Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

টিআইবির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করলেন সিইসি

টিআইবির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করলেন সিইসি
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ সংসদ নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

তিনি বলেছেন, “তাদের (টিআইবি) প্রতিবেদন পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছি। কারণ, তারা অনিয়মের অভিযোগ তুললেও সেদিন গণমাধ্যম ও নির্বাচনের মাঠে থাকা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর কাছ থেকে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়েছে বলে তথ্য পাইনি আমরা। এ জন্য টিআইবির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করছি।”

বুধবার (১৬ জানুয়ারি) বিকালে আগারগাওঁস্থ নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে (ইটিআই) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ভোটের দিন গণমাধ্যম, নির্বাচনী কর্মকর্তা, নির্বাহী-বিচারিক হাকিম ও আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা কারো কাছ থেকে অনিয়মের কোনো তথ্য না পাওয়ায় টিআইবি প্রতিবেদনকে প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ভোটের অনিয়ম নিয়ে মঙ্গলবার গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি। দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি ৫০টি আসনের মধ্যে অন্তত ৪১টি আসনে কোনো না কোনো অনিয়ম হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানায়। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে সংস্থাটি।

ইসি ও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত বলেও মন্তব্য করেছে টিআইবি।

এ বিষয়ে টিআইবির বক্তব্যকে অসৌজন্যমূলক বলে মন্তব্য করেন সিইসি। তবে টিআইবির বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও উদ্যোগী হবেন না বলে জানান সিইসি।

তিনি বলেন, “এটা অসৌজন্যমূলক বক্তব্য; তাদের এভাবে কথাগুলো বলা ঠিক হয় নি। আমরা এ নিয়ে কোনো ব্যবস্থা নেবো না।”

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র