‘সাইবার অপরাধে ভুক্তভোগীদের ১১ শতাংশই শিশু’

রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, দেশে ব্যক্তি পর্যায়ে সাইবার অপরাধে ভুক্তভোগীদের ১১ শতাংশই শিশু; যাদের বয়স ১৮ বছরের কম।

তারা বলেন, এখন থেকে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম হ্রহণ না করলে এটি আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে। এজন্য সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্যোগ নিতে হবে। খবর বাসস’র।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারের সম্মেলন কক্ষে শুক্রবার জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আয়োজিত ‘শিশু কিশোরদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট মহোৎসব’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ তথ্য জানান। সকালে দিনব্যাপী এ সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এডওয়ার্ড বেগবেদার, ফেসবুকের ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রোগ্রাম প্রধান রিতেশ মেহতা। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কাজী মুস্তাফিজ ইন্টারনেটের ভাল-মন্দ বিষয়গুলো নিয়ে সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেন।

সংগঠনটির সাম্প্রতিক এক গবেষণার বরাত দিয়ে সেমিনারে জানানো হয়, ভুক্তভোগীদের মধ্যে ৭৪ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩০, ১৩ শতাংশের বয়স ৩১ থেকে ৪৫ ও ৩ শতাংশের বেশি ভুক্তভোগীর বয়স ৪৬ বছরের বেশি। এসব অপরাধের মধ্যে রয়েছে, অনলাইনে অপপ্রচার (সাইবার বুলিং), আইডি হ্যাকিং, অনলাইনে হুমকি, এটিএম কার্ড হ্যাকিং, মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকউন্ট হ্যাকিং, অনলাইনে পণ্য কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার ইত্যাদি। সেমিনারে বলা হয়, শিশুদের ডিজিটাল দুনিয়ার বিপদ থেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং তাদের নিরাপদ অনলাইন কনটেন্ট ব্যবহারের সুযোগ বাড়াতে খুব সামান্যই কাজ হয়েছে। এ অবস্থায় ইউনিসেফ ও ফেসবুক আজ এক বছরব্যাপী একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত ইউনিসেফের তথ্য মতে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বড় অংশ ১৮ বছরের নিচে। প্রতিদিন ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি শিশু প্রথমবারের মতো অনলাইন ব্যবহার করছে। ৯ লাখের বেশি শিশুর কাছে জরিপের ফরম পৌঁছানো হয়, কিন্তু এতে অংশ নেয় ১১ হাজার ৮২১ জন, যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৮।

টেক এর আরও খবর

আইএসও সনদ পেল রবি

মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রবি’কে গুণগত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উপর আন্তর্জাতিক মানের সনদ আইএসও ৯০০১: ২০১৫ প্রদান...