Alexa

উপনির্বাচন

বগুড়া-৬ আসনে মনোনয়ন পেতে নেতাদের দৌড়ঝাঁপ

বগুড়া-৬ আসনে মনোনয়ন পেতে নেতাদের দৌড়ঝাঁপ

মনোনয়ন প্রাত্যাশীরা

বগুড়া-৬ (সদর) আসন শূণ্য ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে উপনির্বাচন নিয়ে জল্পনা-কল্পনা। ইতিমধ্যে প্রার্থী হতে আগ্রহীরা মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন। তবে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও বিএনপি উপনির্বাচন নিয়ে নিরব থাকছে।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন থেকে বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। গত ২৯ এপ্রিল বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। কিন্তু দলীয় মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শেষ পর্যন্ত শপথ না নেওয়ায় ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় তার আসনটি শূন্য ঘোষণা করেন স্পিকার। এরপর থেকেই এই আসনে উপনির্বাচনের বিষয়টি আলোচনায় আসে।

জানা গেছে, বগুড়া-৬ আসনটি দীর্ঘদিন যাবৎ বিএনপির দখলেই ছিল। ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ভোটে অংশ না নেওয়ায় মহাজোটের প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ওমর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। সর্বশেষ নির্বাচনে মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হলেও তিনি শপথ নেননি। ফলে আসনটি শূণ্য ঘোষণার পর থেকেই আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেতে আগ্রহী নেতারা মাঠে নেমেছেন।

মনোনয়ন প্রাত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন- জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক টিজামান নিকেতা, রাগেবুল আহসান রিপু ও মঞ্জুরুল আলম মোহন, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শাহাদৎ আলম ঝুনু , সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন শফিক, জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি মমতাজ উদ্দিনের ছেলে মাসুদুর রহমান মিলন। এছাড়াও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম ওমর মহাজোটের শরিক দল হিসেবে বগুড়া-৬ আসন থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা আলোচনা করছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিজামান নিকেতা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘রাজনীতি করার উদ্দেশ্যই জনপ্রতিনিধি হওয়া। একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শপথ না নেয়ায় শূণ্য হওয়া আসনে এবার আমি দলীয় মনোনয়ন চাইবো। দলীয় হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে প্রার্থী হওয়া না হওয়ার বিষয়টি।’

এদিকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ভিপি সাইফুল ইসলাম উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন :