Alexa

পোষা পশু পাখির যত্ন

পোষা পশু পাখির যত্ন

অনেকেই এখন  শখের বসে ঘরে  নানা জাতের পশু পাখি পুষে থাকেন। আমাদের দেশে পোষা প্রাণী হিসেবে কুকুর, বিড়াল, খরগোশ ও পাখি বেশ জনপ্রিয়। তবে যেই প্রাণীই পোষা শুরু করুন না কেন, তার প্রস্তুতি, দেখাশোনার ও যত্নআত্তির মানসিকতাও থাকতে হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে আপনার পোষ্যর যত্ন নিবেন :
  • প্রাণীটির ঘুমের জন্য একটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জায়গা নির্বাচন করুন। প্রয়োজন পড়লে খাঁচা বা ঘরের মত করে বানিয়ে দিন যাতে সেখানে প্রাণীটি আরামে থাকতে পারে।
  • আপনার পোষা প্রাণীটি যাতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পায় সেদিকে নজর রাখতে হবে। এর জন্য একজন ভালো পশু চিকিৎসক বা ভেটের সাথেও আলোচনা করে খাবারের তালিকা নিতে পারেন।
  • পশু চিকিৎসক বা ভেট এর সাথে সবসময় যোগাযোগ রাখুন। ভেট এর নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়মিত আপনার পোষা প্রাণীকে চেক আপ এর জন্য নিয়ে যান।
  • কী ধরনের অসুখ আপনার পোষা প্রাণীর হতে পারে এবং তার লক্ষণ গুলো কী সে সম্পর্কে জেনে রাখুন। জরুরি মুহুর্তে হাসপাতালে নেয়ার জন্য কী কী করতে হবে সেগুলোর ব্যাপারে ধারণা নিয়ে রাখা ভালো।
  • তাছাড়া আপনার পোষ্যের যদি ধারালো নখ থাকে তবে তা বড় হওয়ার আগেই নিজে ঘরে কেটে দিন অথবা ভেটের কাছে নিয়ে কেটে ফেলার ব্যবস্থা করুন।
  • নিয়মিত আপনার পোষা প্রাণীর থাকার ও ঘুমানোর জায়গাটি ডেটল বা স্যাভলন মিশ্রিত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা ভালো।
  • প্রতি ২/৩ সপ্তাহ অন্তর অন্তত ১ বার আপনার পোষা প্রাণীটিকে গোসল করাবেন এবং গোসল শেষে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে গা ভালো করে মুছে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকিয়ে নেবেন।
  • ক্ষতিকর বা বিষাক্ত পদার্থ দূরে রাখুন। প্রাণীটি যাতে কোন প্রকার ময়লা আবর্জনার কাছে না যায় সেইদিকে লক্ষ্য রাখুন।
  • পোষ্যকে মাঝে মাঝে বাসার বাইরে বের করবেন। যাতে বাইরের পরিবেশের সাথেও মানিয়ে চলতে পারে। কুকুর বা বিড়াল জাতীয় পোষ্য হলে চেইনে বেঁধে নিলে হারিয়ে ফেলার ভয় থাকে না।
মানুষকে বলা হয় সৃষ্টির সেরা জীব। আর সেরা জীব হিসেবেই অবুঝ প্রাণীর দেখা শোনার দায়িত্বটাও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত যত্নের সাথেই মানুষের করা উচিত। আর এজন্য প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা ও আন্তরিকতা।

আপনার মতামত লিখুন :