Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
বিনোদন ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

মুক্তিযোদ্ধা, বরেণ্য গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। বার্তা২৪.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুরকার ইথুন বাবু।

তিনি বলেন, রাতে হার্ট অ্যাটাক করলে তাকে মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সোয়া ৪টার দিকে তিনি মারা যান। তার মরদেহ এখন তার নিজ বাসভবন আফতাব নগরে সি ব্লকে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে কবে, কখন, কোথায় মরদেহ দাফন করা হবে সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০১৮ সালের মাঝামাঝি বুলবুলের হার্টে আটটি ব্লক ধরা পড়ে। তার শারীরিক অবস্থার কথা জানতে পেরে চিকিৎসার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই বুলবুলকে ভর্তি করা হয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে। সেখানে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা বুলবুলের বাইপাস সার্জারি না করে শরীরে রিং পরানোর সিদ্ধান্ত নেন। এরপর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেন তিনি।

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে গীতিকার, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক। তিনি ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিক থেকে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সংগীতে সক্রিয় হন। ১৯৭৮ সালে ‘মেঘ বিজলি বাদল’ ছবিতে সংগীত পরিচালনার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন তিনি। সেই থেকে তিন শতাধিক চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছেন তিনি।

সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সৈয়দ আবদুল হাদী, এন্ড্রু কিশোর, সামিনা চৌধুরী, খালিদ হাসান মিলু, আগুন, কনক চাঁপাসহ বাংলাদেশি প্রায় সব জনপ্রিয় শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছেন বুলবুল।

১৯৭১ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বুলবুল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সংগীতে অবদানের জন্য তিনি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও রাষ্ট্রপতির পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

কড়া নিরাপত্তার মাঝেও নায়িকার ব্যাগ উধাও

কড়া নিরাপত্তার মাঝেও নায়িকার ব্যাগ উধাও
অর্জন ৭১ সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানে চিত্রনায়িকা শাহনূর/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) এর এটিএন বাংলা ফ্লোরে মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের গল্প নিয়ে সিনেমা 'অর্জন ৭১' এর মহরত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বিশেষ ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়াসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

তাই  মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুর থেকেই চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি) এর গেটে কড়া নিরাপত্তা। ভিতরে প্রবেশের জন্য অনুষ্ঠানের দাওয়াত পত্র আর সাংবাদিকদের আইডি কার্ড প্রদর্শন ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এত কড়াকড়ির মাঝেও 'অর্জন ৭১' সিনেমার মহরত অনুষ্ঠান থেকে ব্যাগ চুরি গেছে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি চিত্রনায়িকা শাহনূরের।

অনুষ্ঠান শুরুর কিছু সময় পর চিত্রনায়িকা শাহনূর মঞ্চে উঠেন আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করার জন্য। মঞ্চ থেকে নেমেই নিজের ব্যাগ হারানোর কথা উপস্থিত পুলিশদের জানান শাহনূর।

বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে শাহনূর বলেন, 'আমি আমার সিটে ব্যাগ রেখে মঞ্চে উঠি। নেমে দেখি আমার ব্যাগ নেই। ব্যাগে আমার টাকা, আইফোনসহ প্রয়োজনীয় বেশ কিছু জিনিসপত্র ছিল।'

উপস্থিত পুলিশদের জানানো পরই শাহনূরের ব্যাগ খোঁজার তোড়জোড় শুরু করে পুলিশ। এফডিসি'র গেটে বসানো হয় চেক পোস্ট। এরপর সাংবাদিকসহ সকলের পকেট ও ব্যাগ চেক করা হয়। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শাহনূরের হারানো ব্যাগ উদ্ধার করতে পারিনি পুলিশ।

মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের গল্প 'অর্জন ৭১'

মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের গল্প 'অর্জন ৭১'
'অর্জন ৭১' ছবি মহরত অনুষ্ঠান

 

মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদান নিয়ে 'অর্জন ৭১' নামের একটি সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন পরিচালক মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকালে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী, শতাব্দী ওয়াদুদ ও আফফান মিতুল। একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হবে সিনেমাটি। মুক্তিযুদ্ধের সময় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন আবদুল কাদের মিয়া। ১৯৭১ সালে ১ জুন তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তার জীবন গল্পের উপর নির্মিত হবে 'অর্জন ৭১'। এতে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদের মিয়ার চরিত্রে অভিনয় করবেন শতাব্দী ওয়াদুদ। আর তার স্ত্রী ফিরোজার চরিত্রে দেখা যাবে মৌসুমীকে।

মহরত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম ঠান্ডু। প্রধান অতিথি ছিলেন  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, ছবির পরিচালক ও অভিনয়শিল্পীরা।

মহরত অনুষ্ঠানের জানানো হয়েছে, ঈদের পর থেকে সিনেমাটির দৃশ্য ধারণের কাজ শুরু হবে। এফডিসি, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে শুটিং হবে সিনেমাটির। নির্মাণের পাশাপাশি ছবির চিত্রনাট্য, সংলাপ লিখেছেন পরিচালক নিজেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র