দোকানের নাম ও:রে বা বা রে ইষ্টর!



হাসান মাহমুদ শাকিল, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, লক্ষ্মীপুর, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সাধারণত ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সুন্দর সুন্দর নাম দেওয়া হয়। সেখানে দোকানের মালিক কিংবা ছেলে-মেয়েদের নামই বেশি দেখা যায়। অনেকে আবার বাবা-মায়ের নাম দিয়েই প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করে।

তবে এবার লক্ষ্মীপুরে একটি দোকানে ভিন্ন ধরনের নামের সাইনবোর্ড দেখা গেছে। আর অদ্ভুত ওই নামটি হল 'ও:রে বা বা রে ইষ্টর'। মানুষকে আকর্ষণ করতেই এমন নাম দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হাঁটার পথে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের টুমচর গ্রামে গেলে টিনের তৈরি দোচালা বিশিষ্ট ওই দোকানটির দেখা মিলে। ছোটখাটো এই দোকানটি ওই গ্রামের ফজর আলী পণ্ডিত বাড়ির রুহুল আমিনের ছেলে মো. সবুজের। ওই সময় দোকানটি বন্ধ ছিল। পাশেই ক্রেতাদের বসার জন্য একটি মাচাও দেখা গেছে।

দোকানের অদ্ভুত এ নাম দেওয়ার কারণ জানতে ২৪ বছর বয়সী সবুজকে খোঁজার চেষ্টা করেও তার দেখা মেলেনি। তবে স্থানীয়দের কাছ থেকেই ও:রে বা বা রে ইষ্টরের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/17/1550357964514.jpg

নামটি হয়তো ভিন্ন কিছু হতে পারতো। তবে এলাকার মানুষ জানায়, খুবই অল্প পড়ালেখা সবুজের। সন্ধ্যায় তিনি লক্ষ্মীপুর বাজারে একটি মাল্টিপারপাসের ঋণের টাকা উত্তোলন করেন। আর সকাল বেলা ওই দোকানটিতে চকলেট, বিস্কুট ও চিপসসহ বাচ্চাদের খাবার বিক্রি করেন। মূলত অবসর সময় পার করার জন্যই তিনি দোকানটি দিয়েছেন। এর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সবাই একবার হলেও দোকানের দিকে তাকাবে। নামের ভিন্নতাই মানুষকে আকর্ষিত করে। সবুজ নিজেই তার দোকানের সাইনবোর্ডটি লিখেছেন।

ওই এলাকার বাসিন্দা ও লক্ষ্মীপুর বাজারের ব্যবসায়ী ফজলে আজিম রতন বলেন, ‘সবুজের দোকানটি তেমন বড় নয়। আর অন্য কোথাও এতো ছোট দোকানের কখনো নাম দেখিনি। তবে তার দোকানের নামটি খুবই অদ্ভুত। যার কারণে যাওয়ার পথে পথচারীদের চোখ তার দোকানের দিকেই পড়বে। ভালো কোনো নাম হলে কেউই ওই দোকানের দিকে তাকাত না। নামটি বানানের ক্ষেত্রে ভুল হলেও এটি দেখে মানুষের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি হয়।’