Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভালোবাসা দিবসে স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘আলিটা’

ভালোবাসা দিবসে স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘আলিটা’
‘আলিটা: ব্যাটল অ্যাঞ্জেল’ ছবির দৃশ্য
বিনোদন ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে দর্শকদের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং মল এবং সীমান্ত সম্ভারস্থ স্টার সিনেপ্লেক্স মুক্তি দিচ্ছে হলিউডের কাঙ্ক্ষিত সিনেমা ‘আলিটা: ব্যাটল অ্যাঞ্জেল’।

‘ফ্রম ডাস্ক টিল ডন’, ‘প্লানেটটেরর’, ‘ম্যাচেটি’, ‘সিনসিটি: আ ডেম টু কিল ফর’-এর মতো সিনেমা নির্মাণ করে নিজেকে অনেক আগেই ভিশনারি পরিচালক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন রবার্ট রদ্রিগেজ। এবার তিনি নিয়ে আসছেন ‘আলিটা: ব্যাটল অ্যাঞ্জেল’।

ছবিটি নিয়ে ইতোমধ্যেই ব্যাপক কৌতূহল লক্ষ্য করা গেছে দর্শকদের মাঝে। এ ছবিতে তিনি যুক্ত হয়েছেন সর্বকালের সেরা নির্মাতাদের একজন জেমস ক্যামেরনের সঙ্গে। এ সিনেমায় ক্যামেরন সহ-লেখক ও প্রযোজক হিসেবে আছেন। জাপানি কমিক কন’ বা ‘ম্যাংগা’ অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে ‘আলিটা’। জাপানি ম্যাংগার জনপ্রিয় শিল্পী উকিতো কিশিরোর ব্যাটল অ্যাঞ্জেল আলিটা থেকে তৈরি হয়েছে রদ্রিগেজের সাইবারপাংক সিনেমা।

‘আলিটা: ব্যাটল অ্যাঞ্জেল’ ছবির কাহিনীর সময়কাল ষড়বিংশ শতক। ৩০০ বছর আগে দুনিয়ার প্রযুক্তির পতন হয়েছিল। সেই পতনের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট যুদ্ধে পৃথিবীর সভ্যতা অন্ধকার যুগে ফিরে যায়। টিকে ছিল কেবল একটা হাই-টেক শহর, যেটা আকাশে ভেসে থাকে। আর বাকি দুনিয়া ধ্বংস হওয়া দুনিয়াকে নতুন করে গড়তে কাজ করছিল।রদ্রিগেজের কথায়, ‘ছবিতে দর্শকরা অতীতে গিয়ে ভবিষ্যৎ দেখতে পাবেন।’

 

 

ট্রেলারে দর্শকরা আকাশে যে দৈত্যাকার স্থাপনাটি দেখতে পান, সেটা হচ্ছে মানুষের তৈরি একটি শহর, যার নাম ‘সালেম’। এটা যুদ্ধের পর টিকে থাকা একমাত্র ভাসমান শহর। সালেমের কোনও মানুষ যদি দুনিয়ায় যেত, তাহলে সে আর নিজ শহরে ফিরতে পারত না। সালেমের মানুষ তাকে গ্রহণ করত না। কারণ তারা দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত কিছু তাদের উন্নত জীবনে যুক্ত করতে চায় না।

সালেম শহরের ঠিক নিচেই এ লোহার শহরের কেন্দ্র। এখানে সালেম শহরের সব আবর্জনা রাখা হয়। দুনিয়া থেকে সালেম যাওয়ার যে লিফট ছিল, সেখানেই এ ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি করা হয়। এখানেই ছবির মূল চরিত্র আলিটার মস্তিষ্ক ও হাড় খুঁজে পান তার এক সময়ের কেয়ারটেকার ও বিজ্ঞানী ড. ইডো। আলিটার মস্তিষ্ক তখনো জীবন্ত। সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজে বেড়ায় আলিটা ও তার বন্ধুরা। শেষ পর্যন্ত কি তারা সফল হয়? দেখার জন্য অপেক্ষা করা যাক ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

 

আপনার মতামত লিখুন :

রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!

রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!
‘মিশন মঙ্গল’ ও ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবির পোস্টার

গত বছরের শেষ দিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ‘রোবট’ ছবির সিক্যুয়েল ‘টু পয়েন্ট জিরো’। ৫শ’ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রজনীকান্ত, অক্ষয় কুমার ও অ্যামি জ্যাকসন। বক্স অফিসে বাজিমাত মতে ছবিটি সারা বিশ্বব্যাপী আয় করে নেয় ৮শ’ কোটি রুপি।

এখন অক্ষয় কুমারের ব্যস্ত সময় কাটছে ‘মিশন মঙ্গল’ ছবির কাজ নিয়ে। আগামী ১৫ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। চমকপ্রদ তথ্য হলো, এটি হতে যাচ্ছে বলিউডের এই অভিনেতার ১৫০তম ছবি। এ কারণে ভীষণ আনন্দিত অক্ষয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে ছবিটির ট্রেলার। এ কারণে আয়োজন করা হয়েছিল এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। সেখানেই অক্ষয় জানালেন রোবট তৈরির চেয়ে মঙ্গলে যাওয়ার খরচ কম!

আরও পড়ুন: অক্ষয়ের মুখে নারী বিজ্ঞানীদের জয়গান

এ প্রসঙ্গে অক্ষয়ের ভাষ্য, “ছবিটির শুটিং শুরুর আগে মার্স অরবিটার মিশন (মম) নিয়ে আমাদের কারও তেমন কোন ধারনা ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে আমরা অনেক কিছু জানতে পেরেছি। নাসা ৬ হাজার কোটি রুপির একটি স্ট্যাটেলাইট মঙ্গলে পাঠিয়েছিল। আর ইসরো সেটি সাড়ে ৪শ’ কোটিতে করে দেখিয়েছে। মজার বিষয় হলো, আমার অভিনীত ‘টু পয়েন্ট জিরো’ ছবির বাজেট ছিল ৫শ’ কোটি রুপি। তবে এই ছবিটি নির্মাণে তার চাইতেও অনেক কম অর্থ খরচ হয়েছে। তাই আমরা গর্বিত।”

ট্রেলার প্রকাশনা অনুষ্ঠানেও নারীদের জয়গান গেয়েছেন বলিউডের এই অভিনেতা। এ প্রসঙ্গে অক্ষয় বলেন, ‘এই ছবিটি শুধুমাত্র নারীদের জন্য। আর এটি সবসময় তাদের জন্যই থাকবে।’

মজা করে অক্ষয় আরও বলেন, ‘একটি ছবিতে পাঁচ জন নারীর সঙ্গে কাজ অনেক কঠিন ব্যাপার। কিন্তু আমি সেটি করে দেখিয়েছি।’

২০১৩ সালে ভারতের ‘মঙ্গলযান’ মিশনের উপর ভিত্তি করেই নির্মিত হয়েছে ‘মিশন মঙ্গল’। এতে অক্ষয় কুমারকে দেখা যাবে ভারতের মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশনের (ইসরো) সিনিয়র বিজ্ঞানী রাকেশের চরিত্রে। এছাড়া ইসরো’র পাঁচজন নারী বিজ্ঞানীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিদ্যা বালন, তাপসী পান্নু, সোনাক্ষী সিনহা, কৃতি কুলহারি ও নিত্যিয়া মেনন।

সবশেষ ‘কেসারি’তে দেখা গেছে অক্ষয় কুমারকে। এতে বলিউডের এই অভিনেতার সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন পরিণীতি চোপড়া। এটিও বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করে।

নাক সার্জারির কারণে প্রথম ছবি হারাতে বসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা!

নাক সার্জারির কারণে প্রথম ছবি হারাতে বসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা!
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ৩৭তম জন্মদিনের কেক কেটেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। বলিউডের এই অভিনেত্রীর ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে ছবিতে খুব একটা পরিবর্তন না আসলেও তার স্টাইলে এসেছে তুমুল পরিবর্তন।

২০ বছর বয়সে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট জয় করে চলচ্চিত্রে ক্যারিয়ার শুরু করেন পিসি। কিন্তু বলিউডে তার পথ চলাটা মোটেও মসৃন ছিল না।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563544883536.jpgখুব বেশি সুন্দর না হওয়ায় ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে কতোটা সংঘর্ষ করতে হয়েছিল ২০১৮ সালে তা প্রিয়াঙ্কার আত্মজীবনী ‘প্রিয়াঙ্কা চোপড়া: অ্যা ডার্ক হর্স’-এ তুলে ধরেছিলেন লেখক ভারতি এস প্রধান।

সেই আত্মজীবনীতে এটিও লেখা হয়েছিল যে, সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য নাকে সার্জারি করিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। যার ফলে তিনি হারাতে বসেছিলেন তার প্রথম ছবির কাজ!
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563544901602.jpgপ্রযোজক বিজয় গলানি একটি ছবির জন্য ববি দেওল ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে নিয়ে কাজ করবেন বলেছিলেন। যার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মহেশ মাঞ্জরেকর।

এ বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে গলানি জানিয়েছিলেন, “মহরতের শটের আয়োজন চলছিল। সব মিডিয়া হাউজ থেকে প্রতিনিধিরা এসেছেন। হঠাৎ প্রিয়াঙ্কার সেক্রেটারি প্রকাশ জুজু আমাকে প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে গিয়ে দেখা করতে বলেন। পরে তার ঘরে গিয়ে দেখি তিনি মেকআপ করছেন। আর তখনই লক্ষ্য করলাম তার নাকের ব্রিজটা নেমে গেছে। পরে জানতে পারলাম তিনি লন্ডন গিয়ে নাকে সার্জারি করিয়েছেন। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না সেসময়। ফিল্ম সিটিতে ছবির কিছু অংশের শুটিংও হয়েছিল। বাকি শুটিংয়ের জন্য লন্ডনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বলুন তো, নায়িকার নাকের এমন অবস্থা হলে শুটিং করব কী করে আমরা!” এরপরই ছবিটি বাতিল করে দেওয়া হয়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563544917186.jpgগলানির ছবির কাজ হাতে থাকাকালীন অনিল শর্মার ‘হিরো: দ্য লাভ স্টোরি অব অ্যা স্পাই’-এর জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কিন্তু তার এই অবস্থা দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন অনিলও।

এ প্রসঙ্গে অনিল এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে ছবিটিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর চার মাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা গিয়েছিলাম আমি। ফিরে এসে যখন ছবির চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ শুরু করি তখন জানতে পারি প্রিয়াঙ্কা তার ঠোঁটে ও নাকে সার্জারি করিয়েছেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563544937450.jpgযোগ করে অনিল আরও বলেন, দেশে ফেরার পর শুরুতে প্রবীন ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাই। আর তিনি জানান প্রিয়াঙ্কাকে তিন/চারটি ছবি থেকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বাস করছিলাম না কথাগুলো। এরপর আমি প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দেখা করার সিদ্ধান্ত নেই। আর তাকে দেখে তো রীতিমতো হতভম্ব হয়ে যাই।

তাকে দেখার পর একটি প্রশ্ন আমার মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছিল যে, এমনটি করার প্রয়োজন কী ছিল? এসময় প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে তার মা মধু চোপড়াও ছিলেন। দু’জনই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন সেসময়। এছাড়া তিন/চারটি ছবি থেকে বাতিল হয়ে যাওয়ার কারণে তারা বারেলিতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং আমার চেকটিও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563544953454.jpgতাদের এমন সততায় মুগ্ধ হই। এরপরই একজন বর্ষীয়ান মেকআপ আর্টিস্টকে ডেকে ওর চুল ছোট করে একটা নতুন লুক দেই। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, কবির বেদীর সঙ্গে যখন প্রিয়াঙ্কার একটি শট নিয়েছিলাম দেখলাম তিনি অসাধারণ পারফরমেন্স করেছেন।

ক্যারিয়ারের শুরুতে যে প্রিয়াঙ্কাকে এতো সংঘর্ষ করতে হয়েছে। আজ তিনি শুধু বলিউড নয়, হলিউডেরও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। নিজেকে শুধু অভিনয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি পিসি। গায়িকা হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছেন। পাশপাশি লেখালেখি ও প্রযোজনার কাজটিও দারুণভাবে করে যাচ্ছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র