Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এলআরবি এখন ‘বালাম অ্যান্ড দ্য লিগ্যাসি’

এলআরবি এখন ‘বালাম অ্যান্ড দ্য লিগ্যাসি’
আইয়ুব বাচ্চু ও ‘বালাম অ্যান্ড দ্য লিগ্যাসি’ ব্যান্ডদলের সদস্যরা
বিনোদন ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

এলআরবি ব্যান্ডের সঙ্গে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বালামের যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয় গত ৫ এপ্রিল। এর ১০ দিন না পেরোতেই আবারও খবরের শিরোনামে ব্যান্ডটি। এলআরবি নয়, এখন থেকে ‘বালাম অ্যান্ড দ্য লিগ্যাসি’ নামে কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করবেন তারা।

এলআরবি গিটারিস্ট আবদুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ‘এলআরবি ব্যান্ডের প্রাণপুরুষ আইয়ুব বাচ্চুর প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও সম্মান রেখে আমরা কাজ করে যেতে চাই। তাই বালামকে যুক্ত করেছি আমরা। কিন্তু আইয়ুব বাচ্চুর পরিবারের সদস্যরা এলআরবি নামটি ব্যবহার না করার জন্য আমাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন। তাদের সম্মান জানিয়ে আমরা নামটি আর ব্যবহার করবো না। এখন থেকে আমরা বালাম অ্যান্ড দ্য লিগ্যাসি নামে বাজাবো-গাইবো।’

ব্যান্ডটির বর্তমান লাইনআপ: বালাম (ভোকাল ও গিটার), স্বপন (বেজ গিটার) , মাসুদ (গিটার), রোমেল (ড্রামস) ও শামীম আহমেদ (সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার)।

১৯৯০ সালের ৫ এপ্রিল আইয়ুব বাচ্চুর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় এলআরবি। শুরুতে ব্যান্ডটির নাম রাখা হয়েছিল লিটল রিভার ব্যান্ড (এলআরবি)। ১৯৯৭ সালে এলআরবি’র অর্থ দাঁড়ায় লাভ রানস ব্লাইন্ড।

গত বছর ১৬ অক্টোবর রাতে রংপুরে শেষ কনসার্ট করেন আইয়ুব বাচ্চু। ১৭ অক্টোবর ঢাকায় ফেরেন তিনি। ১৮ অক্টোবর সকালে নিজ বাসায় হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেন এই কিংবদন্তি মিউজিশিয়ান।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যান্ড এলআরবি’র দলনেতা আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন একাধারে গায়ক, গিটারিস্ট, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। গিটারের জাদুকর হিসেবে আলাদা সুনাম ছিল তার। ভক্তদের কাছে তিনি ‘এবি’ নামেও পরিচিত।

আপনার মতামত লিখুন :

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা
'গাল্লিবয়' রানা

কামরাঙ্গীরচরের ৮ নম্বর গলিতে বেড়ে ওঠা রানাকে নিয়ে প্রথম 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ হাসান তবীব। তারপর 'গাল্লিবয়' রানা ইন্টারনেট জুড়ে ভাইরাল।

'গাল্লিবয়' রানা এতটাই ভাইরাল যে ১৭ জুলাই ইউটিউবে 'গাল্লিবয় পার্ট-২' শিরোনামের গান প্রকাশের একদিনেই ১ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করেছে । গানটিতে রান প্রশ্ন রেখেছেন, আমি রানা, আমার সবটাই জানা। আমার মত আছে হাজার রানা। এক গান গেয়ে আমি আজ ভাইরাল, বাকী রানাদের বলো কি হবে কাল?

বরাবরের মতোই গানটির কথা, সুর ও ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব। গানটি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব।

এই বছরের মে-জুন মাসের রানার সঙ্গে পরিচয় হয় তবীবের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘুরে র‌্যাপ গান শোনাতো রানা। তবীবের সঙ্গে রানার পরিচয়ের পর বলিউডের 'গাল্লিবয়' নাম জুড়ে দেন রানার নামের সঙ্গে। তারপর রানার গাওয়া 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি।

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান
আনন্দ কুমারকে পা ছুঁয়ে সম্মান জানাচ্ছেন হৃতিক রোশন

গত ১১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হৃতিক রোশন অভিনীত ‘সুপার থার্টি’। ভারতের পাটনার গণিত শিক্ষক আনন্দ কুমারের জীবনী নিয়ে নির্মিত ছবিটি এরইমধ্যে আয় করে নিয়েছে ৭০ কোটি রুপি।

ছবিটির প্রচারণার জন্য পাটনা শহরে গিয়েছিলেন হৃতিক রোশন। এ কারণে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) হোটেল মৌরিয়াতে আয়োজন করা হয় এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে ছবির অন্যান্য কলাকুশলীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আনন্দ কুমারও।

চমকপ্রদ তথ্য হলো, সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সামনে আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে তাকে সম্মান জানান হৃতিক।

এমন সম্মানে আবেগ আপ্লুত আনন্দ কুমার বলেন, ‘হৃতিক যখন এসেছিলেন সেসময় গুরু পূর্নিমা ছিল। এই দিনটিতে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে। আর এটি জানার পর হৃতিকও আমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই বলিউডের এই অভিনেতাকে। বিশেষ করে আমার গল্পটি বিশ্বের প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে কৃতজ্ঞ।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563459345069.jpg১৯৯৪ সালে আনন্দ কুমার কেমব্রিজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। শুধু প্লেনের টিকিটের টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই কেমব্রিজে পড়ার স্বপ্ন সেখানেই ভেঙে যায় তার।

নিজের স্বপ্ন সত্যি হয়নি, তাই অন্যের স্বপ্ন পূরণে নেমে যান আনন্দ কুমার। যেসব গরিব ছাত্র স্বপ্ন দেখত আইআইটিতে (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) পড়ার, নিজের স্বল্প আয়ের পুরোটাই তিনি খরচ করতেন ওই ছাত্রদের খাওয়া, পড়া, থাকা আর লেখাপড়ার খাতে।

২০০২ সাল থেকে আনন্দ কুমার নিজের কোচিং সেন্টার চালু করেন। সেখানে প্রতি বছর বিহারের সেরা ৩০ জন গরিব মেধাবী ছাত্র একেবারে বিনা পয়সায় ‘সুপার থার্টি’ প্রজেক্টের অধীনে আইআইটির ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং করার সুযোগ পায়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আনন্দ কুমারের কোচিং থেকে ৪৮০ জনের ভেতরে ৪২২ জন চান্স পায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র