Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

টুঙ্গিপাড়ায় ভোট পুনঃগণনার দাবিতে সড়ক অবরোধ

টুঙ্গিপাড়ায় ভোট পুনঃগণনার দাবিতে সড়ক অবরোধ
টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট পুনঃগণনার দাবিতে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বাবুল শেখের কর্মীদের সড়ক অবরোধ, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
গোপালগঞ্জ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট পুনঃগণনার দাবি জানিয়েছেন পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. বাবুল শেখ। দাবি আদায়ে টুঙ্গিপাড়া-নাজিরপুর সড়ক প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন তার সমর্থকরা।

সোমবার সকাল ৯টায় তার নেতাকর্মীরা সড়কটিতে গাছের গুড়ি ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করেন। এ সময় প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে ঘোষিত ফলাফল বাতিলের দাবি জানান তারা। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/25/1553503175323.jpg

পরে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. বাবুল শেখের গওহরডাঙ্গা চৌরাস্তার মোড়ের অফিসে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। বাবুল শেখ অভিযোগ করেন, গত ২৪ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমার দোয়াত-কলম প্রতীক বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছে। কিন্তু আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. সোলায়মান বিশ্বাস নির্বাচনী কর্মকর্তাদের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে আমার দোয়াত-কলম মার্কার বিজয়কে ছিনিয়ে নিয়েছে। মাত্র ২৮ ভোটে আমাকে পরাজিত দেখানো হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের দিন দুপুরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সোলায়মান বিশ্বাস গিমাডাঙ্গা পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্টকে মারপিট দিয়ে বের করে দেয়। পরে তারা ভোট কেটে নেয়। এ কেন্দ্রে শতকরা ৮৬ ভাগ ভোট পড়েছে বলে দেখানো হয়েছে। ভোট পুনঃগণণা করলে আমিই বিজয়ী হবো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/25/1553503202294.jpg

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভোট পুনঃগণনা করে ফলাফল ঘোষণা না করলে হরতাল ও অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন বাবুল শেখ।

সংবাদ সম্মেলনে তার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জাহাঙ্গির হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. শুকুর আহম্মেদ, যুগ্ম-আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, ডুমুরিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাউসুর আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/25/1553503213659.jpg

এদিকে, টুঙ্গিপাড়ায় এ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে র‌্যাব, পুলিশসহ আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

উল্লেথ্য, গত রোববার (২৪ মার্চ) টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সোলায়মান বিশ্বাস (নৌকা প্রতীক) ২৭ হাজার ৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. বাবুল শেখ ২৭ হাজার ৩২ ভোট পান। পরে জেলা রিটাণিং অফিসারের কার্যালয় থেকে সোলায়মান বিশ্বাসকে ২৮ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা
রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তার আসনটি। অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এ আসনে উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর থেকেই মাঠে নেমেছেন দলীয় সমর্থনপ্রত্যাশীরা। এরশাদের আসনে কে হচ্ছেন নতুন কাণ্ডারী, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে হিসাব-নিকেষ।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও রংপুরে এখন ব্যানার-পোস্টার, ফেস্টুন-লিফলেটে চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচারণা। ঈদুল আজহার শুভেচ্ছার সাথে দলীয় ও ভোটারদের দোয়া-সমর্থন চাওয়া হচ্ছে সাঁটানো ফেস্টুন আর ব্যানার পোস্টারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564575975009.gif

কেউ আবার গণসংযোগ, মতবিনিময় ও উঠান বৈঠকও শুরু করেছেন। জনসমর্থন পেতে রংপুর মহানগর এলাকাসহ সদর উপজেলার পাড়ামহল্লায় ছুটে বেড়াচ্ছেন জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে এ আসনটিতে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছিলেন সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় জাতীয় পার্টি। কিন্তু মহাজোটের ব্যানারে জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ। এ কারণে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধের সমীকরণ নিয়ে চিন্থিত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। যদিও এ নিয়ে চিন্থিত নয় বিএনপি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576017734.gif

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পার্টির রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলার সাধারণ সম্পাদক এসএম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, এরশাদের ভাতিজা সাবেক সংসদ সদস্য হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রে লবিং চালাচ্ছেন।

তবে এ আসনে এরশাদের পরিবারের থেকেই শেষ পর্যন্ত প্রার্থী চূড়ান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এক নেতা। এক্ষেত্রে এরশাদের বড় ছেলে রাহগীর আলমাদি শাদ এরশাদকে দেখা যেতে পারে ভোটযুদ্ধে। অবশ্য পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদও চাইছেন শাদ’ই এই আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক।

আওয়ামী লীগ থেকে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রেজাউল করিম রাজু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আনোয়ারুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মন্ডল, প্রচার সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিলন ও মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576058834.gif

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মতো করে এখনো মাঠে নামেননি বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে ভোটের আলোচনায় মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান শামুর নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী রিটা রহমানকেও রংপুরে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেই মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে রংপুর সদর-৩ আসনটি শুন্য হয়। এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক ১৬ হাজার ৫৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হ‌য়ে‌ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৪৭ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাঞ্চনের ১৭টি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচন চলাকালীন স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান ভুঁইয়া নৌকার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল ও ভোটারদের বের করে দেয়ার অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন থেকে এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাহবুবুল আলম বলেন, 'নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পেরে আমরা সকল প্রার্থীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।' 

নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করা অপর ২ স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান ভূইয়া পেয়েছেন ৭৩৮ ভোট ও অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭২ ভোট।

উল্লেখ্য, কাঞ্চন পৌরসভায় মোট ভোটার রয়েছে ৩৫ হাজার ৬৭৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ১৮৫ জন আর আর মহিলা ভোটার ১৭ হাজার ৫০০ জন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র