Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

নয়াপল্টনের ঘটনায় 'নিরাপরাধীদের' হয়রানি না করার নির্দেশ ইসি’র

নয়াপল্টনের ঘটনায় 'নিরাপরাধীদের' হয়রানি না করার নির্দেশ ইসি’র
ছবি: বার্তা২৪
ইসমাঈল হোসাইন রাসেল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় 'নিরাপরাধীদের' হয়রানি না করতে পুলিশকে নির্দেশনা দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

একই সঙ্গে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে পুলিশের আইজিপিকে চিঠি দেবে ইসি।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি কার্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে ধারনকৃত ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য প্রমাণাদিসহ সংগ্রহ করে একটি প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য পুলিশকে নির্দেশনা দেবে কমিশন। তবে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় এমন কাউকে হয়রানি না করতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় নিরপরাধী ব্যক্তিকে মামলায় জড়িয়ে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট না করতে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দেবে কমিশন।

চিঠির নির্দেশনায় বলা হচ্ছে, মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৪ নভেম্বর বিএনপির পল্টন কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়পত্র সংগ্রহ ও জমাদানকালে লোক সমাগমে রাস্তায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ রাস্তায় যানচলাচল পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পদক্ষেপ গ্রহন করে। এ নিয়ে দুপুরে মিছিলে অংশগ্রহনকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, উচ্ছৃঙ্খল লোকজন কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং পুলিশের দুইটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে কর্তব্যরত পুলিশসহ অনেকে আহত হয়। এ বিষয়ে ধারনকৃত স্থিরচিত্র, ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য প্রমাণাদিসহ একটি প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কোন ব্যক্তিকে যেন অকারণে হয়রানি করা না হয় এবং একই সাথে এ ঘটনার জন্য নিরপরাধী ব্যক্তিকে কোন মামলায় জড়ানোর কারণে নির্বাচনী পরিবেশ ও সুষ্ঠু আবহ যেন বিঘ্নিত না হয়।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান বার্তা২৪কে বলেন, ‘পল্টনের ঘটনায় পুলিশের আইজিপিকে চিঠি দিচ্ছে কমিশন। চিঠিটি আগামিকাল পাঠানো হতে পারে।’

এদিকে তফসিল ঘোষণার পর দলের ৪৭২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার বরাবর এ সংক্রান্ত একটি তালিকা জমা দিয়েছে বিএনপি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র