Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফেসবুক গ্রুপে সহিংসতা ছড়াচ্ছে শতাধিক মার্কিন পুলিশ

ফেসবুক গ্রুপে সহিংসতা ছড়াচ্ছে শতাধিক মার্কিন পুলিশ
ফেসবুক, ছবি: সংগৃহীত
টেক ডেস্ক
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক গ্রুপে সহিংসতা, উগ্রবাদ, জাতিগত বিদ্বেষ এবং ইসলাম ভীতি ছড়ানোর পেছনে ৪০০ এর অধিক বেশি মার্কিন পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন।

সম্প্রতি ‘রিভিল’ নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের এক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে আসে। এদের মধ্যে বর্তমান এবং সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত আছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব পুলিশ কর্মকর্তারা বিভিন্ন কারাগার, বিমানবন্দর, স্কুল, বাস স্ট্যান্ডসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্নস্থানে কর্মরত রয়েছেন। যারা ফেসবুক গ্রুপে জাতিগত বৈষম্য, ঘৃণাবাচক মন্তব্য এবং উগ্র শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ সম্পর্কিত কনটেন্ট শেয়ার করে।

তাদের পরিচালিত গ্রুপগুলো সরাসরি সরকার বিরোধী, নারী বিদ্বেষ, ইসলাম ভীতি, ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং অভিবাসীদের বিরুদ্ধে মিম তৈরি করে প্রকাশ করছে। এরমধ্যে ১৫০ জন পুলিশ কর্মকর্তা সরকার বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং গ্রুপগুলোতে বিভিন্ন রকম প্রচারণা চালায়।

তবে এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পরে যুক্তরাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর ৫০টি বিভাগ অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধানী কমিটি গঠন করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব বিভাগগুলো খতিয়ে দেখবে আসলেই কী এসব কর্মকাণ্ডে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত আছেন কিনা।

এদিকে রিভিলের প্রতিবেদন অনুসারে ইতোমধ্যে প্রশাসনিক নীতিমালা লঙ্ঘন করায় একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে দেশটির প্রশাসন বিভাগ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশ কর্মকর্তাদের পরিচালিত এসব গ্রুপ ‘ক্লোজড’ আছে যেখানে শুধু গ্রুপের সদস্যরাই নিজেদের মধ্যে কনটেন্টগুলো শেয়ার করতে পারে এবং এখানে অন্যদের প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত।

যুক্তরাষ্ট্রে ক্যালিফোর্নিয়ার চাপমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক পিটার সিমি বলেন, ‘পক্ষপাতমূলক লাইক, কমেন্ট এবং বিদ্বেষমূলক পোস্টগুলো দেখেই বোঝা যায় গ্রুপগুলো কিভাবে মানুষকে প্রভাবিত করে একটি সমাজ ও রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।’

সূত্র: দ্যা ভার্জ

আপনার মতামত লিখুন :

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য স্যামসাংয়ের বিশেষ ছাড়

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য স্যামসাংয়ের বিশেষ ছাড়
ছবি: স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ

২০১৯ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ শুরু করেছে এইচএসসি স্টুডেন্ট ক্যাম্পেইন। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় শিক্ষার্থীরা স্যামসাংয়ের বিভিন্ন ডিভাইসের ওপর ১৫% পর্যন্ত ছাড় পাবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পেইন চলবে ২৮ জুলাই পর্যন্ত ।

এই ক্যাম্পেইন চলাকালে, শিক্ষার্থীরা  গ্যালাক্সি এ২কোর কিনতে পারবেন ৭,৫৯০ টাকার পরিবর্তে ৭,২১০ টাকায়, গ্যালাক্সি এম১০ পাওয়া যাবে ১১,৯৯৯ টাকার পরিবর্তে ১১,৪০০ টাকায় , গ্যালাক্সি এ১০ কেনা যাবে ১১,৯৯৯ টাকার পরিবর্তে ১১,৪০০ টাকায়,  গ্যালাক্সি এম২০ পাওয়া যাবে  ১৫,৯৯০ টাকার পরিবর্তে ১৫,১৯০ টাকায়, গ্যালাক্সি এ২০ কেনা  যাবে ১৫,৯৯০ টাকার পরিবর্তে ১৫,১৯০ টাকায়, গ্যালাক্সি এ৩০ কিনতে পারবেন ২২,৯৯০ টাকার পরিবর্তে ১৯,৯৪০ টাকায় ,  গ্যালাক্সি এ৫০ কিনতে পারবেন ২৬,৯৯০ টাকার পরিবর্তে ২৩,৭৪০ টাকায় , গ্যালাক্সি এ৭০ পাওয়া যাবে ৩৮,৯৯০ টাকার পরিবর্তে ৩৭,০৪০ টাকায় । এছাড়াও স্যামসাংয়ের অন্যান্য মডেলের হ্যান্ডসেটে কেনার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ছাড়।

এছাড়া, বিকাশ ব্যবহারকারীরাও ডিভাইস ক্রয়ের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ৫% ক্যাশব্যাক পাবে। এই অফারটি শুধু স্যামসাংয়ের অনুমোদিত নির্দিষ্ট আউটলেটগুলোতে পাওয়া যাবে।

এনওসি বন্ধ হতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন-রবি’র

এনওসি বন্ধ হতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন-রবি’র
বকেয়া পরিশোধ না করলে গ্রামীণফোন ও রবি’র এনওসি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি/ ছবি: সংগৃহীত

ব্যান্ডউইথে অবরোধ আরোপে সৃষ্ট অচলাবস্থার অবসানের পর এখন নো অবজেকশান সার্টিফিকেট বা এনওসির নিষেধাজ্ঞায় পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম দুটি মোবাইল ফোন অপারেটর রবি ও গ্রামীণফোন।

বকেয়া আদায়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক নেওয়া ব্যান্ডউইথ ব্লকের সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের হস্তক্ষেপে উঠিয়ে নেওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নিল বিটিআরসি।

বুধবার (১৭ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক। তিনি বলেন, ‘বিটিআরসি অপারেটরদের কাছে যে টাকা পায় সেটি রাষ্ট্রের টাকা। সুতরাং সেটি যেভাবেই হোক রাষ্ট্রের কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য বিটিআরসি বদ্ধপরিকর।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563369084768.gif
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

জহুরুল হক বলেন, ‘এখানে কম আদায় করা বা মাফ করে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে সুরক্ষা দিতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।’ তবে কবে নাগাদ এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে সে বিষয়ে কোনো ধারণা দেননি বিটিআরসি চেয়ারম্যান।

এনওসি বন্ধ করা হলে অপারেটগুলোর সব প্যাকেজ অনুমোদন বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি বন্ধ, নেটওয়ার্ক বিস্তারের অনুমোদনও বন্ধ হবে। সাধারণত যেকোনো কিছুর জন্যে বিটিআরসি থেকে এই এনওসি নিতে হয়। এমনকি ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলেও। অনেক ক্ষেত্রে অন্য কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে গেলেও এনওসি নিতে হয়।

গত এপ্রিলে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বকেয়া দাবি করে গ্রামীণফোন ও ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকার জন্য নোটিশ পাঠায় বিটিআরসি। টাকা পরিশোধের জন্য অপারেটর দুটিকে দুই সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়। বিটিআরসি থেকে তখন বলা হয়েছিল, গ্রামীণফোন ও রবির সর্বশেষ অডিটের পরে এই ডিমান্ড লেটার পাঠানো হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র