১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা মোতায়েনের দাবি ঐক্যফ্রন্টের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যফ্রন্ট / ছবি: বার্তা২৪

সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যফ্রন্ট / ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

মাঠ পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা মোতায়েন করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

রোববার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বিজয় নগরে ফ্রন্টের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের লিখিত বক্তব্যে এ দাবি জানানো হয়।

ঐক্যফ্রন্টের ওই লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিক বরাদ্দ করার পর থেকেই সারা দেশে ঐক্য ফ্রন্টের প্রার্থীরা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। আওয়ামী লীগের নেতাদের পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনও প্রচারে বাধা দিচ্ছে। গায়েবি মামলা, হামলা, মাইক ভাঙচুর, পোস্টারে আগুন দেয়া হচ্ছে। এক্ষেতে নির্বাচন কমিশন কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়নি।

বক্তব্যে আরও বলা হয়েছে, এ সরকার, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে অন্তরিক নয়। এ অবস্থায় মাঠ পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে সারা দেশে সেনা মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘ভোটারদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। যারা মিছিল করছে তাদের ওপর এবং প্রার্থীদের ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে। কোনো জায়গায় গুলিবিদ্ধও হচ্ছেন প্রার্থীরা। এসব ঘটনার পরে কোনো তদন্ত হয় না, আইনানুগ ব্যবস্থা হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এগুলো তো খেয়াল খুশির ব্যাপার না। সংবিধানে আছে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা। যারা এর বাধা সৃষ্টি করে, মানুষকে আঘাত দেয়, আক্রমণ করে, সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করে এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা। এটাই হল সংবিধানের বক্তব্য। সে বক্তব্য পালন করার ব্যপারে আমরা ঘাটতি দেখছি।’

ড. কামাল বলেন, ‘অন্যদিকে আমরা দেখছি বিরোধী দলের নেতাদের আটক করা হচ্ছে। অবাক কাণ্ড যে, যারা হামলার শিকার হচ্ছে তাদের আটক করে বন্দী করা হচ্ছে। আর যারা আসলে আক্রমণ করছে তারা বহাল তবিয়তে কাজ করে যাচ্ছে। এ সব জিনিস নিয়ে আমাদের উদ্বেগ প্রকাশ করতেই হয়। অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে যদি এগুলো ঘটতে থাকে তাহলে স্বাভাবিকভাবে আশঙ্কা হবে, ভোটের দিন কি হবে।’

সাংবাদিকদের ভোটের দিন সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোটের দিন একজনের ভোট আরেকজন দিলে সেগুলো তুলে ধরতে হবে। আমাদের পাশাপাশি আপনাদেরও ভোট কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন- জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, গণফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা জগলুল হায়দার আফ্রিক প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :