Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের স্বপ্ন পূরণে রবির আর ভেঞ্চার ২.০

ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের স্বপ্ন পূরণে রবির আর ভেঞ্চার ২.০
ছবিঃ বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে রবি। এর অংশ হিসাবে আর ভেঞ্চারস ২.০ নামে একটি উদ্যোগ হাতে নিয়েছে রবি । পদক্ষেপের আওতায় উদ্যোক্তাদের জন্য আয়োজিত এক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রত্যেক বিজয়ী উদ্যোক্তা বা উদ্যোক্তা দলকে ৮৪ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে অপারেটরটি।

রোববার (৭ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্যোগের ঘোষণা দেন রবি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ ।

এসময় তিনি বলেন, , ডিজিটাল বাংলাদেশ নতুন নতুন ডিজিটাল ব্যবসায়িক সম্ভবানার দরজা খুলে দিচ্ছে। ঠিক এই মুহূর্তে নতুন অথবা ইতোমধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করা কোন ধারণায় অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করল আর-ভেঞ্চারস ২.০। দেশের ডিজিটাল ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান এবং আর-ভেঞ্চারসের প্রথম পর্বের সাফল্যের প্রেক্ষিতে আমাদের বিশ্বাস নতুন উদ্যোক্তাদের আমাদের তত্ত্বাবধানে রেখে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সহযোগী হতে পারব।” 

www.robiventures.com  ওয়েবসাইটটি ভিজিট করে কোন ব্যক্তি বা দল এই প্রতিযোগিতার জন্য তাদের ব্যবসায়িক ধারণা জমা দিতে পারবেন। সাইটটিতে প্রতিযোগিতার শর্তাবলী ও কর্মপ্রক্রিয়া এবং ব্যবসায়িক ধারণা জমা দেয়ার বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে।

জমাকৃত ধারণাগুলোর মধ্য থেকে রবির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরার জন্য প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হবে ১৫০টি ধারণা। এই ধাপ থেকে ৫০টি ধারণা বাছাই করে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের জন্য

প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে। এরপর ওই প্রতিযোগীদের অভিজ্ঞ বিচারকদের সামনে তাদের ধারণা উপস্থাপন করতে হবে। এই পর্বটি টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হবে।

এরপর আরো যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ১৫ থেকে ২০ জন প্রতিযোগীকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচন করা হবে। আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে এই গালা রাউন্ডটি। আর এই পর্ব থেকেই ঘোষণা করা হবে বিজয়ী প্রতিযোগীদের নাম।

প্রতিটি স্টার্ট-আপকে প্রতিষ্ঠিত করতে চার থেকে ছয় মাসের নিবিড় প্রশিক্ষণের আওতায় থাকতে হবে। এই পর্যায়ে বিজয়ীদের ধারণা বাস্তবায়নের জন্য কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে সে দিক-নির্দেশনা দেয়া এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন করা হবে।

ব্যবসায়িক ধারণা জমা দেয়ার শেষ সময় ২১ জুলাই ।

আপনার মতামত লিখুন :

এনওসি বন্ধ হতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন-রবি’র

এনওসি বন্ধ হতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন-রবি’র
বকেয়া পরিশোধ না করলে গ্রামীণফোন ও রবি’র এনওসি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি/ ছবি: সংগৃহীত

ব্যান্ডউইথে অবরোধ আরোপে সৃষ্ট অচলাবস্থার অবসানের পর এখন নো অবজেকশান সার্টিফিকেট বা এনওসির নিষেধাজ্ঞায় পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম দুটি মোবাইল ফোন অপারেটর রবি ও গ্রামীণফোন।

বকেয়া আদায়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক নেওয়া ব্যান্ডউইথ ব্লকের সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের হস্তক্ষেপে উঠিয়ে নেওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নিল বিটিআরসি।

বুধবার (১৭ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক। তিনি বলেন, ‘বিটিআরসি অপারেটরদের কাছে যে টাকা পায় সেটি রাষ্ট্রের টাকা। সুতরাং সেটি যেভাবেই হোক রাষ্ট্রের কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য বিটিআরসি বদ্ধপরিকর।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563369084768.gif
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

জহুরুল হক বলেন, ‘এখানে কম আদায় করা বা মাফ করে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে সুরক্ষা দিতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।’ তবে কবে নাগাদ এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে সে বিষয়ে কোনো ধারণা দেননি বিটিআরসি চেয়ারম্যান।

এনওসি বন্ধ করা হলে অপারেটগুলোর সব প্যাকেজ অনুমোদন বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি বন্ধ, নেটওয়ার্ক বিস্তারের অনুমোদনও বন্ধ হবে। সাধারণত যেকোনো কিছুর জন্যে বিটিআরসি থেকে এই এনওসি নিতে হয়। এমনকি ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলেও। অনেক ক্ষেত্রে অন্য কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে গেলেও এনওসি নিতে হয়।

গত এপ্রিলে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বকেয়া দাবি করে গ্রামীণফোন ও ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকার জন্য নোটিশ পাঠায় বিটিআরসি। টাকা পরিশোধের জন্য অপারেটর দুটিকে দুই সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়। বিটিআরসি থেকে তখন বলা হয়েছিল, গ্রামীণফোন ও রবির সর্বশেষ অডিটের পরে এই ডিমান্ড লেটার পাঠানো হয়েছে।

‘ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছি’

‘ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছি’
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

প্রত্যেক ঘরে ঘরে তৃণমূল পর্যায়ে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা মনে করি যে রূপান্তরটা আমরা করতে চাচ্ছি—বাংলাদেশের প্রত্যেক বাড়িতে দ্রুত গতির কানেক্টিভিটি যাতে পৌঁছাতে পারি, সেই কারণে তারা (ডিসি) তৃণমূলে কাজ করেন। বস্তুত পক্ষে আমরা ওই যে গ্রামের কথা বলছি, সেই গ্রাম পর্যন্ত যে নিয়ন্ত্রণের জায়গা, সহযোগিতার জায়গা—পুরোটাই কিন্তু জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের ওপর নির্ভর করে।

তিনি বলেন, আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে কানেক্টিভিটি তৈরি করা। এটা আমাদের কমিটমেন্ট। আমি যদি রেলপথ, নৌপথ, সড়ক পথের মতো আমার ইন্টারনেটের পথ তৈরি করতে না পারি তাহলে যে বাংলাদেশের কথাই বলি, ডিজিটাল বলি আর যাই বলি, কিছুই হবে না।
মন্ত্রী বলেন, আমরা এইবার গ্রামগুলোকে শহর বানাতে চাইছি। গ্রামগুলোকে শহর বানানোর মানে কেবল গ্রামগুলোতে বিল্ডিং বানানো কিংবা রাস্তাঘাট পাকা করা কিংবা মানুষের যে অবস্থান আছে সেটা পরিবর্তন করা নয়। ডিজিটাল রূপান্তর সারা পৃথিবীতে হচ্ছে। আমাকে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করেই রূপান্তরটা করতে হবে। সামনের দিনে আপনি কৃষি থেকে শুরু করে হেন কিছু পাবেন না যেখানে আমরা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করব না।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, যদি স্বাস্থ্যসেবা দিতে হয় তাহলেও ডাক্তার পৌঁছে স্পেশালিস্ট দিয়ে সেবা দেওয়ার চাইতে সহজ হয়ে যাবে টেলি মেডিসিন ব্যবহার করা। আইটি ব্যবহার করা সহজ হয়ে যাবে প্রচলিত কৃষি উন্নয়নের জন্য।

তিনি আরও বলেন, আমি যদি কোথাও একটা ফাইবার বসাতে চাই তাহলে সেখানে আমার ফাইবার বসানোর লোকটার নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা লাগে। রাস্তা কাটার জন্য তার অনুমতি দরকার হয়। আমি আশাবাদী, জেলা প্রশাসকরা নতুন পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াবেন। প্রশাসনে পরিবর্তন আসছে। প্রশাসন কাজের দিক থেকে ডিজিটাল হচ্ছে। ডিজিটাল প্রশাসন রূপান্তর করাও আসলে তৃণমূল থেকে করতে হবে। তাদের বলেছি, আপনারা ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল‌ রেভল্যুশনের জন্য প্রস্তুত হোন।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের টাইমলাইন একুশ সাল। এই সময়ের জন্য যা যা করণীয় আছে তার জন্য তৈরি হোন। আমি মনে করি আমাদের জনগণ কোন অবস্থাতেই পেছনে পড়ে থাকে না। তারাও তাদের সাথে সহযোগিতা করবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দিক থেকে কমিটমেন্টটা এই রকম যে, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বোঝাই বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে, প্রত্যেক মানুষের কাছে কানেক্টিভিটি যেন থাকে। জেলা প্রশাসকরা এই বিষয়ে উৎসাহী, তারা সহযোগিতা করবেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র