Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

নির্বাচিত হলে নগর অ্যাপস করা হবে: মেয়রপ্রার্থী আতিক

নির্বাচিত হলে নগর অ্যাপস করা হবে: মেয়রপ্রার্থী আতিক
বক্তব্য রাখছেন মেয়রপ্রার্থী আতিক (ফাইল ফটো), ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়ী হলে নগরবাসীদের জন্য নগর অ্যাপস করে অটোমেশনের মাধ্যমে নগরবাসীকে সেবা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে নগর অ্যাপসের ব্যবস্থা করব। কেননা এখন সবার হাতে মোবাইল ফোন। বিএনপি আমলে যে ফোন ছিল লাখ টাকা সেটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে এক হাজার টাকায় পাওয়া যায়। এই ফোন দিয়ে আপনারা যেমন সেলফি তোলেন ঠিক তেমনি কোথাও ম্যানহোলের ঢাকনা খোলা থাকলে, কোথাও অনিয়ম দেখলে কষ্ট করে ছবি তু্লে নগর অ্যাপসে পাঠাবেন। আমি কথা দিচ্ছি,  ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আমি সমস্যা সমাধান করব।’

বাংলাদেশ কৃষক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত মত বিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জীবনে সততার সাথে চলার শিক্ষা বাবা মায়ের কাছ থেকে পেয়েছেন জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাবা ১৯৬১ সালে রিটায়ার্ড করেছেন। আমরা ১১ ভাইবোন, আমি সবার ছোট।
আমার মা অনেক কষ্ট করে মানুষ করেছেন আমাদের। বালিশের তলায় জামা রেখে দিতেন, যাতে ইস্ত্রী করতে না হয়। আজকে সেখান থেকে আমি এই অবস্থানে এসে পৌঁছেছি।
আমি যে সততা জানি,আপনাদের সাথে নিয়ে একটা সুন্দর নগর গড়ব।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে সিটি কর্পোরেশনের সকল ধরনের সার্টিফিকেট অটোমেশনের মাধ্যমে অনলাইনে দেওয়া হবে।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘নগরপিতার কাছে মানুষ চায় ফুটপাত দখলমুক্ত ঢাকা শহর, নতুন প্রজন্ম চায় খেলার মাঠ, বোনেরা চায় নিরাপদ বাস, প্রবণীরা চায় উন্মুক্ত আধুনিক পার্ক। এগুলো আমি মনে করি তাদের দাবি নয়, সেগুলা তাদের অধিকার।’

বিজিএমইএ সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘আমি বলে কিছু নেই, আমরা মিলে সবাই। আমরা যদি একসাথে হই তাহলে অবশ্যই একটি সুন্দর নগর উপহার দিতে পারব।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে মেয়রপ্রার্থী আতিক আরও বলেন, ‘নৌকার কোন ব্যক গিয়ার নাই। নৌকার গিয়ার একটাই ফ্রন্ট গিয়ার।’

প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তেরও ঘোষণা দেন তিনি।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, ‘যেখানেই যাই সেখানে মেয়রপ্রার্থী আতিকের প্রশংসা শুনি। সবাই বলছেন তিনি প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের যোগ্য উত্তরসুরি হতে পারবেন।’

হানিফ বলেন, ‘জনগন এখন উন্নয়নের পক্ষে, শান্তির পক্ষে। নৌকার প্রার্থী আতিকুল ইসলামের বিজয় নিয়ে তাই ভাবনার কোন কারণ নেই।’

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি সন্ত্রাস ও দুর্নীতির মধ্যে হারিয়ে গেছে। সরকারের মধ্যে সরকার গঠন করে তারা কমিশন বাণিজ্য করত।’

কৃষকলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হালিম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লাসহ অনেকে। 

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা
রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তার আসনটি। অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এ আসনে উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর থেকেই মাঠে নেমেছেন দলীয় সমর্থনপ্রত্যাশীরা। এরশাদের আসনে কে হচ্ছেন নতুন কাণ্ডারী, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে হিসাব-নিকেষ।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও রংপুরে এখন ব্যানার-পোস্টার, ফেস্টুন-লিফলেটে চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচারণা। ঈদুল আজহার শুভেচ্ছার সাথে দলীয় ও ভোটারদের দোয়া-সমর্থন চাওয়া হচ্ছে সাঁটানো ফেস্টুন আর ব্যানার পোস্টারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564575975009.gif

কেউ আবার গণসংযোগ, মতবিনিময় ও উঠান বৈঠকও শুরু করেছেন। জনসমর্থন পেতে রংপুর মহানগর এলাকাসহ সদর উপজেলার পাড়ামহল্লায় ছুটে বেড়াচ্ছেন জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে এ আসনটিতে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছিলেন সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় জাতীয় পার্টি। কিন্তু মহাজোটের ব্যানারে জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ। এ কারণে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধের সমীকরণ নিয়ে চিন্থিত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। যদিও এ নিয়ে চিন্থিত নয় বিএনপি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576017734.gif

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পার্টির রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলার সাধারণ সম্পাদক এসএম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, এরশাদের ভাতিজা সাবেক সংসদ সদস্য হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রে লবিং চালাচ্ছেন।

তবে এ আসনে এরশাদের পরিবারের থেকেই শেষ পর্যন্ত প্রার্থী চূড়ান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এক নেতা। এক্ষেত্রে এরশাদের বড় ছেলে রাহগীর আলমাদি শাদ এরশাদকে দেখা যেতে পারে ভোটযুদ্ধে। অবশ্য পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদও চাইছেন শাদ’ই এই আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক।

আওয়ামী লীগ থেকে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রেজাউল করিম রাজু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আনোয়ারুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মন্ডল, প্রচার সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিলন ও মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576058834.gif

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মতো করে এখনো মাঠে নামেননি বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে ভোটের আলোচনায় মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান শামুর নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী রিটা রহমানকেও রংপুরে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেই মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে রংপুর সদর-৩ আসনটি শুন্য হয়। এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক ১৬ হাজার ৫৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হ‌য়ে‌ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৪৭ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাঞ্চনের ১৭টি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচন চলাকালীন স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান ভুঁইয়া নৌকার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল ও ভোটারদের বের করে দেয়ার অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন থেকে এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাহবুবুল আলম বলেন, 'নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পেরে আমরা সকল প্রার্থীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।' 

নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করা অপর ২ স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান ভূইয়া পেয়েছেন ৭৩৮ ভোট ও অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭২ ভোট।

উল্লেখ্য, কাঞ্চন পৌরসভায় মোট ভোটার রয়েছে ৩৫ হাজার ৬৭৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ১৮৫ জন আর আর মহিলা ভোটার ১৭ হাজার ৫০০ জন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র