকের তথ্য এবং গোপন নম্বর পেয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দিতে পারে।

এছাড়া পুরস্কার জেতা, বিজয়ী ঘোষণা এবং লটারি জেতার মত নোটিফকেশনে ইভেন্ট লিংক পাঠাবে। তাই গ্রাহক গুগল ক্যালেন্ডার থেকে ইভেন্ট মনে করে নিজেদের গোপন তথ্য দিয়ে বিপদে পড়তে পারেন।

অন্যদিকে ইউজাররা ইভেন্ট লিংকে প্রবেশ অথবা ইভেন্টটি ডিলিট না করা পর্যন্ত এ নোটিফিকেশন আসতেই থাকবে।

তাহলে কী করবেন?

অপ্রত্যাশিত এসব বিপদ থেকে বাঁচতে গুগলের ক্যালেন্ডার সেটিংসে গিয়ে ‘অটোম্যাটিক অ্যাড ইনভাইটেশন’ অপশনটি বন্ধ করে দিতে হবে। এরপরে নিচের দিকে স্ক্রোল করে ‘শো ডিক্লাইন্ড ইভেন্টসের’ টিক মার্ক তুলে দিতে হবে। ফলে ফেক ইনভাইটেশনের ঝামেলা থেকে আপনাকে মুক্ত রাখবে।

এছাড়াও অপ্রোয়জনীয় বিশ্বস্ত সাইট না হলে সেসব সাইটগুলো এড়িয়ে চলাই উত্তম।

সূত্র:গ্যাজেটস নাও

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র