Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

উপজেলা চেয়ারম্যান হতে চান ছাত্রনেতা আবুল বশর

উপজেলা চেয়ারম্যান হতে চান ছাত্রনেতা আবুল বশর
সাবেক ছাত্রনেতা আবুল বশর, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সাবেক ছাত্রনেতা আবুল বশর উপজেলা চেয়ারম্যান হতে চান। চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের টানা ১১ বছর সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতির হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। দায়িত্বে থাকার সময় তিনি দলকে শক্তিশালী করার জন্য কাছ থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মিছিলে মিটিংয়ে বার বার বিরোধীদল কর্তৃক হামলা শিকার হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরেন তিনি।

বার্তা২৪.কমের সাথে আলাপকালে তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কথা জানান। ইতোমধ্যে তার নাম তৃণমূল থেকে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী মার্চ মাসে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই উপজেলা নির্বাচনে অভিজ্ঞতা আর জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে আওয়ামী লীগ থেকে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল বশর।

আবুল বশর বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমি ও আমাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সমাজ সেবার সাথে জড়িত। এই সমাজ সেবার পরিধি আরও বাড়াতে এবং উপজেলা জুড়ে বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়নের সারথি হতে আমি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার বিশ্বাস নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দেবে।'

তিনি বলেন, 'এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ও মন্ত্রিপরিষদ গঠনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা তরুণদের অগ্রাধিকার দিয়েছেন। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এছাড়া পূর্বে এই নির্বাচন সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা থাকায় দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আমি আশাবাদী। আমার বিশ্বাস দল আমাকে মনোনয়ন দেবে।'

আবুল বশর ১৯৮৯ সালে নিজের জন্মস্থান ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে রাজনীতির ক্যারিয়ার শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে ফটিকছড়ি কলেজের সহসভাপতি (১৯৯৪-১৯৯৬), চট্টগ্রাম আইন কলেজের এজিএস (১৯৯৭-১৯৯৮), একই কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন ১৯৯৯ থেকে ২০০১ পর্যন্ত।

এরপর ২০০৩ সালে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ২০১৩ পর্যন্ত ছিলেন। তিনি সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের আহ্বায়ক সদস্যও ছিলেন। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি মেধা বৃত্তির ফটিকছড়ি শাখার চেয়ারম্যান। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা
রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তার আসনটি। অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এ আসনে উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর থেকেই মাঠে নেমেছেন দলীয় সমর্থনপ্রত্যাশীরা। এরশাদের আসনে কে হচ্ছেন নতুন কাণ্ডারী, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে হিসাব-নিকেষ।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও রংপুরে এখন ব্যানার-পোস্টার, ফেস্টুন-লিফলেটে চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচারণা। ঈদুল আজহার শুভেচ্ছার সাথে দলীয় ও ভোটারদের দোয়া-সমর্থন চাওয়া হচ্ছে সাঁটানো ফেস্টুন আর ব্যানার পোস্টারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564575975009.gif

কেউ আবার গণসংযোগ, মতবিনিময় ও উঠান বৈঠকও শুরু করেছেন। জনসমর্থন পেতে রংপুর মহানগর এলাকাসহ সদর উপজেলার পাড়ামহল্লায় ছুটে বেড়াচ্ছেন জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে এ আসনটিতে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছিলেন সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় জাতীয় পার্টি। কিন্তু মহাজোটের ব্যানারে জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ। এ কারণে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধের সমীকরণ নিয়ে চিন্থিত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। যদিও এ নিয়ে চিন্থিত নয় বিএনপি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576017734.gif

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পার্টির রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলার সাধারণ সম্পাদক এসএম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, এরশাদের ভাতিজা সাবেক সংসদ সদস্য হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রে লবিং চালাচ্ছেন।

তবে এ আসনে এরশাদের পরিবারের থেকেই শেষ পর্যন্ত প্রার্থী চূড়ান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এক নেতা। এক্ষেত্রে এরশাদের বড় ছেলে রাহগীর আলমাদি শাদ এরশাদকে দেখা যেতে পারে ভোটযুদ্ধে। অবশ্য পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদও চাইছেন শাদ’ই এই আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক।

আওয়ামী লীগ থেকে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রেজাউল করিম রাজু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আনোয়ারুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মন্ডল, প্রচার সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিলন ও মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576058834.gif

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মতো করে এখনো মাঠে নামেননি বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে ভোটের আলোচনায় মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান শামুর নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী রিটা রহমানকেও রংপুরে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেই মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে রংপুর সদর-৩ আসনটি শুন্য হয়। এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক ১৬ হাজার ৫৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হ‌য়ে‌ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৪৭ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাঞ্চনের ১৭টি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচন চলাকালীন স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান ভুঁইয়া নৌকার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল ও ভোটারদের বের করে দেয়ার অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন থেকে এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাহবুবুল আলম বলেন, 'নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পেরে আমরা সকল প্রার্থীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।' 

নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করা অপর ২ স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান ভূইয়া পেয়েছেন ৭৩৮ ভোট ও অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭২ ভোট।

উল্লেখ্য, কাঞ্চন পৌরসভায় মোট ভোটার রয়েছে ৩৫ হাজার ৬৭৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ১৮৫ জন আর আর মহিলা ভোটার ১৭ হাজার ৫০০ জন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র