Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এটিএম শামসুজ্জামানের অবস্থার উন্নতি, ১০ লাখ টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

এটিএম শামসুজ্জামানের অবস্থার উন্নতি, ১০ লাখ টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
আজগর আলী হাসপাতালে অভিনেতা শামসুজ্জামানের পরিবারের হাতে চেক তুলেন দেন ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ছবি: বার্তা ২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

লাইফ সাপোর্টে থাকা বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। তার চিকিৎসার জন্য দশ লাখ টাকা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (১৩ মে) সকালে হাসপাতালে গিয়ে  অভিনেতা শামসুজ্জামানের পরিবারের হাতে এই চেক তুলেন দেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। এ সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন ও সংগীত শিল্পী রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৬ এপ্রিল পেটে সমস্যা নিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি হন এটিএম শামসুজ্জামান। পরে পরীক্ষা করে জানা যায় বর্ষীয়ান এই অভিনেতা ইন্টেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশন রোগে ভুগছেন। এরপর ২৭ এপ্রিল তার অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে আইসিইউতে (নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) রাখা হয়ে। পরে ২৮ এপ্রিল তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।

কিন্তু ২৯ এপ্রিল তার শ্বাসকষ্ট হওয়ায় এবং নিউমোনিয়া ধরা পড়ায় তাকে আবার আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে তার শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যাওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে দেওয়া হয়।

শুধু পেটের সমস্যা নয়, ৭৭ বছর বয়সী এই অভিনেতা দীর্ঘদিন ধরেই সিওপিডি (ফুসফুসের সমস্যা) ও উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায়ও ভুগছেন।

এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে। প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন ‘জলছবি’ ছবিতে। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন তিনি।

অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। আজও তিনি দর্শকের কাছে নন্দিত।

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাকার ফুটপাত ও ওভারব্রিজ চেনাচ্ছেন ডিপজল

ঢাকার ফুটপাত ও ওভারব্রিজ চেনাচ্ছেন ডিপজল
ফুটপাত ও ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করতে সচতেনতামুলক প্রচারে ডিপজল/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

এক সময়ের বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় খলনায়ক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। তাকে এখন দেখা যাচ্ছে ঢাকার রাস্তার ফুটপাত ও ফুট ওভারব্রিজের সামনে। ফুটপাত ব্যবহারকারীদের বলছেন, 'খারাও ভাতিজা! এইডা ফুটপাত মোটরসাইকেল চালানোর জায়গা না।'

আবার ফুট ওভারব্রিজের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন, 'ভাতিজা ওই যে ফুট ওভারব্রিজ। একটু কষ্ট কইয়া দু কদম হাঁটো।'

তবে সিনেমার সত্যিকারের ডিপজল এসব কথা বলছেন না। ডিপজলের ছবি দিয়ে প্ল্যাকার্ডে এসব লিখে সচেতন করা হচ্ছে ঢাকাবাসীদের। সম্প্রতি ঢাকার বাড্ডা লিংক রোডসহ বিভিন্ন সড়কে দেখা মিলছে ডিপজলের এসব প্ল্যাকার্ডের। জানা গেছে, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের 'দেশ আমার দোষ আমার' শিরোনামে সামাজিক সচেতনতার ক্যাম্পেইনের জন্য এসব প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563634109539.jpg

এর আগে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সামাজিক সচেতনতার ক্যাম্পেইনে সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে বার্তা প্রচারের বিজ্ঞাপনেও দেখা গিয়েছিল ডিপজলকে। বিজ্ঞাপনটিতে দেখানো হয়েছিল, রং সাইডে গাড়ি চালানো চালককে ‘ভাতিজা’ সম্বোধন করে ডিপজল বলছেন, 'কী ভাতিজা, নবাব হইছো, রং সাইডে গাড়ি চালাও, রাস্তা চেনো না। ফিডার খাও?' যা ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

১৯৫৮ সালে মিরপুরের বাগবারিতে জন্মগ্রহণ করেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। চলচ্চিত্র পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে তার। খলনায়ক চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছিলেন এই অভিনেতা। তবে ২০০৮ সালে নায়ক মান্নার মৃত্যুর পর তার ক্যারিয়ারের সফলতা কমতে থাকে। এর বাইরে 'দাদীমা', 'চাচ্চু'সহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রে ডিপজলকে ইতিবাচক চরিত্রে দেখা গেছে।

বরগুনার ঘটনা নিয়ে সজল-শখের ‘দোটানায়’

বরগুনার ঘটনা নিয়ে সজল-শখের ‘দোটানায়’
সজল ও শখ

সজল-শখ জুটির ভক্তদের জন্য সুখবর। আসন্ন ঈদুল আজহার জন্য একটি নতুন নাটকে জুটিবদ্ধ হয়েছেন তারা।

মাহতাব হোসেনের গল্পে ‘দোটানায়’ শিরোনামের নাটকটির চিত্রনাট্য লিখেছেন শামীমুল ইসলাম শামীম। এটি পরিচালনা করেছেন আকাশ নিবির। প্রযোজনায় রয়েছে চৌধুরী এন্টারটেইনমেন্ট।

বর্তমান সময়ের আলোচিত বরগুনার সেই ঘটনার আদলেই নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘দোটনায়’। বাস্তবে যা কিছু ঘটে যায় তা আসলে পুরোটা নাটকে দেখানো সম্ভব না হলেও দর্শকরা এই নাটকের মাধ্যমে কিছু সত্য কাহিনী দেখতে পারবেন। আগামী ২৭ তারিখ থেকে নাটকটির শুটিং শুরু হবে।

‘দোটানায়’ নাটকটি সম্পর্কে সজল বলেন, ‘অসাধারণ একটি গল্পে নাটকটি নির্মিত হচ্ছে। তবে এতে যোগ করা হয়েছে ফেসবুকেরও কিছু বাস্তবচিত্র। আশা করি দর্শকের মনে দাগ কাটবে। শখের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। আশা করছি, এই নাটকটিও দর্শকের ভালো লাগার মতো একটি কাজ হবে।’

এ প্রসঙ্গে আনিকা কবির শখ জানান, ‘পরিচালকের সাথে আমার এসএমএস এ নাটকটি নিয়ে কথা হয়েছে। এতে আমার সহকর্মী হিসেবে থাকবেন সজল ভাই। আশাকরি নাটকটি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করবে।’

নাটকের নির্মাতা আকাশ নিবির বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমাদের দেশে টিভি নাটক বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। ঘটনার আড়ালে অনেক সত্যই ধামাচাপা পরে যায়। তখন দর্শকরা আমাদের মতো অনেক পরিচালকদের দিকে তাকিয়ে থাকে কিছু সত্য ঘটনা অবলম্বনে নাটক দেখার জন্য। দর্শকের এই ধরনের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ‘দোটানায়’ নাটকটি র্নিমাণে আগ্রহী হয়েছি।”

সজল-শখের পাশাপাশি নাটকে একটি বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা ডিএ তায়েবকে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ‘দোটানায়’ নাটকটি প্রচারিত হবে একুশে টিভিতে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র