Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

নারীদের জন্য আলাদা খাবার?

নারীদের জন্য আলাদা খাবার?
সেন্ট্রাল ডেস্ক ৩


  • Font increase
  • Font Decrease
নারীরা পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে যতটা সচেতন, নিজেদের ব্যাপারে যেন ততটাই উদাসীন৷ অথচ তারা অসুস্থ হলে পুরো পরিবারই যেন থমকে যায়৷ তাই নারীদের শরীর ও মন সুস্থ রাখতে প্রয়োজন আলাদা খাবার। আখরোট শুধু দেখতেই ব্রেনের মতো নয়, নিয়মিত আখরোট খেলে তা মস্তিষ্কের বার্ধক্যকেও দীর্ঘায়িত করে।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে করা গবেষণা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। লাল টুকটুকে স্ট্রবেরি দেখতে ছোট হলেও এতে আছে কমলার সমান ভিটামিন ‘সি’। এছাড়া এতে রয়েছে জিঙ্ক,ম্যাগনেশিয়াম ও আয়রনের মতো প্রচুর মিনারেল, যা নারীদের শরীরে বিশেষভাবে প্রয়োজন। অ্যাভোকাডোর মধ্যে রয়েছে প্রচুর অলেইক অ্যাসিড৷ এছাড়া রয়েছে ভিটামিন ‘ই’, পটাশিয়াম, আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড, যা ‘কার্ডিওভাসকুলার’ রোগকে দূরে রাখতে সহায়তা করে৷ এই ফল নিয়মিত খেলে ‘কোলেস্টরেল’-এর মাত্রাও কমে যায়৷ এই তথ্য জানা গেছে আমেরিকার ফুড রিসার্চ ইন্টিটিউটের সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা থেকে। বেদানার রস উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, ধমনী ও হৃদপিণ্ডকে সুরক্ষা দেয় এই ফল। এছাড়াও বেদানার রস রক্তকে সহজে জমাট বাঁধতে দেয় না। এমনকি ক্যান্সার রোগীদের জন্যও বেশ উপকারী বেদানার রস।বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ২৫০ গ্রাম বেদানার রস পান করলে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের দ্রুত বৃদ্ধি রোধ করা যায়। আমে থাকা ভিটামিন ‘ই’ ও ভিটামিন ‘সি’ শরীরের ‘ইমিউন সিস্টেম’ বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে এবং নেতিবাচক স্ট্রেসকে দূরে রাখে।তাছাড়া আমে আছে প্রচুর ‘বিটা ক্যারোটিন’ যা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। স্যামন মাছে রয়েছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা বিভিন্ন ‘ইনফেকশন’ বা সংক্রমণ দমন করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে৷ শক্তিশালী করে ‘কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম’-কেও৷ তাছাড়া এই মাছে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড একত্রে মিলে মস্তিষ্কের কোষগুলোকে সচল রেখে মানুষের চিন্তা শক্তিকে প্রখর করে৷ ব্রকলিতে রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, যা শরীরের হাড় গঠনের জন্য একটি অত্যন্ত জরুরি মিনারেল৷ তাছাড়া ব্রকলিতে থাকা পটাশিয়াম শরীরের জল নিষ্কাশনে সাহায্য করে এবং উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও সহায়তা করে থাকে৷ কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়৷ তাছাড়াও কলা হৃদপিণ্ডকে সুরক্ষা করে উচ্চ রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখে৷ এ তথ্য জানা গেছে পুষ্টি সমিতির করা এক সমীক্ষা থেকে৷ কাজেই নারীরা এ সব খাবার নিয়মিত খেলে নিজেরাও সুস্থ থাকবেন, সুস্থ রাখবেন পুরো পরিবারকেও।
আপনার মতামত লিখুন :

বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণ

বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণ
পৃথিবীর সর্বোচ্চ শীর্ষে মানুষ ওড়ালো বিজয় পতাকা, ছবি: সংগৃহীত

এবার নতুন জুটি হিসেবে হিলারি-তেনজিংরা প্রস্তুত। পরিবেশ ও পরিস্থিতিও আজ অনেক অনুকূল। সুন্দর ঝকমকে সকাল। রোদের ঝিলিকে স্বর্ণ ও রৌপ্যের মতো চকচক করছে হিমালয় শীর্ষের বরফখণ্ড। দলনেতার ইঙ্গিত পেলেই শুরু হবে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গের দিকে শতাব্দীর সেরা অভিযান। শুধু সঠিক ও যুৎসই সময়ের অপেক্ষা। তখনই আবার ঘটলো বিপত্তি।

প্রস্তুত হয়ে তাবুর বাইরে বেরিয়েই হিলারির মাথায় বাজ পড়ল। তিনি আবিষ্কার করলেন, তার চামড়ার বুটজোড়া বরফে জমে গিয়েছে। ভুলবশত আগের দিন বিকেলে বাইরে শুকাতে দিয়ে জুতাজোড়া ভিতরে আনতে ভুলে গিয়েছিলেন। সারা রাতের তুষার-বরফে লোহার মতো শক্ত হয়ে গেছে পর্বতারোহণের জুতা। চিন্তায় পড়লেন তিনি, ‘তা হলে কি আজ আর এগোনো হবে না?’

এবারও অদম্য রইলেই এই অভিযাত্রীদল। প্রায় দু’তিন ঘণ্টার চেষ্টায় অবশেষে ভিজা জুতায় পা গলানো গেল। এরপর বাকিটা ইতিহাস। সামনে এগিয়ে চলার ইতিবৃত্ত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561489441312.jpg

ছবি ২: ১৯৫৩ সালের ২৯ মে। সকাল সাড়ে এগারোটা। এভারেস্ট চুড় স্পর্শ করলো মানুষ, ছবি: সংগৃহীত 

 

১৯৫৩ সালের ২৯ মে। সকাল সাড়ে এগারোটা। প্রমবারের মত এভারেস্ট চুড়ো স্পর্শ করলেন দুই অভিযাত্রী: স্যার এডমন্ড হিলারি আর তেনজিং নোরগে।

প্রথমে শীর্ষভূমিতে পা রাখলেন এডমন্ড হিলারি। ঠিক তার পেছনেই তেনজিং নোরগে। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টে এই প্রথম মানুষের পদচিহ্ন অঙ্কিত হলো। ২৯ মে, ১৯৫৩।

অর্ধ-শতাব্দীরও বেশি সময়ে পৃথিবী বদলেছে অনেক। বদলেছে পর্বতাভিযানের নিয়ম-কানুনও। সাজ-সরঞ্জামও অনেক আরামদায়ক ও সুলভ হয়েছে। অথচ প্রথম বিজয়ের দিনগুলো ছিল অনেক বিরূপ। আত্মজীবনীতে সেসব কথা বলে গেছেন তেনজিং।

শিখর জয়ের জন্য সেদিন ২৭,৯০০ ফুট উচ্চতায় ৯ নম্বর শিবির থেকে ভোর সাড়ে ছ’টায় রওনা হয়েছিলেন হিলারি-তেনজিং জুটি। এখন তিন-চারটে শিবির যথেষ্ট। দিনে নয়, অ্যাডভান্সড ক্যাম্প থেকে সন্ধ্যায় বের হয়ে পরদিন সকালে শিখর ছোঁয়াই নিয়ম।

তেনজিংদের জয়ের খবর দুনিয়াকে জানাতে নিকটবর্তী নামচে বাজারের পোস্ট অফিসে টেলিগ্রাম করতে ছুটেছিল রানার। দিনে দিনে এতো বড় বিজয়ের খবর পায়নি পৃথিবীর মানুষ।

আর এখন? স্যাটেলাইট ফোনে এভারেস্ট-শীর্ষ থেকেই কথা বলা যায়।

কিছু ইতিহাস কিন্তু অটুট। যেমন খুম্বু অঞ্চলের হতদরিদ্র শেরপা সম্প্রদায়, যেখান থেকে তেনজিং উঠে এসেছিলেন। তাদের ভাষায় লিখিত বর্ণমালা নেই, পাহাড়ে মালপত্র বয়ে আর ইয়াক চরিয়ে জীবন কাটাতে হয় তাদের। বিংশ শতাব্দীতে তেনজিং-ই প্রথম এশিয়া থেকে উঠে-আসা নিম্নবর্গের নায়ক। তাঁর আগে কোন এশীয় বীর এত নিচু স্তর থেকে উঠে আসেননি।

সেই তেনজিং আরেকটি কাজ করলেন। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শীর্ষে পৃথিবীর মানুষের বিজয় পতাকা উত্তোলন করে দু’জনে শিখরে কাটালেন মিনিট পনেরো। আবেগপ্রবণ তেনজিং বহু ব্যর্থতার পর বিজয় পেয়ে নিজের জীবনের এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561489484360.jpg

ছবি ৩: মাউন্ট এভারেস্ট, ছবি: সংগৃহীত

 

তেনজিং শৈশব থেকে নিজের জন্মের তারিখটা পর্যন্ত সঠিক জানতেন না। যে পশ্চাৎপদ সমাজে তিনি জন্ম নিয়েছিলেন, সেখানে লেখালেখি বা ইতিহাস রক্ষার কোনও রেওয়াজই ছিল না। এভারেস্ট জয়ের পর ২৯ মে তারিখটাকেই তিনি জন্মদিন হিসেবে গ্রহণ করতেন।

এই অভিযানের পর সত্যিই তো এক নতুন তেনজিংয়ের জন্ম হয়েছিল পৃথিবীর বুকে। তাকেই বোধহয় মনে মনে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন তেনজিং। এভারেস্ট বিজয়কে নিজের জীবনের অংশ করে রেখেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: ১৬ বার ব্যর্থ হয়েছিলেন তেনজিং!

আরও পড়ুন: ইভেন-বরিলিয়ান আউট, হিলারি-তেনজিং ইন

তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে হাইকোর্টে তলব

তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে হাইকোর্টে তলব
হাইকোর্ট

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), মহাব্যবস্থাপক (জিএম), উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এই তিনজনকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২ জলুাই তাদের শরীরে হাজির হতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিচারপতি এস আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তা নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তবায়ন না করায় একটি সম্পূরক আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ তলবের আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে হাইকোর্ট তিতাসের কর্মচারী নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তায়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তা অনুসরণ না করায় আদালত সম্পূরক আবেদন করেন। আদালতের আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর তিতাসে ৭৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে কর্তৃপক্ষ। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিলেও চূড়ান্ত ফলে তাদের বাদ দেওয়া হয়। কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে মো. রেজাউল করিমসহ ৮ জন ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর রিট দায়ের করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে ৬৩ জনকে নিয়োগ দেয় তিতাস। গত ২ এপ্রিল আরো ১৭ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে ক্ষুব্ধ রিট আবেদকারীরা হাইকোর্টে একটি সম্পূরক আবেদন করেন।

এই আবেদনের শুনানি করে হাইকোর্ট তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে তলবের আদেশ দেন।

আদালতে তিতাসের আইনজীবী জানান, ৩০ শতাংশ  কোটা সংরক্ষণ করেছে কর্তৃপক্ষ। রিটের আইনজীবীরা তার এই বক্তব্যে আপত্তি জানান। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র