Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন ফেরদৌস

ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন ফেরদৌস
ফেরদৌস আহমেদ
বিনোদন ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

অভিনয়ের কাজে ওয়ার্কিং ভিসা নিয়ে ভারতে গিয়ে দেশটির চলমান লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচারণায় অংশগ্রহণের অভিযোগে বাংলাদেশি অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদের ভিসা বাতিল করা হয়। বাংলাদেশ হাইকমিশনের নির্দেশের পর মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দেশে ফিরেছেন ফেরদৌস। এই ঘটনায় দুই বাংলায় তুমুল সমলোচনার মুখে পড়েছেন এই জনপ্রিয় অভিনেতা। বিষয়টি নিয়ে ক’দিন চুপ থাকলেও এবার মুখ খুললেন তিনি। চাইলেন ক্ষমাও।

ক্ষমা চেয়ে ফেরদৌস বলেন- আমি চিত্রনায়ক ফেরদৌস। অভিনয় শিল্প আমার একমাত্র নেশা ও পেশা। অভিনয় শিল্পের মাধ্যমে বাংলা ভাষাভাষী সকলের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরিতে সর্বদা কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমার ভাবতে ভাল লাগে আমি দুই বাংলায় সমানভাবে জনপ্রিয়। দুই বঙ্গের মানুষের সংস্কৃতি ও জীবনাচারে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। আবার ভারত বহু কৃষ্টি-কালচারের সমন্বয়ে সমৃদ্ধ একটি দেশ। ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী দেশ হিসাবে ভারতের অবদান আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি। পাশাপাশি ভারতের জনগণের ত্যাগ-তিতিক্ষা আমাদের চিরঋণী করে রেখেছে। পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সাথে আমার সম্পর্ক বহুদিনের। এখানের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেক শিল্পী, সাহিত্যিক আমার বন্ধু। যাদের সাথে আমি সবসময়ে হৃদ্যতা অনুভব করি। এজন্য বিভিন্ন সময় কারণে অকারণে আমি এখানে চলে আসি।

ভারতে জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের এই নির্বাচন পূর্বের মতো সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছে। এই সময়ে আমি ভারতে অবস্থান করছিলাম। সকলের মতো আমারও আগ্রহের জায়াগায় ছিল এই নির্বাচন। ফলে ভাবাবাগে তাড়িত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের একটি নির্বাচনী প্রচারণায় আমি আমার সহকর্মীদের সাথে অংশগ্রহণ করি। এটা পূর্বপরিকল্পনার কোন অংশ ছিল না। শুধুমাত্র আবেগের বশবর্তী হয়ে আমি অংশগ্রহণ করেছি। কারো প্রতি বিশেষ আনুগত্য প্রদর্শন বা কোন বিশেষ দলের প্রচারণার লক্ষ্যে নয়, আবার কারো প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করাও আমার উদ্দেশ্য নয়। ভারতের সকল রাজনৈতিক দল এবং নেতার প্রতি আমার সম্মান রয়েছে। আমি ভারতের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

আমি আগেও বলেছি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসা অগাধ। সেই ভালোবাসা আমাকে আবেগ তাড়িত করেছে। আমি বুঝতে পেরেছি, আবেগের বশবর্তী হয়ে সহকর্মীদের সাথে এই নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করাটা আমার ভুল ছিল। যেটা থেকে অনেক ভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং অনেকে ভুলভাবে নিয়েছেন। আমি স্বাধীন বাংলাদেশের একজন নাগরিক। একটি স্বধীন দেশের নাগরিক হিসেবে অন্য একটি দেশের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ কোনভাবেই ঔচিত্য নয়। আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমি ক্ষমা প্রর্থনা করছি। আশা করি, সংশ্লিষ্ট সকলে আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

আপনার মতামত লিখুন :

বিতর্কিত অনুদান স্থগিতে ৪ নির্মাতার রিট আবেদন

বিতর্কিত অনুদান স্থগিতে ৪ নির্মাতার রিট আবেদন
ছবি: সংগৃহীত

নানা অনিয়ম ও অসচ্ছতার অভিযোগ এনে সদ্য সরকার ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে চলচ্চিত্রে প্রদত্ত সরকারি অনুদান স্থগিত ও পুনঃ নিরীক্ষণের জন্য উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেছেন চার নির্মাতা। তারা হলেন এ অর্থবছরে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান জন্য আবেদনকারী চলচ্চিত্র গবেষক ও লেখক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদানের জন্য আবেদনকারী চলচ্চিত্র নির্মাতা অদ্রি হৃদয়েশ ও চলচ্চিত্র নির্মাতা সুপিন বর্মন এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা খন্দকার সুমন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চলচ্চিত্র নির্মাতা খন্দকার সুমন জানিয়েছেন, অনুদান নীতিমালা লঙ্ঘন করে ৩টি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মোট ১৪টি চলচ্চিত্রের অনুদানের ঘোষণা স্থগিত ও জমাকৃত সকল চলচ্চিত্র নির্মাণ প্যাকেজ প্রস্তাব পুনঃ-নিরীক্ষণের জন্য গত ১৬ জুলাই জনস্বার্থে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন তারা। রিট আবেদনকারীগণের পক্ষে আইনি সহায়তা প্রদান করছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম।

প্রতিবছরই অনুদান নিয়ে নানা অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ এলেও চলতি বছর এর মাত্রা ছাড়িয়েছে উল্লেখ করে আবেদনকারী খন্দকার সুমন বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের চলচ্চিত্রে অনুদান প্রদানে অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ সকল সীমা ছাড়িয়েছে। আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রাপ্ত নানা তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছি যে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে অনুদান প্রদানের প্রক্রিয়ায় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান প্রদান নীতিমালা এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান প্রদান নীতিমালার বহু নিয়ম লঙ্ঘন করে এ বছর ৩টি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মোট ১৪টি চলচ্চিত্রকে অনুদান প্রদান করা হয়েছে। যা কোনোভাবেই যথার্থ নয় বলে আমরা মনে করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আদালতে আমাদের যাবতীয় তথ্য-বিশ্লেষণ ও গণমাধ্যমের নানা প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছি। আশা করছি আদালত বিষয়গুলো বিবেচনায় নিবেন।’
এর আগে গত ২৮ এপ্রিল চলতি অর্থ বছরে চলচ্চিত্রের জন্য সরকারি অনুদান দেওয়ার প্রক্রিয়ায় কিছু গড় মিল হয়েছে বলে উল্লেখ করে পদত্যাগ করেন চূড়ান্ত অনুদান কমিটির চার সদস্য, মামুনুর রশীদ, নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, মোরশেদুল ইসলাম ও ড. মতিন রহমান। যদিও পরবর্তীতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকের ভিত্তিতে পুনরায় যোগ দেন তারা।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563950014597.jpg২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে একটি শিশুতোষ চলচ্চিত্র, দুটি প্রামাণ্যচিত্র ও সাধারণ শাখায় ছয়টি চলচ্চিত্রকে অনুদান প্রদান করা হয়। শিশুতোষ শাখায় অনুদান পেয়েছে আবু রায়হান মো. জুয়েলের ‘নসু ডাকাত কুপোকাত’। প্রামাণ্যচিত্র শাখায় অনুদান পেয়েছে হুমায়রা বিলকিসের ‘বিলকিস এবং বিলকিস’ এবং পুরবী মতিনের ‘খেলাঘর’। সাধারণ শাখায় কবরীর ‘এই তুমি সেই তুমি’ ছাড়াও অনুদান পেয়েছে মীর সাব্বিরের ‘রাত জাগা ফুল’, আকরাম খানের ‘বিধবাদের কথা’, কাজী মাসুদের প্রযোজনা ও হোসনে মোবারক রুমির ‘অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া’, লাকী ইনামের প্রযোজনায় হৃদি হকের পরিচালনায় ‘১৯৭১ সেই সব দিন’ এবং শমী কায়সারের প্রযোজনায় ‘স্বপ্ন মৃত্যু ভালোবাসা’।

সিনেমা নেই অথচ নির্বাচন উপলক্ষে সরব প্রযোজকরা

সিনেমা নেই অথচ নির্বাচন উপলক্ষে সরব প্রযোজকরা
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

৭ বছর পর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের (২০১৯-২১) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৭ জুলাই। দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন।

প্রথম ধাপের ভোটে ১৯ পদের জন্য ৪১ জন লড়বেন। দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত ১৯ জনের ভোটে নির্বাচিত হবে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদের প্রার্থীরা।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির পরিসংখ্যান বলছে এই নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৯০। অর্থাৎ ১৯০ জন প্রযোজক এই নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। এত সংখ্যক প্রযোজক থাকলেও ২০১৯ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশে সিনেমা মুক্তি পেয়েছে মাত্র ২২টি। যার মধ্যে শাকিব খানের ‘পাসওয়ার্ড’ ছাড়া অন্য কোন সিনেমা ব্যবসাসফল হয়নি।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563946991614.jpgএদিকে গত ৫ জুলাই মুক্তি পায় নিরব অভিনীত সিনেমা ‘আব্বাস’। এরপর থেকে সিনেমা হলে নেই দেশী কোনো সিনেমা। তাই পরের সপ্তাহে সাফটা চুক্তির মাধ্যমে কলকাতার দেবের ‘কিডন্যাপ’ সিনেমা মুক্তি দেয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া। এক সপ্তাহ না ঘুরতেই একই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান শুক্রবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশের ৫২ সিনেমা হলে মুক্তি দেয় জিৎ-কোয়েল অভিনীত ‘শুরু থেকে শেষ’। আসছে ২৬ জুলাই কলকাতার ‘বিবাহ অভিযান’ মুক্তি পাচ্ছে বাংলাদেশে। নুসরাত ফারিয়া ও অঙ্কুশ অভিনীত সিনেমাটি আমদানি করেছে তিতাস কথাচিত্র।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563947358732.JPGদেশের এই চলচ্চিত্র সংকটের মাঝে নির্বাচন উপলক্ষে সরব হয়ে উঠেছেন প্রযোজকরা। এফডিসির বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি অফিসে আগে তেমন কাউকে দেখা না গেলেও সরজমিনে গিয়ে দেখা গেল কয়েকদিনে প্রযোজক পরিবেশক সমিতির অফিসে ভিড় লক্ষ্য করার মত। এছাড়া ১৯ পদের জন্য লড়া ৪১ জন প্রযোজকরা ভোটারদের মোবাইল ফোনে ও দেখা করে ভোট ও দোয়া চাইছেন বলে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রযোজক।

অভিযোগ আছে, প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নির্বাচনে লড়া ৪১ জনের মধ্যে অনেকেই সিনেমা প্রযোজনা করেছেন ৫ থেকে ৭ বছর আগে। অথচ নির্বাচন উপলক্ষে তাদেরই সরব প্রচারণা চোখে মিলছে। গত কয়েক বছরে দেশে সিনেমা প্রযোজনা বলতে যা হয়েছে তা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া ও শাপলা মিডিয়া। এর বাইরে সম্প্রতি শাকিব খানের এসকে ফিল্মস চলচ্চিত্র পড়াকে চাঙ্গা রেখেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেছেন, ‘এই নির্বাচনে লড়া ৪১ জন যদি বছরে একটি করে মানসম্মত সিনেমা তৈরি করে তাহলে আমাদের দেশের সিনেমার অবস্থা এক বছরেই পরিবর্তন হয়ে যাবে। কিন্তু এই ভোটের সময় এসব প্রযোজকদের দেখা মেলে কিন্তু ভোট শেষ হলেই হাতে গোনা কয়েকজন প্রযোজকই টানছেন বাংলা সিনেমাকে।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563947630754.jpgএদিকে ২২ জুলাই সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত প্রযোজক সমিতি নির্বাচন পূর্ব প্রার্থী পরিচিতি সভায় চিত্রনায়ক আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা নিজেরা নিজেদের টেনে নিচে নামিয়েছি। গত সাত বছর আমাদের প্রযোজক সমিতি নেই। মানুষের সঙ্গে কাজ করতে গেলে মনোমালিন্য হতেই পারে, তবে তাকে স্থায়ী রূপ দেওয়া যাবে না। নিজেদের মধ্যে বিভাজন শুধু ক্ষতিই করতে পারে, সফলতা দেবে না। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে আবারও চলচ্চিত্রের সুদিন ফেরাই। সবাই একসঙ্গে কাজ করি। আসন্ন নির্বাচনে ১৯টি পদের জন্য ৪১ জন নির্বাচন করছেন। আমি ৪১ জন প্রযোজকের কাছে ৪১টি চলচ্চিত্র চাই। এতে করে আমাদের ছবির সংখ্যা বাড়বে।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/24/1563946969275.jpgএই অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে এসময় দেখা গেছে ঢাকাই ছবির শীর্ষ নায়ক শাকিব খান, রুবেল, শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, পরিচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান গুলজার, মধুমিতা হলের মালিক ইফতেখার নওশাদসহ আরও অনেককে।

২৭ জুলাইয়ের নির্বাচনকে ঘিরে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকলে স্বপ্ন দেখছেন যোগ্য ব্যক্তিরা নির্বাচিত হলে বাংলা চলচ্চিত্রের চলমান সংকট অনেক কমে আসবে। এখন দেখার বিষয় ভোটের পরে কতটা সরব থাকেন ভোটের আগে সরব প্রযোজকরা।

যারা থাকছেন নির্বাচন কমিশনে
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনকৃত এফবিসিসিআইর অঙ্গসংগঠন। এবারের নির্বাচনে কোনো প্যানেল থাকছে না। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, অর্থাৎ নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিরাজুল ইসলাম উকিল। সদস্য হিসেবে থাকবেন মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন (উপসচিব), মো. খাদেমুল ইসলাম (সহকারী প্রোগ্রামার)। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন আবদুর রহিম খান (যুগ্ম সচিব), সদস্য আব্দুছ সামাদ আল আজাদ (যুগ্ম সচিব), সৈয়দা নাহিদা হাবিবা (উপসচিব)।

যে কারণে ৭ বছর পর নির্বাচন
মামলা ও নানা জটিলতার কারণে ৭ বছর ধরে বন্ধ ছিল এই সমিতির নির্বাচন। এর আগে নির্বাচন হয় ২০১১ সালের ১৮ আগস্ট। ২০১৬ সালে প্রযোজক নাসির হোসেনের করা রিটের কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। পরপর তিনবার কেউ নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না এফবিসিসিআইর অধীন সংগঠনের এমন নির্বাচনী রীতির খেলাপ করা হয়েছে মর্মে নাসির হোসেন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছিলেন। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নির্বাচন স্থগিত করেন। যদিও এর আগে ২০১৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মামলার কারণে নির্বাচন সাময়িক বন্ধ করা হয়েছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র