Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

উপজেলা নির্বাচন

এলাকা ছাড়ার নির্দেশের জবাব দিলেন এমপি জিল্লুল হাকিম

এলাকা ছাড়ার নির্দেশের জবাব দিলেন এমপি জিল্লুল হাকিম
এমপি জিল্লুল হাকিম, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
রাজবাড়ী
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আ’লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: জিল্লুল হাকিমের বিরুদ্ধে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দেন নির্বাচন কমিশন।

তারই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের একটি প্যাডে বেলা ৩ টায় এমপি জিল্লুল হাকিম একটি লিখিত জবাব দিয়েছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব বরাবর।

এলাকা ছাড়ার নির্দেশের জবাব দেওয়ার বিষয়টি বার্তা ২৪. কমকে নিশ্চিত করেছেন এমপি জিল্লুল হাকিম। এ সময় তিনি বার্তা ২৪. কমকে জানান, দীর্ঘ দিন তিনি অসুস্থতার কারণে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ১৭ মার্চ জাতির জনকের ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী পালনের জন্য পাংশা ও বালিয়াকান্দিতে ২টি দলীয় আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং কেক কাটেন। সেখানে তিনি প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাননি এমনকি তিনি সরাসরি কোন নির্বাচনী প্রচারণায়ও অংশ নিচ্ছেন না।

এলাকা ছাড়ার নির্দেশ প্রদানের সিদ্ধান্তটি বিবেচনা করার জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনের সচিবকে অনুরোধ করে তিনি জানান, যেহেতু বর্তমান সংসদ অধিবেশন বন্ধ রয়েছে এবং আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে। রাজবাড়ী জেলা আ’লীগের সভাপতি হিসাবে তার উপর কিছু দায়িত্ব রয়েছে। সেগুলো সঠিকভাবে তদারকির জন্য তার এলাকায় থাকাটা খুবই জরুরি।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মার্চ নির্বাচন কমিশনের উপ সচিব মো: আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত একটি পত্রে এমপি জিল্লুল হাকিমকে ২০ মার্চের মধ্যে এলাকা ত্যাগের নির্দেশ প্রদান করেন। তারই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) তিনি এর ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

 

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান
মিজানুর রহমান মিজান, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। তিনি হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু (নারকেল গাছ) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা খোর্শেদ আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

অন্য তিন প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একযোগে ২০টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী করেন। এর মধ্যে চারজন আয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জি কে গউছ। ফলে মেয়র পদটি শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই শূন্য পদে সোমবার (২৪ জুন) উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র