৪ আসনে বিএনপির প্রার্থীশূন্যতা কাটল

ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য দাখিলকৃত মনোনয়নয়পত্র বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন বিএনপির ৩৯ জন প্রার্থী। এর মধ্যে এমন চারটি আসন রয়েছে যেখানে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে দলটি প্রার্থীশূন্য হয়ে পড়েছিল। নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তের ফলে এসব আসনে বিএনপির আসনশূন্যতা কেটে গেল। 

বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) আপিল শুনানির প্রথম দিনের কার্যক্রম র্পযালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, রিটার্নিং অফিসার লাভজনক পদে থাকার কারণে এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করেছিলেন।

প্রার্থিতা ফেরত পাওয়া এই চারজন হলেন- ঢাকা-১ আসনের খন্দকার আবু আশফাক, জামালপুর-৪ মো: ফরিদুল কবির তালুকদার (শামীম), বগুড়া-৭ মোরশেদ মিল্টন ও মানিকগঞ্জ ২ আসনের মো: আবিদুর রহমান খান।

খোঁজ নিয়ে  জানা যায়, বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। তারা হলেন- বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, সরকার মিল্টন ও সরকার বাদল। এদের মধ্যে খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত ছিল তিনি দুই বছরের অধিক সময় সাজাপ্রাপ্ত। আর বাদল উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেননি। অন্যদিকে মোরশেদ মিল্টন পদত্যাগ পত্র তাখিল করলেও দাখিল গ্রহণ হয়েছে মর্মে কোনো প্রমাণ দাখিল করতে পারেননি।

জামালপুর-৪ আসনে বিএনপির একজন প্রার্থীই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তার ক্ষেত্রেও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে অবাহতি পায়নি বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত দেন।

মানিকগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির দুইজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এদের মধ্যে মঈনুল ইসলাম খানের (শান্ত) বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তার দলীয় মনোনয়নে মহাসচিবের স্বাক্ষরের সঙ্গে নমুনা স্বাক্ষরের মিল নেই। তার বিষয়টি আপিলের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। অন্যদিকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগপত্র গৃহিত না হওয়ার কারণ দেখিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাতিল করা আবিদুর রহমান খানের প্রার্থিতা বৃহস্পতিবারের আপিলে ফেরত এসেছে।

ঢাকা-১ আসনে বিএনপি’র দুইজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এদের মধ্যে আপিলে খন্দকার আবু আশফাক তার প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। অন্যদের মতো আশফাকেরও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে পদত্যাগপত্র কার্যকর না হওয়ার কারণে মনোনয়ন বাছাইয়ে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়। এ আসনের আয়কর রিটার্ন দাখিল না করা ও দলীয় মনোনয়ন যথাযথ না হওয়া প্রার্থিতা বাতিল হওয়া বিএনপির অপর প্রার্থী ফাহমিদা হোসাইন জুবলির আপিল অপেক্ষমাণ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিইসির নেতৃত্বে পূর্নাঙ্গ কমিশন যেসব দিক বিবেচনা করে তাদের সিদ্ধান্ত দিয়েছে তাতে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী দুই দিনের শুনানিতে বিএনপির শূন্য আসনে আরো একাধিক প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফেরত পেতে পারেন।

নির্বাচন এর আরও খবর

//election count down