Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নির্বাচন কি খুবই সন্তোষজনক হয়েছে, প্রশ্ন মাহবুব তালুকদারের

নির্বাচন কি খুবই সন্তোষজনক হয়েছে, প্রশ্ন মাহবুব তালুকদারের
নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই সন্তোষজনক হয়েছে? এক্ষেত্রে পাবলিক পারসেপশন কি? তা নিজেদের কাছে জিজ্ঞেস করতে হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) আগারগাঁওস্থ ইটিআই ভবনে ঢাকা উত্তর সিটি মেয়রের শূন্য পদে স্থগিত নির্বাচন, উত্তর ও দক্ষিণ সিটির নবগঠিত ৩৬টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে স্থগিত নির্বাচন এবং উত্তর সিটির ৯ ও ২১ নং সাধরণ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের শূন্য পদে নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং ও সহকারি রিটার্নিং অফিসারদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

মাহবুব তালুকদার বলেন, বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তথ্য উপাত্ত নিয়ে আমি কিছুটা পড়াশুনা করার চেষ্টা করেছি। এর অভিজ্ঞতা কিঞ্চিত আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারি। যা আপনাদের সহায়ক হতে পারে। আমাদের নির্বাচনি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে মূলত দুই প্রধান শক্তির ওপর নির্ভরশীল। একদিকে নির্বাচন কর্মকর্তা বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

তিনি বলেন, আমি এখন পর্যন্ত যেসব কাগজপত্র দেখেছি। তাতে রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে পর্যবেক্ষক পর্যন্ত সকলের প্রতিবেদনে দু’টি শব্দ অতিমাত্রায় ব্যবহৃত হয়েছে। একটি শব্দ হচ্ছে সন্তোষজনক এবং অন্য শব্দটি হচ্ছে স্বাভাবিক। তার মানে কি আমাদের নির্বাচন খুবই সন্তোষজনক হয়েছে? এক্ষেত্রে পাবলিক পারসেপশন কি, তা নিজেদের কাছেই জিজ্ঞেস করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ করার বিষয়ে আমি সবসময় গুরুত্বারোপ করেছি। এই গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা অবশ্যই দৃশ্যমান হতে হবে। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি করলেই যে তা সুষ্ঠু হয়ে যাবে। এমন কোনো কথা নেই। জনতার চোখ বলে একটা কথা আছে। আমাদের ও আপনাদের সকলের কর্মকাণ্ড জনতার চোখে পরীক্ষিত হবে। সুতরাং যথার্থ একটি গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করার জন্য আমাদের সবাইকে অঙ্গিকারাবদ্ধ হতে হবে।

নিজের ভারত সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, কয়েকদিন পূর্বে আমি ভারতে ছিলাম। সেখানে একটি পত্রিকায় নির্বাচনি ব্যবস্থাপনা নিয়ে লেখা একটি আর্টিকেল পড়ি। তাতে দুয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করা ছিল। এতে লক্ষ্য করা যায়। নির্বাচনি দায়িত্বে যারা নিয়োজিত সেই নির্বাচনি কর্মকর্তাগণ নির্বাচন সুষ্ঠু করার বিষয়ে অনড় ছিলেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনিয়ম সম্পর্কে তারা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে পিছপা হননি। আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারত যে অনেক বৈপরিত্য সত্ত্বেও গণতন্ত্রের অভিযাত্রা সমুন্নত রেখেছে। তার পেছনে ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের অবদান কম নয়।

নিজের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে আমার দুই বছরের অভিজ্ঞতা বলে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে বিশেষত নিজস্ব পর্যবেক্ষকদের প্রতিবেদনে সাধারণত কোনো নেতিবাচক বিষয় লিপিবদ্ধ করার বিষয়ে আমরা দ্বিধান্বিত। সবাই যেনো কাগজপত্রে গা বাঁচিয়ে চলতে চান। যদি কেউ তথ্য উপাত্ত দিয়ে আমার কথার বিরোধীতা করতে পারেন। তাহলে আমি খুশি হবো। আমি মনে করি, নির্বাচনে প্রকৃত চিত্রটি সব প্রতিবেদনে উঠে আসা উচিত।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সম্মান ও মর্যাদা। এর কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করে। এর সম্মান ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়সহ মাঠপর্যায়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিদের দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সকল প্রার্থীর প্রতি সমআচরণের মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের সম্মান, মর্যাদা ও পবিত্রতা অক্ষুন্ন রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।

আসন্ন সিটি নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তাকে আমি নাতিশীতষ্ণ নির্বাচন বলবো। কারণ এই নির্বাচনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার কথা ছিল, যে উত্তাপ ও উষ্ণতা থাকার কথা ছিল; সেটা এখানে অনুপস্থিত। কেবল কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কিছুটা উষ্ণতা আশা করা যায়। আসন্ন নির্বাচনের শৈত প্রবাহ তাতে কেটে যাবে বলে আমরা মনে করতে পারি।

তিনি বলেন, গত উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময় প্রধান বিরোধী প্রার্থী সমান সুযোগ না থাকার কথা বলে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। যদিও সত্যিকার অর্থে এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে প্রধান বিরোধী দলের কোনো প্রার্থী নেই। তবুও নির্বাচনে অনিয়মের কথা বলে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘটনা যে ঘটবে না, তা বলা যায় না। এক্ষেত্রে আমাদের উচিত হবে- একটি শুদ্ধ, আইনানুগ নির্বাচন করা। যাতে নির্বাচনকে কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ না পান।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর ঢাকার এই নির্বাচনের দিকে দেশবাসি এমনকি উন্নয়ন সহযোগিরা তাকিয়ে আছেন। আমরা কি ধরনের নির্বাচন উপহার দেই তা দেখার জন্য। নির্বাচনকালে আমরা কোনো চাপ, কোনো ভয়ভীতি বা প্রলোভনের কাছে নতি স্বীকার করবো না।

রবীন্দ্রনাথ বলেছেন- অন্যায় যে করে, আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা তারে যেনো তৃণ সমদহে। উক্তি উল্লেখ করে রাজধানীবাসীকে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে হবে জানান তিনি।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের আসনে অক্টোবরের শুরুতে ভোটের পরিকল্পনা

এরশাদের আসনে অক্টোবরের শুরুতে ভোটের পরিকল্পনা
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ছবি: সংগৃহীত

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শূন্য ঘোষিত রংপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনের জন্য অক্টোবরের প্রথম পাঁচ দিনকে পরিকল্পনায় রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় নির্বাচনের মতোই উপ-নির্বাচনেও এই আসনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের কথা ভাবছে কমিশন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সচিবালয় এরশাদের আসন শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের পর আসনটিতে উপ-নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। আজ ইসির ৫০তম সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শুরুতে আগস্টে ভোটের পরিকল্পনা থাকলেও বিভিন্ন দিবস উদযাপনের বিষয়টি মাথায় রেখে অক্টোবরের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে ভোট করার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নব্বই দিনের বাধ্যবাধকতা থাকায় অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শূন্য হওয়ার দিন থেকেই নব্বই দিন গণনা করা হয়। ফলে আগামী ১১ অক্টোবরের মধ্যে ওই আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা আছে।

গত ১৪ জুলাই এইচএম এরশাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। এরপর ১৬ জুলাই সংসদ সচিবালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) আ.ই.ম গোলাম কিবরিয়া আসনটি শূন্য হওয়ার গেজেট প্রকাশ করেন।

সংবিধানের ১২৩(৪) দফায় বলা হয়েছে- সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে নব্বই দিনের মধ্যে পদটি পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এ আসনে ইভিএম ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। এ জন্য উপ-নির্বাচনেও ইভিএমে ভোট করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ইসির প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১২ আগস্ট ঈদু আজহা, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ২৩ আগস্ট জন্মাষ্টমী এবং আগস্ট মাসরে ৮/৯ তারিখ পবিত্র হজ্জ পালন হবে। আর ৮ অক্টোবর দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। যে কোনো নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৩৫-৪৫ দিন সময়ের প্রয়োজন হয়।

এসব দিক বিবেচনায় সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহের সুবিধাজনক যে কোনো দিন, ১ থেকে ৩ অক্টোবরের অথবা ১০ অক্টোবর রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রথম দিকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভোটের পরিকল্পনা ছিল। ৯০ দিনের বাধ্যবাধকতার জন্যই সেপ্টেম্বরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বন্যাসহ বিভিন্ন বিষয় মাথায় রেখে কমিশন চাইছে অক্টোবরের শুরুর দিকে ভোট করতে। সম্ভাব্য কয়েকটি তারিখ ইতোমধ্যে প্রস্তাবনায় রাখা হয়েছে। কমিশন যেদিন চাইবে সেদিনই ভোট হবে।

নিয়ম অনুযায়ী অক্টোবরে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হলে আগস্টের শেষ অথবা ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আর সেপ্টেম্বরের শেষে নির্বাচন করতে হলে ২০ আগস্টের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে থাকবেন রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ইতোমধ্যে এই আসনে ভোটের সম্ভাব্য কিছু তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগস্টে ঈদসহ বিশেষ কিছু দিবস ও অনুষ্ঠান আছে। আজকের সভায় রংপুর-৩ আসনের নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই আসনে ভোটের জন্য আগস্টের শেষ দিকে তফসিল ঘোষণা হতে পারে। আর অক্টোবরের ৫ তারিখের মধ্যে ভোট হতে পারে।’

উল্লেখ্য, রংপুর-৩ আসনে ১৭৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৪১ হাজার ৬৭১ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২১ হাজার ১০৯ জন আর মহিলা ভোটার ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬২ জন।

রুশেমা বেগমের আসনে উপ-নির্বাচন ১৮ আগস্ট

রুশেমা বেগমের আসনে উপ-নির্বাচন ১৮ আগস্ট
রুশেমা বেগম, ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুশেমা বেগমের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনে উপ-নির্বাচন হবে আগামী ১৮ আগস্ট। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এ বিষয়ে ইসির যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানান, এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৫ জুলাই, বাছাই ২৮ জুলাই, প্রত্যাহারের শেষ সময় ১ আগস্ট এবং ভোটগ্রহণ করা হবে ১৮ আগস্ট।

নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসির যুগ্ম সচিব ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. আবদুল বাতেন।

প্রসঙ্গত, গত ১০ জুলাই রুশেমা বেগম মারা যান। এরপর দিন ১১ জুলাই এ আসন শূন্য করে গেজেট প্রকাশ করে সংসদ সচিবালয়। পরে ১৬ জুলাই নির্বাচন কমিশনে এ সংক্রান্ত গেজেট পাঠায় সংসদ সচিবালয়।

আরও পড়ুন: সংরক্ষিত নারী এমপি রুশেমার মৃত্যু

আরও পড়ুন: রুশেমার মৃত্যুতে স্মৃতিকাতর প্রধানমন্ত্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র