Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মানবতার রং, পর্তুগালে বাংলাদেশি শারমিন মৌয়ের চিত্রকর্ম

মানবতার রং, পর্তুগালে বাংলাদেশি শারমিন মৌয়ের চিত্রকর্ম
ছবি: বার্তা২৪
নাঈম হাসান পাভেল
লিসবন
পর্তুগাল থেকে


  • Font increase
  • Font Decrease

পর্তুগালের রাজধানী মেট্রোপলিটান লিসবনের ব্যস্ততম এলাকা আলমিরান্তে রেইস। লিসবন মিউনিসিপ্যালিটির বৃহৎ দু’টি ওয়ার্ড সান্তা মারিয়া মাইওর এবং অ্যারিওস। পুরনো সব স্থাপত্য এবং পৃথীবির প্রায় ৭৯ দেশের ভিন্ন ভিন্ন মানুষদের বসবাস এই এলাকাগুলোতে। এই এলাকায় বসবাসরত স্থানীয় পর্তুগিজ কমিউনিটি, ভিন্ন ভিন্ন দেশের মানুষ আর ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির অভিবাসীরা মিলে এই এলাকা মাল্টিকালচারাল মানুষদের এলাকা হিসেবে পরিচিত।

লিসবনের এই জোনটি সবচেয়ে বেশি মাল্টিকালচারাল এবং ভিন্ন ভিন্ন মানুষদের বসবাসের কারণে শহরের এই এলাকাটি খানিকটা ভিন্ন। ভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, সংস্কৃতির মিশ্রণে অনেকটাই রঙিন। সব সময়ই বিশেষ এই একটি এলাকায় উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়। যেখানে স্থানীয় পর্তুগিজদের সাথে সমানতালে অভিবাসী সম্প্রদায়ও সংযুক্ত থাকেন।

এবার তাই লিসবন মিউনিসিপ্যালিটি ও লারগো রেসিডেন্সিয়াসের সহযোগিতায় গাবীব আলমিরান্তে রেইস নামের স্থানীয় একটি অ্যাসোসিয়েশন ভিন্ন এক উদ্যোগ নিয়েছে। ৭৯ ভিন্ন দেশের অভিবাসীদের নিয়ে অন্যরকম আয়োজন প্রজেক্ট ‘নেক্সট স্টপ’ বা ‘পরবর্তী গন্তব্য’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/31/1554003808921.jpg

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো- অভিবাসী বিভিন্ন দেশের প্রতিভাবান শিল্পীদের খুঁজে বের করা এবং তাদের মধ্য থেকে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। দীর্ঘ বাছাইয়ের পর স্থানীয় শিল্পীসহ ৬০ জনকে চূড়ান্ত করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে গান, চিত্রকর্ম, থিয়েটার, পাপেট শো, নাচ ইত্যাদির শিল্পী।

প্রকল্পের চমক বা ভিন্নতা যেটি রয়েছে সেটি হলো- সম্পূর্ণ প্রকল্পটি যেমন শিল্পীদের চিত্রকর্ম প্রদর্শনী, নাচ, গান পরিবেশন, সব কিছুই লিসবন মাল্টিকালচারাল জোনের চারটি মেট্রো স্টেশনের (মার্তৃম-মুনিজ, ইন্তেন্দেন্তে, আন্জুস, অ্যারিওস) ভেতরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতা ও বাছাইয়ের মাধ্যমে ফেস্টিভালে ১৫ দেশের প্রায় ৬০ জন শিল্পী অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন। এরমধ্যে দুইজন বাংলাদেশি শিল্পী অংশগ্রহণ করছেন। চিত্রকর্মে শারমিন মৌ এবং গানে কে এম মোস্তফা আনোয়ার।

গত ২৮ মার্চ তিনদিনের এই ফেস্টিভাল শুরু হয়। সেদিন আয়োজক ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারগণ ছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/31/1554003793041.jpg

বাংলাদেশি অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের একজন শারমিন মৌয়ের চিত্রকর্ম দু’টি স্টেশনে উদ্ধোধনের দিন থেকে চার মাসের জন্য প্রদর্শিত হবে। চিত্রকর্মের নাম ‘মানবতার রং’; মূল বিষয় মানুষের ভেতরের রং।

শারমিন মৌ জানান, মানুষকে বাইরে আমরা ভিন্ন রূপে দেখলেও প্রত্যেকটা মানুষের ভেতরে লুকানো একটি মানুষ থাকে, লুকানো একটি ছবি থাকে, যেটি বাইরের রূপের সাথে অনেক সময় মেলে না। সমাজের মানুষের ভেতরের আসল রূপ ভিন্ন হয়, হিংস্র হয়; অনেক সময় কোমল হয়। এসব রুপ চিত্রকর্মে তুলে ধরতে চেয়েছি।

শারমিন দীর্ঘ সময় ধরে পর্তুগালে বসবাস করছেন। তিনি পর্তুগালে বাংলাদেশকে তার রং তুলিতে তুলে ধরছেন প্রতিনিয়তই। স্থানীয় পর্তুগিজদের সাথে সমান তালে তার মেধার স্বাক্ষর রাখছেন। পাশাপাশি তুলে ধরছেন নিজের দেশীয় সংস্কৃতি ও চিত্রকর্ম। পর্তুগালে বাংলাদেশি পোশাকে শারমিন মৌয়ের ফ্যাশন শো স্থানীয় কমিউনিটিতে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/31/1554003774207.jpg

ফেস্টিভালে অংশগ্রহণকারী আরেক গর্বিত বাংলাদেশি গবেষণারত শিল্পী কে এম মোস্তফা আনোয়ার। ‘নেক্সট স্টপ’ ফেস্টিভালে ‘মোস্তফা ও বন্ধুরা’ শিরোনামে একটি কনসার্ট করেছেন তিনি। এছাড়াও মেট্রো স্টেশনগুলোতে অডিওতে বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং বাংলাদেশের নানা তথ্যমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পর্তুগালে বাংলাদেশের সংগীত সংস্কৃতি তুলে ধরছেন এই সাধক। বাংলা গান এবং দেশীয় সংস্কৃতিকে পরিচিত করাতে দীর্ঘ সময় ধরে পর্তুগালের ফেস্টিভ্যালগুলোতে তিনি পরিবেশনা করে থাকেন। ভিন্ন ভিন্ন ভাষা দক্ষতায় তিনি বাংলা গানের অনুবাদ করেও পরিবেশন করেন। বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষ ছাড়াও পর্তুগালের স্থানীয় অনেক ভক্ত, অনুরাগী রয়েছে মোস্তফা আনোয়ারের।

প্রকল্পটির অন্যতম পরিচালক মার্তা সিলভা বলেন, লিসবনের অ্যারিওস ওয়ার্ডের আলমিরান্তে রেইস এলাকাটি সবচেয়ে বেশি মাল্টিকালচারাল। ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, সংস্কৃতির মানুষদের মিশ্রণে এই এলাকা অনেকটাই রঙিন। সব সময়ই এই এলাকায় উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়। যা ভিন্ন একটি পরিবেশ তৈরি করে। আমাদের এই প্রকল্পটির একই রকম উদ্দেশ্য নিয়ে করা। যাতে করে স্থানীয় মানুষদের সাথে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের সংস্কৃতির বিনিময়ের মাধ্যমে রঙিন একটি শহর হবে লিসবন। আমাদের প্রকল্পটি সম্পূর্ণ মেট্রোর ভেতরে এখানে শুধু স্থানীয় মানুষেরা আসেন না! অনেক বিদেশিও আছেন বিশেষ করে তাদের কাছেও তুলে ধরা যে, সুন্দর মাল্টিকালচারাল পরিবেশ আমাদের এখানে আছে।

আপনার মতামত লিখুন :

বার্সেলোনা বাংলা স্কুলের শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত

বার্সেলোনা বাংলা স্কুলের শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত

স্পেনে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি প্রবাসীদের শিশু-কিশোরদের বাঙালি কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ধারণা দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বার্সেলোনা বাংলা স্কুলের শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Bengali-expat

গত রোববার (২১ জুলাই) বার্সেলোনা শহর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে লিয়েদা (LLEIDA) পর্যটন স্টটে এর আয়োজন করা হয়। বাংলা স্কুল বার্সেলোনার শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বাংলাদেশি প্রবাসী নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন।

Bengali-expat

স্কুলের শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও জিনাত শফিক দিনব্যাপী এই শিক্ষা সফর পরিচালনা করেন। এতে বিভিন্ন খেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়। সফর পরিণত হয় স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মিলনমেলা।

Bengali-expat

খেলাধুলা ও মধ্যাহ্ন ভোজের পর সফরের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় বাংলা স্কুল বার্সেলোনার বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীদের ফলাফল ঘোষণা ও সার্টিফিকেট বিতরণ। স্কুলের সভাপতি আলা উদ্দিন হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্কুল পরিচালনা কমিটি সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমদ ও স্কুলশিক্ষিকা জিনাত শফিক।

Bengali-expat

অনুষ্ঠানে বার্সেলোনায় বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বাংলা স্কুল বার্সেলোনার সাবেক সভাপতি শাহ আলম স্বাধীন, উপদেস্টা আওয়াল ইসলাম, সংগঠক নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কমিউনিটি নেতা শফিউল আলম শফি, কমিউনিটি নেতা জাহাঙ্গীর আলম, উত্তম কুমার, কাজী আমির হোসেন আমু, শফিক খান, শামিম হাওলাদার, শফিক ইসলাম, স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক লায়বুর রহমান, স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক মো. ছালাহ উদ্দিন, জাফর আহমেদ প্রমুখ।

Bengali-expat

এছাড়া বাংলা স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাসুদা পারভিন (মুন্নি) সায়মা রুনু, সামসুজামাল পাহেল, শাহানা ইয়ামিন, লামিয়া নাজনিন, জেরিকো স্পন্দন প্রমুখ।

মাদ্রিদে খুলনা কল্যাণ সমিতির বনভোজন

মাদ্রিদে খুলনা কল্যাণ সমিতির বনভোজন
মাদ্রিদ শহরের অদূরে পিকনিক স্পট কাসালেগাসে এ বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনা বিভাগীয় কল্যাণ সমিতি মাদ্রিদ, স্পেনের উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজন-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২১ জুলাই) মাদ্রিদ শহরের অদূরে পিকনিক স্পট কাসালেগাসে এ বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। এ দিন বেলা ১১টায় মাদ্রিদ থেকে বাস ভ্রমণের মাধ্যমে শুরু হয় বনভোজনের অনুষ্ঠান।

ভূমধ্যসাগরের কোলে প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যে মোড়া বনভোজনের স্পটটি বাংলাদেশি অভিবাসীদের পদচারণায় মুখরিত ছিল সারা দিন। সর্বস্তরের প্রবাসীদের উপস্থিতিতে পরিণত হয়েছিল এক টুকরো বাংলাদেশে।

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের ছোট কাসালেগাস নদীর তীর বাংলা ভাষাভাষীদের কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। শিশু-কিশোরদের বাঁধভাঙা আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। নারী, পুরুষ ও শিশুদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন খেলার ইভেন্ট, র‌্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সাজানো ছিল পুরো কর্মসূচি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563788975597.jpg
অনুষ্ঠানে গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও কৌতুক পরিবেশিত হয় 

 

খুলনা বিভাগীয় কল্যাণ সমিতি মাদ্রিদ, স্পেনের সভাপতি সৈয়দ মাসুদুর রহমান নাসিম ও সাধারণ সম্পাদক টিটন বিশ্বাসের তত্ত্বাবধায়নে এবং কামরুল হাসান এর পরিচালনায় বনভোজনের অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়। দিনব্যাপী এ আয়োজনে প্রধান অতিথি  ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সভাপতি কাজী এনায়েতুল করিম তারেক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563789210367.PNG
আয়োজনে প্রধান অতিথি  ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেনের সভাপতি কাজী এনায়েতুল করিম তারেক।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন বৃহত্তর ঢাকা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এইচ সোহেল ভূঁইয়া, কমিউনিটি নেতা নূর হোসেন পাটোয়ারী, মোজাম্মেল হোসেন মনু, বিক্রমপুর-মুন্সিগঞ্জ সমিতির সভাপতি মোমিনুল ইসলাম স্বাধীন, বৃহত্তর ফরিদপুর কল্যাণ সমিতি স্পেনের সভাপতি হেমায়েত খান, ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসাইন, আবু সিদ্দিক নয়ন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে একের পর এক কৌতুক এবং দেশীয় গান অনুষ্ঠানকে করে তুলেছিল প্রাণবন্ত। অসংখ্য গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও কৌতুকসহ সবকিছু যেন সবাইকে হারিয়ে দিয়েছিল প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশি খাবারের আয়োজন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563789058451.jpg
শেষ পর্বে র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়

 

জোহরের নামাজের পর সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি রবিউল ইসলাম রফিক, সহ সভাপতি মোঃ রতন এবং হুমায়ুন কবিরের তত্ত্বাবধানে বাঙালী রকমারি সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করা হয়। এ পর্বে সংগঠনের অর্থ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক কাজী শুভ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুজ্জামান,বাপ্পী রহমান, তরিকুল ইসলাম, শামীম রেজা, সেলিম সরকার,মোঃ সবুজ, নূর হোসেনসহ সংগঠনের অন্য নেতা ও সদস্যরা সহযোগিতা করেন। শেষ পর্বে র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

দিন শেষে সমিতির সভাপতি সৈয়দ মাসুদুর রহমান নাসিম ও সাধারণ সম্পাদক টিটন বিশ্বাস  উপস্থিত অতিথি, সদস্য ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের  প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বনভোজনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র