Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

দাদা সাহেব ফালকে অ্যাওয়ার্ড পেলেন জাগরণী চক্রের আরজু

দাদা সাহেব ফালকে অ্যাওয়ার্ড পেলেন জাগরণী চক্রের আরজু
ছবি: সংগৃহীত
বিনোদন ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ভারতের সম্মানজনক সম্মাননা ‘দাদা সাহেব ফালকে ফিল্ম ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড-২০১৯’ পেয়েছেন জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. আজাদুল কবির আরজু।

দাদা সাহেব ফালকের ১৫০তম জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ১১ মে সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের স্বামী সমরথ নগরের নিঊ মাহাদা গ্রাউন্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরজুর হাতে পুরস্কার তুলে দেন খ্যাতিমান অভিনেতা গজেন্দ্র চৌহান।

সম্মানজনক এই পুরস্কার পেয়ে আরজু বলেন, “আমি ৪৩ বছর ধরে খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। এই প্রাপ্তি সেইসব প্রান্তিক মানুষদের, যাদের জন্য আমি কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।”

সমাজটাকে একটু বদলে দেওয়ার ইচ্ছে নিয়ে আরজু ১৯৭৫ সালে যশোর শহরের কয়েকজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন ‘জাগরণী চক্র’ নামে একটি সংগঠন। তার প্রজ্ঞা ও পরিশ্রমে গড়ে ওঠা এই সংস্থাটি সমাজ উন্নয়নে ব্যতিক্রমী ও উদ্ভাবনী কাজের জন্য আজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সুপরিচিত। গতানুগতিক উন্নয়ন কার্যক্রমের বাইরে গিয়ে সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত জনগোষ্ঠী হরিজনদের নিয়ে কাজ করেছেন। যৌনকর্মীর সন্তানদের জন্য গড়ে তুলেছেন সেল্টার হোম। শহরের বস্তি ও গ্রামের দরিদ্র নারীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করেছেন তিনি। যার মাধ্যমে এখনও পর্যন্ত ৫০০২ জন নারী সুস্থ হয়ে ফিরেছেন স্বাভাবিক জীবনে।

প্রতিদিনের আয় ১ ডলারের নিচে এ রকম হতদরিদ্র পরিবারকে সাবলম্বী করতে রংপুর, নাটোর, চুয়াডাঙ্গা ও সাতক্ষীরা জেলার ৪৩ হাজার ৬৩০ জন নারীকে আয়বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি ও উৎপাদনমুখী সম্পদ হস্তান্তরের মাধ্যমে আত্মনির্ভর করেছেন। দরিদ্র পরিবারের মেধাবী সন্তানদের জন্য উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে গড়ে তুলেছেন ‘অধ্যাপক শরীফ হোসেন শিক্ষাবৃত্তি তহবিল’।

এর আওতায় ২০০৮ থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে অধ্যয়নরত ৭৯ জন দরিদ্র-মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনের দায়িত্ব নিয়েছে সংস্থা। ‘ত্রিশ লক্ষ শহিদের স্মরণে সারা দেশে ৩০ লক্ষ বৃক্ষরোপণ’ মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের স্মরণে প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণায় অনুপ্রাণিত হয়ে ২০১৮ সালে দেশের ৩৪টি জেলায় ২১ লাখ ৩ হাজার ৩৮২টি গাছের চারা রোপণ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাকার ফুটপাত ও ওভারব্রিজ চেনাচ্ছেন ডিপজল

ঢাকার ফুটপাত ও ওভারব্রিজ চেনাচ্ছেন ডিপজল
ফুটপাত ও ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করতে সচতেনতামুলক প্রচারে ডিপজল/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

এক সময়ের বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় খলনায়ক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। তাকে এখন দেখা যাচ্ছে ঢাকার রাস্তার ফুটপাত ও ফুট ওভারব্রিজের সামনে। ফুটপাত ব্যবহারকারীদের বলছেন, 'খারাও ভাতিজা! এইডা ফুটপাত মোটরসাইকেল চালানোর জায়গা না।'

আবার ফুট ওভারব্রিজের সামনে দাঁড়িয়ে বলছেন, 'ভাতিজা ওই যে ফুট ওভারব্রিজ। একটু কষ্ট কইয়া দু কদম হাঁটো।'

তবে সিনেমার সত্যিকারের ডিপজল এসব কথা বলছেন না। ডিপজলের ছবি দিয়ে প্ল্যাকার্ডে এসব লিখে সচেতন করা হচ্ছে ঢাকাবাসীদের। সম্প্রতি ঢাকার বাড্ডা লিংক রোডসহ বিভিন্ন সড়কে দেখা মিলছে ডিপজলের এসব প্ল্যাকার্ডের। জানা গেছে, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের 'দেশ আমার দোষ আমার' শিরোনামে সামাজিক সচেতনতার ক্যাম্পেইনের জন্য এসব প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করা হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563634109539.jpg

এর আগে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সামাজিক সচেতনতার ক্যাম্পেইনে সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে বার্তা প্রচারের বিজ্ঞাপনেও দেখা গিয়েছিল ডিপজলকে। বিজ্ঞাপনটিতে দেখানো হয়েছিল, রং সাইডে গাড়ি চালানো চালককে ‘ভাতিজা’ সম্বোধন করে ডিপজল বলছেন, 'কী ভাতিজা, নবাব হইছো, রং সাইডে গাড়ি চালাও, রাস্তা চেনো না। ফিডার খাও?' যা ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

১৯৫৮ সালে মিরপুরের বাগবারিতে জন্মগ্রহণ করেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। চলচ্চিত্র পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবরের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে তার। খলনায়ক চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছিলেন এই অভিনেতা। তবে ২০০৮ সালে নায়ক মান্নার মৃত্যুর পর তার ক্যারিয়ারের সফলতা কমতে থাকে। এর বাইরে 'দাদীমা', 'চাচ্চু'সহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রে ডিপজলকে ইতিবাচক চরিত্রে দেখা গেছে।

বরগুনার ঘটনা নিয়ে সজল-শখের ‘দোটানায়’

বরগুনার ঘটনা নিয়ে সজল-শখের ‘দোটানায়’
সজল ও শখ

সজল-শখ জুটির ভক্তদের জন্য সুখবর। আসন্ন ঈদুল আজহার জন্য একটি নতুন নাটকে জুটিবদ্ধ হয়েছেন তারা।

মাহতাব হোসেনের গল্পে ‘দোটানায়’ শিরোনামের নাটকটির চিত্রনাট্য লিখেছেন শামীমুল ইসলাম শামীম। এটি পরিচালনা করেছেন আকাশ নিবির। প্রযোজনায় রয়েছে চৌধুরী এন্টারটেইনমেন্ট।

বর্তমান সময়ের আলোচিত বরগুনার সেই ঘটনার আদলেই নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘দোটনায়’। বাস্তবে যা কিছু ঘটে যায় তা আসলে পুরোটা নাটকে দেখানো সম্ভব না হলেও দর্শকরা এই নাটকের মাধ্যমে কিছু সত্য কাহিনী দেখতে পারবেন। আগামী ২৭ তারিখ থেকে নাটকটির শুটিং শুরু হবে।

‘দোটানায়’ নাটকটি সম্পর্কে সজল বলেন, ‘অসাধারণ একটি গল্পে নাটকটি নির্মিত হচ্ছে। তবে এতে যোগ করা হয়েছে ফেসবুকেরও কিছু বাস্তবচিত্র। আশা করি দর্শকের মনে দাগ কাটবে। শখের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। আশা করছি, এই নাটকটিও দর্শকের ভালো লাগার মতো একটি কাজ হবে।’

এ প্রসঙ্গে আনিকা কবির শখ জানান, ‘পরিচালকের সাথে আমার এসএমএস এ নাটকটি নিয়ে কথা হয়েছে। এতে আমার সহকর্মী হিসেবে থাকবেন সজল ভাই। আশাকরি নাটকটি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করবে।’

নাটকের নির্মাতা আকাশ নিবির বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমাদের দেশে টিভি নাটক বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। ঘটনার আড়ালে অনেক সত্যই ধামাচাপা পরে যায়। তখন দর্শকরা আমাদের মতো অনেক পরিচালকদের দিকে তাকিয়ে থাকে কিছু সত্য ঘটনা অবলম্বনে নাটক দেখার জন্য। দর্শকের এই ধরনের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ‘দোটানায়’ নাটকটি র্নিমাণে আগ্রহী হয়েছি।”

সজল-শখের পাশাপাশি নাটকে একটি বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা ডিএ তায়েবকে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ‘দোটানায়’ নাটকটি প্রচারিত হবে একুশে টিভিতে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র