Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইছে এটিএম শামসুজ্জামানের পরিবার

প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইছে এটিএম শামসুজ্জামানের পরিবার
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়।

বুধবার (১ মে) সকালে হাসপাতালে এটিএম শামসুজ্জামানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মেয়ে কোয়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বাবার শারীরিক অবস্থা এখন ভালো নয়। তিনি লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। কতক্ষণ তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হবে সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। অনেক গণমাধ্যমে ৭২ ঘণ্টার খবর বলা হচ্ছে। তবে এমন কোনো তথ্য আমাদের বা ডাক্তারের পক্ষ থেকে বলা হয়নি। তাই আমার অনুরোধ কেউ কোনো ভুল তথ্য প্রকাশ করবেন না।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/01/1556693977706.jpg
ছবি: সৈয়দ মেহেদী হাসান/ বার্তা২৪.কম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সহযোগিতাও চেয়েছেন কোয়েল আহমেদ। তিনি বলেন, 'বাবা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ওপর শতভাগ ভরসা রাখেন। প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন। তবে তার কাছে এখন আমাদের একটি চাওয়া, বাবার উন্নত চিকিৎসা।'

লাইফ সাপোর্টে থাকলেও এটিএম শামসুজ্জামানকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের এসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডাক্তার তরিকুল হামিদ। তিনি বলেন, 'এটিএম শামসুজ্জামান লাইফ সাপোর্টে থাকলেও সেটি বড় কোনো পর্যায়ে এখনও যায়নি। তবে তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন।’

গত ২৬ এপ্রিল পেটে সমস্যা নিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি হন এটিএম শামসুজ্জামান। পরে পরীক্ষা করে জানা যায় বর্ষীয়ান এই অভিনেতা ইন্টেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশন রোগে ভুগছেন। এরপর ২৭ এপ্রিল তার অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে আইসিইউতে (নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) রাখা হয়ে। পরে ২৮ এপ্রিল তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/01/1556694037413.jpg
ছবি: সৈয়দ মেহেদী হাসান/ বার্তা২৪.কম

কিন্তু ২৯ এপ্রিল তার শ্বাসকষ্ট হওয়ায় এবং নিউমোনিয়া ধরা পড়ায় তাকে আবার আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে তার শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যাওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে দেওয়া হয়।

শুধু পেটের সমস্যা নয়, ৭৭ বছর বয়সী এই অভিনেতা দীর্ঘদিন ধরেই সিওপিডি (ফুসফুসের সমস্যা) ও উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায়ও ভুগছেন।

এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে। প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন ‘জলছবি’ ছবিতে। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/01/1556694120834.jpg
ছবি: সৈয়দ মেহেদী হাসান/ বার্তা২৪.কম

অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। আজও তিনি দর্শকের কাছে নন্দিত।

আপনার মতামত লিখুন :

বাহুবলীর নামে ‘চন্দ্রযান-২’র নামকরণ

বাহুবলীর নামে ‘চন্দ্রযান-২’র নামকরণ
‘চন্দ্রযান-২’ ও প্রভাস

প্রাযুক্তিক ত্রুটি কাটিয়ে অবশেষে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিল ভারতের দ্বিতীয় উচ্চশক্তি সম্পন্ন কৃত্রিম উপগ্রহ চন্দ্রযান-২।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুর ২টা ৪৩ মিনিটে চেন্নাই থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সতীশ ধাওয়ান অন্তরীক্ষ কেন্দ্রের দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাড শ্রীহরিকোটা থেকে চন্দ্রযান-২ চাঁদের পথে উড়াল দেয়।

চমকপ্রদ তথ্য হলো- ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশনের (ইসরো) বিশেষ এই রকেটটির নামকরণ করা হয়েছে ভারতের জনপ্রিয় ছবি ‘বাহুবলী’র নামে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563802876786.jpgবিরল এই সম্মননা পাওয়ায় ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশনের (ইসরো) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ‘বাহুবলী’ ছবি দুটির প্রধান অভিনেতা প্রভাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, “আজ ইসরোর চন্দ্রযান-২ এর সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে। ভারতীয় হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের কাছেই এটি গর্বের। সেই সঙ্গে ‘বাহুবলী’র সম্পূর্ণ টিমের জন্যও এটি গর্বের। এই রকেট কয়েশ টন ওজন বহন করতে পারবে, আর এমন শক্তিশালী চন্দ্রযানের নাম দেওয়া হল ‘বাহুবলী।”

১০০ কোটির ঘরে হৃতিকের ‘সুপার থার্টি’

১০০ কোটির ঘরে হৃতিকের ‘সুপার থার্টি’
‘সুপার থার্টি’ ছবির দৃশ্য

১৯৯৪ সালে আনন্দ কুমার কেমব্রিজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। শুধু প্লেনের টিকিটের টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই কেমব্রিজে পড়ার স্বপ্ন সেখানেই ভেঙে যায় তার।

নিজের স্বপ্ন সত্যি হয়নি, তাই অন্যের স্বপ্ন পূরণে নেমে যান আনন্দ কুমার। ২০০২ সাল থেকে আনন্দ নিজের কোচিং সেন্টার চালু করেন। সেখানে প্রতি বছর বিহারের সেরা ৩০ জন গরিব মেধাবী ছাত্র একেবারে বিনা পয়সায় ‘সুপার থার্টি’ প্রজেক্টের অধীনে আইআইটিতে (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং করার সুযোগ পায়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563799936950.jpg

আনন্দ কুমারের জীবনের এই গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘সুপার থার্টি’। গত ১১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হৃতিক রোশন অভিনীত ছবিটি। বক্স অফিসে বাজিমাত করে ছবিটি আয় করে নিয়েছে ১০০ কোটি রুপি। এজন্য ছবিটি সময় নিয়েছে মাত্র ১১ দিন।

বিকাশ বহেল পরিচালিত ছবিটিতে হৃতিকের বিপরীতে অভিনয় করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র