Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

ফুলে ফুলে সুবীর নন্দীকে শেষ শ্রদ্ধা

ফুলে ফুলে সুবীর নন্দীকে শেষ শ্রদ্ধা
ছবি: সুমন শেখ/ বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রতি শেষ বারের মতো শ্রদ্ধা জানিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করলেন তার সংগীত জগতের সহকর্মী ও ভক্তরা।

বুধবার (৮ মে) সকাল ১১টায় একুশে পদকপ্রাপ্ত এই সংগীতশিল্পীর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়। এখানে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে দেশের সর্বস্তরের মানুষসহ সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক দল।

প্রিয় শিল্পীকে শেষ বারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন তার ভক্তরা। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সুবীর নন্দীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার ও নাসির উদ্দীন ইউসুফ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য কবি মুহাম্মদ সামাদ, ডা. অরূপ রতন চৌধুরী, চিত্রনায়ক উজ্জ্বল ও চিত্রনায়িকা নূতন, গীতিকার রফিকুজ্জামান, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, শহীদুল্লাহ ফরায়েজী, কবির বকুল; সংগীতশিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায়, খুরশীদ আলম, তিমির নন্দী, ফকির আলমগীর, কুমার বিশ্বজিৎ, এন্ড্রু কিশোর, রবি চৌধুরী, শুভ্র দেব, নকিব খান, ফোয়াদ নাসের বাবু, দশা বুলবুল, এস ডি রুবেল, ক্লোজআপ ওয়ান তারকা নিশিতা বড়ুয়া, কিশোর, মুহিন, সাব্বির, কিশোর, রাশেদ প্রমুখ।

শ্রদ্ধা জানাতে এসে নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার বলেন, “তিনি হৃদয় দিয়ে গান গাইতেন। তার গান হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। তিনি যত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন, তেমনি ছিলেন বিনয়ী। তিনি শিখিয়ে গেলেন, কেউ যত বড় শিল্পী হোক না কেন তাকে বিনয়ী হতে হবে।”

তার চলে যায় আধুনিকতার বাংলা গানে একটা শূন্যতার সৃষ্টি হলো বলেও জানান তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557297858860.jpg
ছবি: সুমন শেখ/ বার্তা২৪.কম

সংগীতশিল্পী খুরশিদ আলম বলেন, ‘দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে তার সঙ্গে পরিচয়। তার গান আধুনিক বাংলার প্রকৃত সংগীত। শুদ্ধ গানের চর্চা করতেন তিনি।’

নাট্যকার মামুনুর রশিদ বলেন, “তিনি সুকণ্ঠ সুরের অধিকারী, ছিলেন ভালো মানুষ। তার মতো বিনয়ী শিল্পী তার গানের মধ্যে দিয়ে বেঁচে থাকবেন।”

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ বলেন, “কিছুদিন আগে হবিগঞ্জে তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল। হঠাৎ করে তিনি চলে গেলেন। তার আত্নার মাগফিরাত কামনা করছি।”

আপনার মতামত লিখুন :

এফডিসিতে ১৫ শিল্পী স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

এফডিসিতে ১৫ শিল্পী স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জুলাই মাস যেন শিল্পী হারানোর মাস। এই মাসে বাংলা সিনেমার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৫ জন শিল্পী পাড়ি জমিয়েছেন ওপারে।

বুলবুল আহমেদ, দিলদারসহ প্রয়াত এই ১৫ জন শিল্পীর স্মরণে সোমবার (১৫ জুলাই) এফডিসিতে বাদ আসর মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি।

বাদ আসর সমিতির স্টাডি রুমে এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে চিত্রনায়ক ফারুক, আলমগীরসহ শিল্পী ও কলাকুশলীরা অংশগ্রহণ করেন। এর আগে ১৫ জন শিল্পীর স্মরণে সকাল থেকে কোরআন খতম দেয়া হয়।

এই আয়োজনের ব্যাপারে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষে অভিনেতা জায়েদ খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'এই মাসে আমরা এতো শিল্পী হারিয়েছি যে সবার আলাদা করে দোয়ার অনুষ্ঠান করাটা কঠিন হয়ে যাবে। সে কারণে একদিনেই করলাম। এর বাইরে আমরা প্রতি মাসে একবার করে প্রয়াত শিল্পীদের স্মরণে এই আয়োজন করে থাকি। যাদের কাজ দেখে বড় হয়েছি, তাদের জন্য কিছু করতে পারলে ভালো লাগে। নতুনরাও অনুপ্রাণিত হয়। আর তাদের ব্যাপারে জানতে পারে।'

হাসপাতালে বসে সম্মাননা পদক পেলেন এটিএম শামসুজ্জামান

হাসপাতালে বসে সম্মাননা পদক পেলেন এটিএম শামসুজ্জামান
এটিএম শামসুজ্জামান

গত দুই মাস ধরে হাসপাতালে আছেন এটিএম শামসুজ্জামান। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি রয়েছেন। আর সেখানে বসেই সম্মাননা পদক পেলেন বাংলা সিনেমার এই গুণী অভিনেতা।

রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে হাসপাতালে গিয়ে বুলবুল আহমেদ স্মৃতি সম্মাননা পদক প্রদান করা হয় ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে। ফাউন্ডেশনের পক্ষে বুলবুল আহমেদের সহধর্মিণী ডেইজি আহমেদ ও কন্যা তাহসিন ফারজানা তিলোত্তমা পদক তুলে দেন এটিএম শামসুজ্জামানের হাতে।

সম্মাননা পদক পেয়ে এটিএম শামসুজ্জামান বলেন, ‘এখন যারা বুলবুল আহমেদকে সরাসরি পাবে না, তারা তার সিনেমা দেখো। তিনি ভালো মানুষ ছিলেন।’

আজ বুলবুল আহমেদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১০ সালের এই দিনে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। সেই থেকে তার স্মৃতিকে ধরে রাখতে এবং প্রবীণ বরণীয় শিল্পীদের স্মরণীয় করে রাখতে বুলবুল আহমেদের পরিবার ও বুলবুল আহমেদ ফাউন্ডেশনের পক্ষে প্রতি বছর সম্মাননা দেওয়ার আয়োজন করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র