Alexa

স্টার সিনেপ্লেক্সে হলিউডের ‘গ্লাস’ ও জাপানিজ অ্যানিমেটেড ছবি

স্টার সিনেপ্লেক্সে হলিউডের ‘গ্লাস’ ও জাপানিজ অ্যানিমেটেড ছবি

‘ড্রাগন বল সুপার: ব্রলি’ ও ‘গ্লাস’ ছবির পোস্টার

হলিউডের সুপারহিরো থ্রিলারভিত্তিক ছবি ‘গ্লাস’ আসছে ঢাকায়। এছাড়া জাপানিজ অ্যানিমেটেড মার্শাল আর্ট ছবি ‘ড্রাগন বল সুপার: ব্রলি’ও রাজধানীর দর্শকরা দেখার সুযোগ পাবেন। আগামী ১৮ জানুয়ারি দুই ঘরানার এই দুটি ছবি মুক্তি দিচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স। এম. নাইট শ্যামালান পরিচালিত ‘গ্লাস’ একই দিনে আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাবে। ২০০০ সালের ‘আনব্রেকেবল’ ও ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘স্প্লিট’ ছবির পটভূমি নিয়ে সাজানো হয়েছে এটি।

‘গ্লাস’ ছবিতে অভিনয় করছেন ‘আনব্রেকেবল’ তারকা ব্রুস উইলিস ও স্যামুয়েল এল. জ্যাকসন এবং ‘স্প্লিট’ তারকা জেমস ম্যাকাভয় ও এনা টেলর-জই। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন সারাহ পলসন। ব্রুস ও স্যামুয়েলের মতো স্পেন্সার ট্রেট ক্লার্ক ও চার্লন উডার্ড ফিরছেন ‘আনব্রেকেবল’ ছবির চরিত্রগুলোতে।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার এম. নাইট শ্যামালান সমসাময়িক সমাজ সংস্কৃতিতে অতিপ্রাকৃত উপাদান নিয়ে ছবি নির্মাণের জন্য সুপরিচিত। এ তালিকায় রয়েছে অতিপ্রাকৃত থ্রিলার ‘দ্য সিক্সথ সেন্স’ (১৯৯৯), সুপারহিরো থ্রিলার ‘আনব্রেকেবল’ (২০০০), বিজ্ঞান কল্পকাহিনীমূলক ‘সায়েন্স’ (২০০২), ঐতিহাসিক নাট্যধর্মী ‘দ্য ভিলেজ’ (২০০৪), কল্পনাধর্মী ছবি ‘লেডি ইন দ্য ওয়াটার’ (২০০৬), থ্রিলার ‘দ্য হ্যাপেনিং’ (২০০৮), ‘দ্য লাস্ট এয়ারবেন্ডার’ (২০১০) ও বিজ্ঞান কল্পকাহিনীমূলক ‘আফটার আর্থ’ (২০১৩), ‘দ্য ভিজিট’ (২০১৫) ও ‘স্প্লিট’ (২০১৬)।

এদিকে ড্রাগন বল সিরিজের ২০তম চলচ্চিত্র ‘ড্রাগন বল সুপার: ব্রলি’ পরিচালনা করেছন তাতসুয়া নাগামিনে। গত ১৪ ডিসেম্বর জাপানে মুক্তির পর দর্শকদের দারুণ সাড়া পেয়েছে ছবিটি। ড্রাগন বল একটি জনপ্রিয় জাপানি ধারাবাহিক কমিকস। আকিরা তোরিয়ামা ১৯৮৪ সালে এটি লেখা শুরু করেন।

ছবিটির গল্প গোকুকে ঘিরে। সে ড্রাগন বল নামক রহস্যজনক গোলক আকৃতির বলের অনুসন্ধানে বিশ্বভ্রমণ করে। এটি একটি ইচ্ছা পূর্ণকারী ড্রাগন। যে কেবল একটি ইচ্ছা পূরণ করতে পারে। পরবর্তীতে গোকু হয়ে উঠে পৃথিবীর রক্ষক। মার্শাল আর্ট শিক্ষকদের কাছে থেকে বিভিন্ন সময়ে সে মার্শাল আর্টের প্রশিক্ষণ নেয় সে। বন্ধুরাও তার সঙ্গে এই রোমাঞ্চকর ভ্রমণে থাকে। দুষ্ট লোকদের সঙ্গে লড়াই আর ড্রাগন বল খোঁজার সব রোমাঞ্চকর অভিযানের মাধ্যমেই চলতে থাকে গোকু ও তার বন্ধুদের জীবন।