Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গ্র্যামিতে নারীদের জয়জয়কার

গ্র্যামিতে নারীদের জয়জয়কার
ছবি: সংগৃহীত
বৃষ্টি শেখ খাদিজা
নিউজরুম এডিটর


  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বসংগীতের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের ৬১তম আসরে সর্বাধিক চারটি করে পুরস্কার জিতলেন চাইল্ডিশ গ্যাম্বিনো ও কেসি মাসগ্রেভস। এবারের আসরে নারীদের জয় চোখে পড়ার মতো। যুক্তরাষ্ট্রে লস অ্যাঞ্জেলেসের স্টেপলস সেন্টারে রবিবার (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী সোমবার সকাল) জমকালো আয়োজনে গ্র্যামি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। একফাঁকে মঞ্চে হাজির হন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা। তিনি নারীর ক্ষমতায়নের পক্ষে কথা বলেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549876955393.jpg

কান্ট্রি গানের সেনসেশন কেসি মাসগ্রেভসের হাতে উঠেছে অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার সম্মান। রাজনৈতিক বিদ্রুপাত্মক গান ‘দিস ইজ আমেরিকা’র সুবাদে চাইল্ডিশ গ্যাম্বিনো পেয়েছেন সং অব দ্য ইয়ার ও রেকর্ড অব দ্য ইয়ার। সেরা মিউজিক ভিডিও ও সেরা র‌্যাপ পারফরম্যান্স বিভাগের পুরস্কারও জিতেছে গানটি।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549876981111.jpg

‘অ্যা স্টার ইজ বর্ন’ ছবির ‘শ্যালো’ গানের সুবাদে সেরা পপ দ্বৈত/দলীয় পারফরম্যান্স পুরস্কার পেয়েছেন ব্র্যাডলি কুপার ও লেডি গাগা। ‘শ্যালো’র জন্য সেরা চলচ্চিত্রের গানের গীতিকার-সুরকার পুরস্কার পেয়েছেন লেডি গাগা, মার্ক রনসন, অ্যান্থনি রোসোম্যান্ডো ও অ্যান্ড্রু ওয়াইয়াট। এছাড়া সেরা পপ সলো পারফরম্যান্স বিভাগে সেরা হয়েছে গাগার ‘জোয়েন’ অ্যালবামের ‘হোয়্যার ডু ইউ থিঙ্ক ইউ আর গোইন?’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/11/1549876996770.jpg

সেরা নতুন সংগীতশিল্পীর স্বীকৃতি উঠেছে দুয়া লিপার হাতে। তার গাওয়া ‘ইলেক্ট্রিসিটি’ সেরা ড্যান্স রেকর্ডিং পুরস্কার পেয়েছে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ১৫ বার গ্র্যামি জয়ী মার্কিন গায়িকা অ্যালিসিয়া কিস। প্রয়াত অ্যারেথা ফ্রাঙ্কলিন ও ডায়ান রসকে বিশেষ পরিবেশনার মাধ্যমে স্মরণ করা হয়।

৬১তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের বিজয়ী তালিকা
অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার: গোল্ডেন আওয়ার (কেসি মাসগ্রেভস)
রেকর্ড অব দ্য ইয়ার: দিস ইজ আমেরিকা (চাইল্ডিশ গ্যাম্বিনো)
সং অব দ্য ইয়ার: দিস ইজ আমেরিকা (চাইল্ডিশ গ্যাম্বিনো)
সেরা নতুন শিল্পী: দুয়া লিপা
সেরা পপ সলো পারফরম্যান্স: হোয়্যার ডু ইউ থিঙ্ক ইউ আর গোইন? (লেডি গাগা, অ্যালবাম: জোয়েন)
সেরা পপ ভোকাল অ্যালবাম: সুইটেনার (আরিয়ানা গ্র্যান্ড)
সেরা পপ দ্বৈত/দলীয় পারফরম্যান্স: শ্যালো (লেডি গাগা-ব্র্যাডলি কুপার)
সেরা ট্র্যাডিশনাল পপ ভোকাল অ্যালবাম: মাই ওয়ে (উইলি নেলসন)
সেরা র‌্যাপ অ্যালবাম: ইনভেশন অব প্রাইভেসি (কার্ডি বি)
সেরা র‌্যাপ পারফরম্যান্স: কিং’স ডেড (কেন্ড্রিক ল্যামার, জেই রক, ফিউচার ও জেমস ব্লেক) ও বাবলিন (অ্যান্ডারসন. পাক)
সেরা র‌্যাপ/সাং পারফরম্যান্স: দিস ইজ আমেরিকা (চাইল্ডিশ গ্যাম্বিনো)
সেরা র‌্যাপ সং: গড'স প্ল্যান (ড্রেক)
সেরা কান্ট্রি সলো পারফরম্যান্স: বাটারফ্লাইস (কেসি মাসগ্রেভস)
সেরা কান্ট্রি দ্বৈত/দলীয় পারফরম্যান্স: টেকিলা (ড্যান+শেই)
সেরা কান্ট্রি সং: স্পেস কাউবয় (কেসি মাসগ্রেভস)
সেরা কান্ট্রি অ্যালবাম: গোল্ডেন আওয়ার (কেসি মাসগ্রেভস)
সেরা ড্যান্স রেকর্ডিং: ইলেক্ট্রিসিটি (দুয়া লিপা ও সিল্ক সিটি ফিচারিং ডিপ্লো ও মার্ক রনসন)
সেরা ড্যান্স/ইলেক্ট্রনিক অ্যালবাম: ওম্যান ওয়ার্ল্ডওয়াইড (জাস্টিস)
সেরা মেটাল পারফরম্যান্স: ইলেক্ট্রিক মেসিয়াহ (হাই অন ফায়ার)
সেরা রক পারফরম্যান্স: হোয়েন ব্যাড ডাজ গুড (ক্রিস করনেল)
সেরা রক গান: ম্যাসেডাকশন (সেন্ট ভিনসেন্ট)
সেরা রক অ্যালবাম: ফ্রম দ্য ফায়ার (গ্রেটা ভ্যান ফ্লিট)
সেরা অল্টারনেটিভ মিউজিক অ্যালবাম: কালারস (বেক)
সেরা রিদম অ্যান্ড ব্লুজ পারফরম্যান্স: বেস্ট পার্ট (হার ফিচারিং ড্যানিয়েল সিজার)
সেরা ট্র্যাডিশনাল রিদম অ্যান্ড ব্লুজ পারফরম্যান্স: বেট অ্যাইন্ট ওর্থ দ্য হ্যান্ড (লিয়ন ব্রিজেস) ও হাউ ডিপ ইজ ইউর লাভ (পিজে মর্টন ফিচারিং ইয়েবা)
সেরা রিদম অ্যান্ড ব্লুজ সং: বু’ড আপ (এলা মাই)
সেরা রিদম অ্যান্ড ব্লুজ অ্যালবাম: হার (হার)
সেরা আরবান কন্টেমপোরারি অ্যালবাম: এভরিথিং ইজ লাভ (দ্য কার্টারস)
সেরা ল্যাটিন পপ অ্যালবাম: সিনচেরা (ক্লদিয়া ব্র্যান্ট)
সেরা মিউজিক ভিডিও: দিস ইজ আমেরিকা (চাইল্ডিশ গ্যাম্বিনো)
সেরা চলচ্চিত্রের গানের অ্যালবাম: দ্য গ্রেটেস্ট শোম্যান
সেরা চলচ্চিত্রের গানের গীতিকার-সুরকার: শ্যালো (লেডি গাগা, মার্ক রনসন, অ্যান্থনি রোসোম্যান্ডো ও অ্যান্ড্রু ওয়াইয়া

আপনার মতামত লিখুন :

আসেননি অঙ্কিত, মঞ্চ মাতালেন সানা-নোবেল

আসেননি অঙ্কিত, মঞ্চ মাতালেন সানা-নোবেল
মঞ্চে গান গাইছেন নোবেল, ছবি বার্তাটোয়ন্টিফোর.কম

বাংলাদেশ ও ভারতের জনপ্রিয় শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সানগ্লো মিউজিক্যাল ফেস্ট। শুক্রবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির নবরাত্রী হলে এ ফেস্ট অনুষ্ঠি হয়।

যদিও অনুষ্ঠানের প্রধান চমক ‘আশিকি ২’ সিনেমার 'শুন রাহা হ্যায়' খ্যাত শিল্পী অঙ্কিত তিওয়ারি উপস্থিত ছিলেন না মিউজিক্যাল ফেস্টে। তাই সন্ধ্যা ৬টায় কনসার্ট শুরু হওয়ার কথা থাক‌লেও প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে রাত সাড়ে ৮ টার প‌রে শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে গান পরিবেশন করেন রাত্রি চৌধুরী। এরপর সা‌ড়ে ৯টার দিকে মঞ্চে আসেন তাস‌নিম আনিকা। আনিকা বাপ্পা মজুমদা‌রের 'বায়ান্না তাস', আইয়ুব বাচ্চুর 'সেই তু‌মি', রুনা লায়লার 'দমাদম মাস্ত কালান্দার' ছাড়াও নি‌জের গাওয়া নোলক সি‌নেমার 'জলে ভাসা ফুল'সহ বেশ কিছু গান গে‌য়ে শোনান।

এরপর মঞ্চে ওঠেন ভারতীয় সানা খান। কয়েকটি হি‌ন্দি গা‌নের স‌ঙ্গে পারফর্ম ক‌রেন ৫ মিনিটের মতো। এরপর দীর্ঘ অপেক্ষা। প্রায় ৩০ মিনিট পর মঞ্চে ওঠেন নো‌বেল। মঞ্চে উঠতে বিলম্বের কারণ না জানা গেলেও মঞ্চে আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তু‌মি’ গান দি‌য়ে শুরু করেন নোবেল। এরপর 'হাস‌তে দে‌খো গাই‌তে দে‌খো', ‌জেম‌সের 'তারায় তারায়', 'বাবা' গান দিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন নোবেল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563569374752.jpg

নোবেলের গান গাওয়া শেষে এটিএন ইভেন্টসের ডিরেক্টর মাসুদুর রহমান, সানগ্লো এন্টারটেইনমেন্টের ডিরেক্টর (ইভেন্টস) মির্জা সাজিদ অনুষ্ঠানের প্রধান চমক অঙ্কিত তিওয়ারি অনুষ্ঠানে হাজির না হওয়ার দর্শকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে।

এ সময় মাসুদার রহমান বলেন, ‘অঙ্কিতের সঙ্গে সব কথা বার্তা চূড়ান্ত হয়েছিল। আমরা তার সম্মানিও পরিশোধ করেছি। হঠাৎ করেই মুড ভালো নেই বলে উনি আমাদের শো ক্যান্সেল করেছেন। আমাদের জানিয়েছেন উনি ফ্লাইট মিস করেছেন। উনার তিনজন মিউজিসিয়ানও বাংলাদেশে অবস্থান করছে। কলকাতাতেও উনার কিছু মিউজিসিয়ান অবস্থান করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে আমরা চমৎকার একটি আয়োজন উপহার দিতে চেয়েছিলাম। যেহেতু অঙ্গিত আসার কথা বলেও আসেননি। টিকিটে আমাদের অফিসের ফোন নাম্বার দেওয়া আছে। কেউ টিকিটের মূল্য ফেরত চাইলে, আমরা সেটা ফেরত দিব।’

কনসার্টে সিলভারের জন্য ২ হাজার টাকা, গোল্ডের জন্য ৫ হাজার এবং ভিআইপি টিকিটের জন্য ১৫ হাজার টাকা মূল্য রাখা হয়েছিল।

রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!

রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!
‘মিশন মঙ্গল’ ও ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবির পোস্টার

গত বছরের শেষ দিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ‘রোবট’ ছবির সিক্যুয়েল ‘টু পয়েন্ট জিরো’। ৫শ’ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রজনীকান্ত, অক্ষয় কুমার ও অ্যামি জ্যাকসন। বক্স অফিসে বাজিমাত মতে ছবিটি সারা বিশ্বব্যাপী আয় করে নেয় ৮শ’ কোটি রুপি।

এখন অক্ষয় কুমারের ব্যস্ত সময় কাটছে ‘মিশন মঙ্গল’ ছবির কাজ নিয়ে। আগামী ১৫ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। চমকপ্রদ তথ্য হলো, এটি হতে যাচ্ছে বলিউডের এই অভিনেতার ১৫০তম ছবি। এ কারণে ভীষণ আনন্দিত অক্ষয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে ছবিটির ট্রেলার। এ কারণে আয়োজন করা হয়েছিল এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। সেখানেই অক্ষয় জানালেন রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!

আরও পড়ুন: অক্ষয়ের মুখে নারী বিজ্ঞানীদের জয়গান

এ প্রসঙ্গে অক্ষয়ের ভাষ্য, “ছবিটির শুটিং শুরুর আগে মার্স অরবিটার মিশন (মম) নিয়ে আমাদের কারও তেমন কোন ধারনা ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে আমরা অনেক কিছু জানতে পেরেছি। নাসা ৬ হাজার কোটি রুপির একটি স্ট্যাটেলাইট মঙ্গলে পাঠিয়েছিল। আর ইসরো সেটি সাড়ে ৪শ’ কোটিতে করে দেখিয়েছে। মজার বিষয় হলো, আমার অভিনীত ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবির বাজেট ছিল ৫শ’ কোটি রুপি। তবে এই ছবিটি নির্মাণে তার চাইতেও অনেক কম অর্থ খরচ হয়েছে। তাই আমরা গর্বিত।”

ট্রেলার প্রকাশনা অনুষ্ঠানেও নারীদের জয়গান গেয়েছেন বলিউডের এই অভিনেতা। এ প্রসঙ্গে অক্ষয় বলেন, ‘এই ছবিটি শুধুমাত্র নারীদের জন্য। আর এটি সবসময় তাদের জন্যই থাকবে।’

মজা করে অক্ষয় আরও বলেন, ‘একটি ছবিতে পাঁচ জন নারীর সঙ্গে কাজ অনেক কঠিন ব্যাপার। কিন্তু আমি সেটি করে দেখিয়েছি।’

২০১৩ সালে ভারতের ‘মঙ্গলযান’ মিশনের উপর ভিত্তি করেই নির্মিত হয়েছে ‘মিশন মঙ্গল’। এতে অক্ষয় কুমারকে দেখা যাবে ভারতের মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশনের (ইসরো) সিনিয়র বিজ্ঞানী রাকেশের চরিত্রে। এছাড়া ইসরো’র পাঁচজন নারী বিজ্ঞানীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিদ্যা বালন, তাপসী পান্নু, সোনাক্ষী সিনহা, কৃতি কুলহারি ও নিত্যিয়া মেনন।

সবশেষ ‘কেসারি’তে দেখা গেছে অক্ষয় কুমারকে। এতে বলিউডের এই অভিনেতার সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন পরিণীতি চোপড়া। এটিও বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র