ভোট চাচ্ছে না বিএনপি, নেই অফিস খোলার সাহস

ভোট চাচ্ছে না বিএনপি, নেই অফিস খোলার সাহস। ছবি: বার্তা২৪.কম

রাজধানীর বংশাল থানা বিএনপির কার্যালয়ে বেশিরভাগ সময়ে ঝুলছে তালা। অথচ একাদশ জাতীয় নির্বাচনের বাকি আছে মাত্র কয়েকদিন। ঢাকা-৭ আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষ মার্কা নিয়ে কে নির্বাচন করবেন তাও জানে না অনেক ভোটার।

কেউবা বলছেন প্রয়াত সাবেক এমপি নাসির উদ্দিন পিন্টু পত্নী নাছিমা আক্তার কল্পনা নির্বাচন করছেন এই আসন থেকে। কেউবা আবার বলছে ঐক্যফ্রন্টের সদস্য সচিব মোস্তফা মোহসীনের কথা। কিন্তু নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছে না বংশাল এলাকার ভোটাররা।

এদিকে এরই মধ্যে যে নাছিমা আক্তার কল্পনার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেছে তা অনেকেরই অজানা।

ফল বিক্রেতা আনিস মোল্লা বলেন, ‘বিএনপি থেকে এ আসনে কে নির্বাচন করবে তা এখনো জানি না। তাদের কেউতো এলাকায় ভোট চায় না। ভোট চাইলে জানতে পারতাম কে এবার নির্বাচন করছে। তবে পিন্টু সাহেবের স্ত্রী নির্বাচন করবে বলে শুনেছিলাম। পরে কী হয়েছে তা আর জানি না।’

অন্যদিকে বংশাল বিএনপির কার্যালয়টি বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকায় হতাশ স্থানীয়রা। বংশালে একটি গাড়ির গ্যারেজের কর্মী সুমন বলেন, ‘আগে সব সময়ই বিএনপির এই অফিসটি বন্ধ থাকত। এখন তাও মাঝে মধ্যে একটু খোলে। নির্বাচনের এই সময়ে অফিসই যদি খোলা না থাকে তাহলে মানুষ জানবে কী করে তাদের প্রার্থী কে? আমরাতো জানিই না বিএনপির প্রার্থী কে?’

মূলত ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির এই নীরব অবস্থানকে কিছুতেই ভালোভাবে নিচ্ছে না স্থানীয় বাসিন্দারা।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রবীণ রাজনীতিবিদ হাজী সেলিমের বিপক্ষে এতো নীরব হয়ে মাঠে থাকা বিএনপি শেষ পর্যন্ত টিকতে পারবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীরা।

চকবাজারের সুমি জরি হাউজের আলামিন বলেন, ‘বিএনপিতো অফিসই খোলার সাহস পাচ্ছে না। মানুষের কাছে ভোট চাচ্ছে না। তাহলে মানুষ তাদের কেন ভোট দেবে?’

তবে ১০ তারিখে প্রতীক বরাদ্দের পর মাঠে বিএনপিকে দেখা যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন।

প্রসঙ্গত, ঢাকা-৭ আসনের প্রায় ৩ লাখ ২৮ হাজার ভোটার ১২০টি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচন করবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর। এখন যেন শধুই সময় পাড় হওয়ার অপেক্ষা।

নির্বাচন এর আরও খবর

//election count down //sticky sidebar