Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কৃষিমন্ত্রী হয়ে ‘মাটি ও মানুষের কথা’ বলতে চাই: হিরো আলম

কৃষিমন্ত্রী হয়ে ‘মাটি ও মানুষের কথা’ বলতে চাই: হিরো আলম
গণসংযোগে হিরো আলম
শাহরিয়ার হাসান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়া থেকে ফিরে: হাইকোর্টে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া বগুড়া- ৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম)। স্বপ্ন দেখেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পর, ক্ষমতাসীন দল যদি তাকে সুযোগ দেয় তাহলে কৃষিমন্ত্রী হবেন। কাজ করবেন মাটি ও মানুষকে নিয়ে।

সম্প্রতি তার নির্বাচনী এলাকায় বার্তা২৪কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এমন ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন।

হিরো আলম বলেন, আমরা যদি গরীব দুঃখী মেহনতি মানুষের হয়ে কাজ করতে চাই তাহলে অবশ্যই কৃষি মন্ত্রণালয়ের হয়ে কাজ করতে হবে। আমি মাটি ও মানুষের জন্য কথা বলতে চাই। তাই কৃষি মন্ত্রী হতে চাই।

নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার জীবনটা পুরোটাই চ্যালেঞ্জ। আমি  যখন ভেবেছি ব্যবসা করবো তখন বড় ব্যবসা করতেই চেয়েছি। একবার ছোট নির্বাচন করে হেরে গিয়েছিলাম। পরে ভেবেছি নির্বাচন করলে বড় নির্বাচনই করবো। অনেক ঘাত প্রতিঘাত পার করে এবার নির্বাচনে এসেছি।

নির্বাচনের তার ইশতেহারের প্রসঙ্গ করা প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমি এলাকায় বলেছি, যেহেতু আমি জিরো থেকে হিরো। গরীব ঘরের সন্তান, গরীব মানুষের জন্য কাজ করবো। পাশাপাশি কাজ করতে চাই তরুণদের নিয়ে। তাছাড়া আমার এলাকায় এখনও বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়নি। আমি বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে কাজ করবো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/27/1545900979501.jpg

নির্বাচনী এলাকায় তার জনপ্রিয়তা সর্ম্পকে তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম আমি শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই জনপ্রিয় কিন্তু তা না! ভোটের মাঠে গিয়ে দেখি সেখানেও আমি তুমুল জনপ্রিয়। এলাকার তরুণ তরুণীর আমি ক্রাশ। (কাহালু-নন্দীগ্রাম) এখানকার মানুষ জন আমাকে সমর্থন দিচ্ছেন। আমি যেখানে যাচ্ছি তারা আমাকে ঘিরে ধরছেন। কেউ খাওয়াচ্ছেন কেউ সেলফি তুলছেন সবকিছু মিলে আমি আশা করছি আমি নির্বাচনে জিতবো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/27/1545901087300.jpg

প্রচারণায় বিনোদন জগতের কর্মীদের অংশগ্রহণের প্রসঙ্গে একটি দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রতিটা দলই একজন জনপ্রিয় বা স্টারকে ভোটের মাঠে নামিয়েছে, প্রচারণা করাচ্ছে। আমার প্রসঙ্গ ভিন্ন, যেহেতু আমি নিজেই একজন স্টার। কোন এলাকায় গেলে এমনি ভীড় পড়ে যায়। আমি নিজেকেই কন্ট্রোল করতে পারি না। যদি এই জায়গায় আমার মডেলদের নামাই পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে যাবে।

নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের বিষয়ে হিরো আলম বলেন, আমি যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হই তাহলে, আমাকে হয়তো প্রধান দুই রাজনৈতিক দল তাদের দলে ভেড়ানোর জন্য চেষ্টা করবে। আমি এই মুহূর্তে এই সব নিয়ে ভাবছি না। তরুণদের নিয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক দলও গড়তে পারি আমি। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/27/1545901111180.jpg

প্রসঙ্গত, বগুড়া ৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে হিরো আলমের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন মহাজোট মনোনীত এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন (নৌকা), বিএনপির মনোনীত মোশারফ হোসেন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী (হাতপাখা), তরিকত ফেডারেশনের কাজী এম এ কাশেম (ফুলের মালা), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আয়ুব আলী (আম) ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের জীবন রহমান (টেলিভিশন)।

 

আপনার মতামত লিখুন :

রুশেমা বেগমের আসনে উপ-নির্বাচন ১৮ আগস্ট

রুশেমা বেগমের আসনে উপ-নির্বাচন ১৮ আগস্ট
রুশেমা বেগম, ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুশেমা বেগমের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনে উপ-নির্বাচন হবে আগামী ১৮ আগস্ট। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এ বিষয়ে ইসির যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানান, এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৫ জুলাই, বাছাই ২৮ জুলাই, প্রত্যাহারের শেষ সময় ১ আগস্ট এবং ভোটগ্রহণ করা হবে ১৮ আগস্ট।

নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসির যুগ্ম সচিব ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. আবদুল বাতেন।

প্রসঙ্গত, গত ১০ জুলাই রুশেমা বেগম মারা যান। এরপর দিন ১১ জুলাই এ আসন শূন্য করে গেজেট প্রকাশ করে সংসদ সচিবালয়। পরে ১৬ জুলাই নির্বাচন কমিশনে এ সংক্রান্ত গেজেট পাঠায় সংসদ সচিবালয়।

আরও পড়ুন: সংরক্ষিত নারী এমপি রুশেমার মৃত্যু

আরও পড়ুন: রুশেমার মৃত্যুতে স্মৃতিকাতর প্রধানমন্ত্রী

৮ দলের জরিমানা, ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

৮ দলের জরিমানা, ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
ছবি: বার্তা২৪.কম

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর ছয় মাস পার হলেও নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি আটটি দল ও ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। এদের মধ্যে আট দলকে জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর প্রার্থীদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। আর এ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন প্রায় এক হাজার ৮৫০ জন। ভোটের পর ১ জানুয়ারি নির্বাচিতদের নাম-ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশ করে কমিশন। গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের এবং ৯০ দিনের মধ্যে দলের নির্বাচনী খরচের হিসাব ইসিতে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সেই হিসাবে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার সময় শেষ হয়েছে ৩১ জানুয়ারি। আর দলের ক্ষেত্রে সেই সময় শেষ হয় এপ্রিলে। এর মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্দিষ্ট সময়ে দলীয় হিসাব ইসিতে জমা দেয়। বাকি ৩৮টি দলকে ৯ জুনের মধ্যে হিসাব জমা দিতে সতর্কীকরণ নোটিশ দেয় ইসি। ওই চিঠির পর ৩০টি দল বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে হিসাব জমা দেয়। আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের পরবর্তী নির্ধারিত সময়ে তা না দিলে দলগুলোকে সতর্ক করে এক মাসের মধ্যে হিসাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়।

সবমিলিয়ে আটটি দল ও ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসাব জমা দেয়নি।

এদিকে নোটিশের পরও হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী আট দলকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ৪৪ সিসিসি (৫) অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দলগুলোকে এ নির্দেশনা সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে কমিশন সচিবালয়। দলগুলো হচ্ছে- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব আব্দুল হালিম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেসব দল নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি তাদের আমরা নোটিশ দিয়েছি। তারপরেও অনেকে হিসাব জমা দেয়নি। তাই আইন অনুযায়ী তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।'

আর নির্বাচনে ব্যক্তিগত ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত সময়ে জমা না দেওয়ায় ৩৮ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি দিয়েছে ইসি। আর নাটোর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন মৃধা এবং ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে সময় চাওয়ায় তাদের একমাস সময় দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ব্যয়ের হিসাব দেননি। তাদের মধ্যে দুইজন প্রার্থী সময় চেয়ে আবেদন করায় তাদের এক মাস সময় দেয়া হয়েছে। বাকি ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিশন বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।'

এছাড়াও নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলকে অডিট রিপোর্ট জমা দিতে চিঠি দিয়েছে কমিশন। অডিট রিপোর্ট রেজিস্টার্ড চার্টার্ড একাউন্টিং ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরপর তিন বছর কমিশনে এ প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিলের এখতিয়ার রয়েছে ইসির।

এ বিষয়ে ইসির সহকারী সচিব রৌশন আরা জানান, ২০১৮ পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিবন্ধিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাচাই করিয়ে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে ৩৯টি নিবন্ধিত দলকে চিঠি দিয়েছে ইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র