Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সোশ্যাল মিডিয়ার বিরুদ্ধে ধর্মঘট

সোশ্যাল মিডিয়ার বিরুদ্ধে ধর্মঘট
ছবি: সংগৃহীত
টেক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা রক্ষায় ব্যর্থতার দায়ে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে টানা ৪৮ ঘন্টা এসব মাধ্যম ব্যবহার না করে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন উইকিপিডিয়ার সহ প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি স্যাংগার।

ল্যারির ডাক দেওয়া ধর্মঘটের কার্যক্রমে তিনি জানান, আগামি ৪ থেকে ৫ জুলাই টানা ৪৮ ঘণ্টা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘একযোগে দুইদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বর্জন করে দেখাতে চাই মানুষ কতটা অসন্তুষ্ট এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা নিয়ে। তাই যত বেশি মানুষ এই ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করবে এর প্রভাব তত বেশি পড়বে। ফলে তারা বুঝতে পারবে যে একটি বিশাল সংখ্যাক মানুষ তাদের ওপর কতটা অসন্তুষ্ট।’

ল্যারি এক ব্লগ পোস্টে লেখেন, ‘আমরা অনেক বড় একটি হট্টগোল তৈরি করতে যাচ্ছি। আমাদেরকে এজন্য একত্র হতে হবে এবং এসব প্রতিষ্ঠানইগুলোকে আমাদের তথ্য, গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তার বিষয় নিশ্চিত করতে হবে এবং এসব বিষয়ের নিয়ন্ত্রণ আমাদের কাছে দিতে হবে।’

তবে ইতোমধ্যে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন এই ধর্মঘটের ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর কতটা প্রভাব পড়বে।

সূত্র: বিবিসি

আপনার মতামত লিখুন :

দেশীয় ব্যবসার ডিজিটাল রূপান্তর ঘটাবে ‘টেক মাহিন্দ্রা’

দেশীয় ব্যবসার ডিজিটাল রূপান্তর ঘটাবে ‘টেক মাহিন্দ্রা’
‘ব্যাংকিং পরবর্তী ডিজিটাল নেতৃত্ব সম্মেলন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করতে আগ্রহী ভারতভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘টেক মাহিন্দ্রা’। বিশেষ করে ব্যাংকিং, পরিবহন ও বন্দর এবং নাগরিক পরিষেবা খাতে ডিজিটাল কার্যক্রম গ্রহণে জোর দিতে চায় এই প্রতিষ্ঠান।

সোমবার (২২ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ব্যাংকিং পরবর্তী ডিজিটাল নেতৃত্ব সম্মেলন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে নিজেদের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটি। টেক মাহিন্দ্রার বিভিন্ন কার্যক্রম এবং লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন টেক মাহিন্দ্রার গ্লোবাল কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স প্রেসিডেন্ট ও বিজনেস হেড সুজিত বক্সী ।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার বিশ্বদীপ দে।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমরা আগে শ্রমভিত্তিক অর্থনীতির ওপর নির্ভর করতাম। এখন আমরা প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির জাতিতে নিজেদেরকে রূপান্তর করেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং তাঁর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশে আইসিটি ইকো সিস্টেম গড়ে তুলছি। প্রধানমন্ত্রী তিনটি পরিকল্পনাকে বাতিঘর হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

এগুলো হল- ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের সব সুবিধা গ্রামে নিয়ে যাওয়া, তারুণ্যের শক্তি এবং সুশাসন।

আর ডিজিটাল বাংলাদেশের চারটি স্তম্ভ- মানবসম্পদ উন্নয়ন, নাগরিকদের সম্পৃক্ত করা, ডিজিটাল সরকার এবং আইটি বা আইটি ইএস ইন্ডাস্ট্রির সম্প্রসারণ।

এই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ সেবা আমরা জনগণের ডিজিটাল পদ্ধতিতে দিচ্ছি। আইটি পণ্য বা সেবা রফতানির পরিমাণ এখন ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগামী চার বছরের মধ্যে আমরা পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চাই। এই খাতে প্রায় ১০ লাখ তরুণ কাজ করছে। আগামী পাঁচ বছরে আরও ১০ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা আছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘টেক মাহিন্দ্রা’কে সত্যিকারের বন্ধু মন্তব্য তিনি বলেন, এধরনের বিনিয়োগকারী বন্ধুদের আমরা সব সময়ই স্বাগত জানাই। তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছে। যেমন- ২০২৪ সাল পর্যন্ত মুনাফার ওপর কর মওকুফ, ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কর রেয়াত, ১০ শতাংশ পর্যন্ত রফতানিতে ক্যাশ বোনাস ইত্যাদি। বাংলাদেশ বিনিয়োগের একটি আদর্শ স্থান।

নিজেদের পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরে ‘টেক মাহিন্দ্রা’র গ্লোবাল কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স প্রেসিডেন্ট ও বিজনেস হেড সুজিত বক্সী বলেন, বাংলাদেশ এশিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমরা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির দেখেছি। এখানকার লিডিং এন্টারপ্রাইজ এবং ডিজিটাল টেকনোলজি প্রকৃতি আমাদের আকর্ষণ করেছে। টেক মাহিন্দ্রা ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক দক্ষতার পরিচয় ইতোমধ্যে দিয়েছে। স্থানীয় প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে আমরা পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তি দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশনকে বাস্তব করতে চাই।

তিনি বলেন, টেক মাহিন্দ্রা বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশের বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল সেবাগুলো অফার করছে; যার মধ্যে গ্রাহক হিসেবে রয়েছে- টেলিকম এবং ব্যাংকিং, ফিনান্সিয়াল সার্ভিস এবং ইন্সুরেন্সের মত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সেবা বাড়ানোর একটা অংশ হিসেবে টেক মাহিন্দ্রা গুরুত্ব দিচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর প্রকল্পে। যেখানে বিভিন্ন ধরনের সরকারি সেবার পাশাপাশি বেসরকারি খাত এবং শিল্প কারখানাগুলোতে গুরুত্ব রয়েছে আমাদের। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে আমরা এক সাথে কাজ করতে আগ্রহী।

ঈদ উপলক্ষে বাগডুমে মূল্য ছাড়

ঈদ উপলক্ষে বাগডুমে মূল্য ছাড়
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আযহা উপলক্ষে ই-কমার্স সাইট বাগডুম ডটকম দিচ্ছে ৬৮ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়। নির্দিষ্ট পণ্য কিনে মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশে পেমেন্ট করলে ক্যাশব্যাক ও সুদ ছাড়া ইএমআইতে পণ্য কেনার সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

রোববার (২১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঈদ উপলক্ষে কয়েকটি ভাগে মূল্যছাড়ের এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে যেকোনো পণ্য কিনে বিকাশে মূল্য পরিশোধ করলে পাওয়া যাবে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি মোবাইল ফোন কেনার উপর দিচ্ছে বিশেষ অফার। যেখানে ক্রেতারা নিজের পছন্দের স্মার্টফোন কিনে পেতে পারেন ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড়।  রেফ্রিজারেটরেও অফার দিচ্ছে ই-কমার্স সাইটটি। সাইটটি থেকে এখন রেফ্রিজারেটর কিনলে ক্রেতারা সর্বোচ্চ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যছাড় পেতে পারেন।

এদিকে ঈদে বাগডুম থেকে ওয়াশিং মেশিন কিনলে ৪৯৫০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে। এছাড়াও বাগডুম কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স, ফ্যাশন সামগ্রী, পোশাক, মেকআপ, ঘড়ি, গ্যাজেটসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যে মূল্যছাড় দেবার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি এসব অফারের পাশাপাশি নিশ্চয়তা দিচ্ছে দ্রুত ডেলিভারি এবং পণ্য পছন্দ না হলে সহজে রিটার্ন সুবিধা। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র