Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বাড়ছে টার্কি মুরগি পালন

বাড়ছে টার্কি মুরগি পালন
সেন্ট্রাল ডেস্ক ২


  • Font increase
  • Font Decrease
লাভজনক হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে টার্কি মুরগি পালন। বিদেশি এই মুরগি পালনে সাফল্যের মুখ দেখছেন নওগাঁর বেকার যুবকরা। এরইমধ্যে জেলায় ৩০টি খামার গড়ে উঠেছে। এছাড়া দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে টার্কির খামার করেও সফল হয়েছেন এক নারী। রোগ-বালাই কম হওয়ায় সহজ উপায়ে এই মুরগি পালনে উৎসাহী হয়ে উঠছেন খামারিরা। নওগাঁর বিভিন্ন স্থানে ৩০টির মতো টার্কি মুরগির খামার রয়েছে। একটি বাচ্চা টার্কি ৬ মাস পালনের পর ডিম দেয়া শুরু করে। প্রতিটি মুরগির ওজন হয় ৬ থেকে ৭ কেজি পর্যন্ত। মাংস সুস্বাদু হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে এর চাহিদা। তাই বাণিজ্যিকভাবে খামার করে লাভবান হচ্ছেন বেকার যুবকরা। ২০১৬ সালে ১শ’ টি টার্কির বাচ্চা কিনে খামার করেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার আরজুমান আরা বেগম। বর্তমানে তার খামারে এক হাজারের বেশি মুরগি রয়েছে। এছাড়া রয়েছে বাচ্চা ফুটানোর ব্যবস্থাও। ঢাকা, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা বাচ্চা কিনতে এই খামারে আসেন। টার্কির রোগ বালাই কম হয়। শাক-সবজি, কচুরিপানা ও ঘাসজাতীয় খাবার খাওয়ায় এই মুরগি পালনে খরচ কম লাগে বলে জানান খামারিরা। দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নাসিরুল ইসলাম জানান, টার্কি মুরগির মাংসে উপকারী চর্বি থাকায় এটি হার্টের জন্য ভালো। এদিকে লাভজনক টার্কি মুরগি পালন দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন খামারিরা।
আপনার মতামত লিখুন :

বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণ

বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণ
পৃথিবীর সর্বোচ্চ শীর্ষে মানুষ ওড়ালো বিজয় পতাকা, ছবি: সংগৃহীত

এবার নতুন জুটি হিসেবে হিলারি-তেনজিংরা প্রস্তুত। পরিবেশ ও পরিস্থিতিও আজ অনেক অনুকূল। সুন্দর ঝকমকে সকাল। রোদের ঝিলিকে স্বর্ণ ও রৌপ্যের মতো চকচক করছে হিমালয় শীর্ষের বরফখণ্ড। দলনেতার ইঙ্গিত পেলেই শুরু হবে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গের দিকে শতাব্দীর সেরা অভিযান। শুধু সঠিক ও যুৎসই সময়ের অপেক্ষা। তখনই আবার ঘটলো বিপত্তি।

প্রস্তুত হয়ে তাবুর বাইরে বেরিয়েই হিলারির মাথায় বাজ পড়ল। তিনি আবিষ্কার করলেন, তার চামড়ার বুটজোড়া বরফে জমে গিয়েছে। ভুলবশত আগের দিন বিকেলে বাইরে শুকাতে দিয়ে জুতাজোড়া ভিতরে আনতে ভুলে গিয়েছিলেন। সারা রাতের তুষার-বরফে লোহার মতো শক্ত হয়ে গেছে পর্বতারোহণের জুতা। চিন্তায় পড়লেন তিনি, ‘তা হলে কি আজ আর এগোনো হবে না?’

এবারও অদম্য রইলেই এই অভিযাত্রীদল। প্রায় দু’তিন ঘণ্টার চেষ্টায় অবশেষে ভিজা জুতায় পা গলানো গেল। এরপর বাকিটা ইতিহাস। সামনে এগিয়ে চলার ইতিবৃত্ত।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561489441312.jpg

ছবি ২: ১৯৫৩ সালের ২৯ মে। সকাল সাড়ে এগারোটা। এভারেস্ট চুড় স্পর্শ করলো মানুষ, ছবি: সংগৃহীত 

 

১৯৫৩ সালের ২৯ মে। সকাল সাড়ে এগারোটা। প্রমবারের মত এভারেস্ট চুড়ো স্পর্শ করলেন দুই অভিযাত্রী: স্যার এডমন্ড হিলারি আর তেনজিং নোরগে।

প্রথমে শীর্ষভূমিতে পা রাখলেন এডমন্ড হিলারি। ঠিক তার পেছনেই তেনজিং নোরগে। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টে এই প্রথম মানুষের পদচিহ্ন অঙ্কিত হলো। ২৯ মে, ১৯৫৩।

অর্ধ-শতাব্দীরও বেশি সময়ে পৃথিবী বদলেছে অনেক। বদলেছে পর্বতাভিযানের নিয়ম-কানুনও। সাজ-সরঞ্জামও অনেক আরামদায়ক ও সুলভ হয়েছে। অথচ প্রথম বিজয়ের দিনগুলো ছিল অনেক বিরূপ। আত্মজীবনীতে সেসব কথা বলে গেছেন তেনজিং।

শিখর জয়ের জন্য সেদিন ২৭,৯০০ ফুট উচ্চতায় ৯ নম্বর শিবির থেকে ভোর সাড়ে ছ’টায় রওনা হয়েছিলেন হিলারি-তেনজিং জুটি। এখন তিন-চারটে শিবির যথেষ্ট। দিনে নয়, অ্যাডভান্সড ক্যাম্প থেকে সন্ধ্যায় বের হয়ে পরদিন সকালে শিখর ছোঁয়াই নিয়ম।

তেনজিংদের জয়ের খবর দুনিয়াকে জানাতে নিকটবর্তী নামচে বাজারের পোস্ট অফিসে টেলিগ্রাম করতে ছুটেছিল রানার। দিনে দিনে এতো বড় বিজয়ের খবর পায়নি পৃথিবীর মানুষ।

আর এখন? স্যাটেলাইট ফোনে এভারেস্ট-শীর্ষ থেকেই কথা বলা যায়।

কিছু ইতিহাস কিন্তু অটুট। যেমন খুম্বু অঞ্চলের হতদরিদ্র শেরপা সম্প্রদায়, যেখান থেকে তেনজিং উঠে এসেছিলেন। তাদের ভাষায় লিখিত বর্ণমালা নেই, পাহাড়ে মালপত্র বয়ে আর ইয়াক চরিয়ে জীবন কাটাতে হয় তাদের। বিংশ শতাব্দীতে তেনজিং-ই প্রথম এশিয়া থেকে উঠে-আসা নিম্নবর্গের নায়ক। তাঁর আগে কোন এশীয় বীর এত নিচু স্তর থেকে উঠে আসেননি।

সেই তেনজিং আরেকটি কাজ করলেন। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শীর্ষে পৃথিবীর মানুষের বিজয় পতাকা উত্তোলন করে দু’জনে শিখরে কাটালেন মিনিট পনেরো। আবেগপ্রবণ তেনজিং বহু ব্যর্থতার পর বিজয় পেয়ে নিজের জীবনের এক কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561489484360.jpg

ছবি ৩: মাউন্ট এভারেস্ট, ছবি: সংগৃহীত

 

তেনজিং শৈশব থেকে নিজের জন্মের তারিখটা পর্যন্ত সঠিক জানতেন না। যে পশ্চাৎপদ সমাজে তিনি জন্ম নিয়েছিলেন, সেখানে লেখালেখি বা ইতিহাস রক্ষার কোনও রেওয়াজই ছিল না। এভারেস্ট জয়ের পর ২৯ মে তারিখটাকেই তিনি জন্মদিন হিসেবে গ্রহণ করতেন।

এই অভিযানের পর সত্যিই তো এক নতুন তেনজিংয়ের জন্ম হয়েছিল পৃথিবীর বুকে। তাকেই বোধহয় মনে মনে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন তেনজিং। এভারেস্ট বিজয়কে নিজের জীবনের অংশ করে রেখেছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: ১৬ বার ব্যর্থ হয়েছিলেন তেনজিং!

আরও পড়ুন: ইভেন-বরিলিয়ান আউট, হিলারি-তেনজিং ইন

তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে হাইকোর্টে তলব

তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে হাইকোর্টে তলব
হাইকোর্ট

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), মহাব্যবস্থাপক (জিএম), উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এই তিনজনকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২ জলুাই তাদের শরীরে হাজির হতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিচারপতি এস আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তা নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তবায়ন না করায় একটি সম্পূরক আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ তলবের আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে হাইকোর্ট তিতাসের কর্মচারী নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তায়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তা অনুসরণ না করায় আদালত সম্পূরক আবেদন করেন। আদালতের আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর তিতাসে ৭৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে কর্তৃপক্ষ। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিলেও চূড়ান্ত ফলে তাদের বাদ দেওয়া হয়। কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে মো. রেজাউল করিমসহ ৮ জন ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর রিট দায়ের করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে ৬৩ জনকে নিয়োগ দেয় তিতাস। গত ২ এপ্রিল আরো ১৭ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে ক্ষুব্ধ রিট আবেদকারীরা হাইকোর্টে একটি সম্পূরক আবেদন করেন।

এই আবেদনের শুনানি করে হাইকোর্ট তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে তলবের আদেশ দেন।

আদালতে তিতাসের আইনজীবী জানান, ৩০ শতাংশ  কোটা সংরক্ষণ করেছে কর্তৃপক্ষ। রিটের আইনজীবীরা তার এই বক্তব্যে আপত্তি জানান। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র