Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঈদ ইত্যাদিতে তারার মেলা

ঈদ ইত্যাদিতে তারার মেলা
ছচঞ্চল চৌধুরী, শহীদুজ্জামান সেলিম ও ঈশিতা
বিনোদন ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতি ঈদেই ঐতিহ্যবাহী ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র বর্ণাঢ্য আয়োজন থাকে। এ বছরও তার ব্যাতিক্রম হচ্ছে না।

তবে এবারের ইত্যাদিতে অন্যতম চমক হিসেবে থাকছে ছন্দে-সুরে অভিনয়শিল্পীদের ব্যতিক্রমী আড্ডা। এই আড্ডায় দর্শকরা দেখবেন তারকাদের মুখে মুখে ছড়া আর ছন্দের দ্বন্ধ। এতে অংশ নিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী শহীদুজ্জামান সেলিম, চঞ্চল চৌধুরী, মম ও ঈশিতা।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558603029046.jpgশুধু তাই নয়, প্রথমবারের মতো এই তারকারাদের বাদ্যের তালে তালে কথা বলতে দেখবেন দর্শকরা। সংগীতশিল্পী না হয়েও এই তারকারা প্রত্যেকেই উৎসাহের সঙ্গে নিজেরাই এই পর্বটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন।

এবারের ঈদ ইত্যাদির আর একটি চমক হচ্ছে অভিনয় তারকা অপূর্ব ও মিথিলার দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি অভিনয়।

ইত্যাদির নিয়মিত পর্বে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে দর্শক নির্বাচন করা হলেও ঈদের ইত্যাদিতে দর্শক নির্বাচন করা হয় বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে। অনুষ্ঠানের প্রয়োজনে মাত্র ১৫ সেকেন্ডের জন্য লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে এই উপকরণগুলো তৈরী করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558603003763.jpgনির্মাণ প্রতিষ্ঠান ফাগুন অডিও ভিশন জানায়, এই ব্যতিক্রমী পর্বে শিল্পীরা যেমন আনন্দ পেয়েছেন, তেমনি শিল্পীদের অভিনয়, বিষয় ও পরিবেশনায় দর্শকরাও ভিন্ন স্বাদ পাবেন।

‘ইত্যাদি’ রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের বিশেষ ‘ইত্যাদি’ প্রচার হবে বিটিভির ঈদ অনুষ্ঠানমালায়।

আপনার মতামত লিখুন :

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা
'গাল্লিবয়' রানা

কামরাঙ্গীরচরের ৮ নম্বর গলিতে বেড়ে ওঠা রানাকে নিয়ে প্রথম 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ হাসান তবীব। তারপর 'গাল্লিবয়' রানা ইন্টারনেট জুড়ে ভাইরাল।

'গাল্লিবয়' রানা এতটাই ভাইরাল যে ১৭ জুলাই ইউটিউবে 'গাল্লিবয় পার্ট-২' শিরোনামের গান প্রকাশের একদিনেই ১ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করেছে । গানটিতে রান প্রশ্ন রেখেছেন, আমি রানা, আমার সবটাই জানা। আমার মত আছে হাজার রানা। এক গান গেয়ে আমি আজ ভাইরাল, বাকী রানাদের বলো কি হবে কাল?

বরাবরের মতোই গানটির কথা, সুর ও ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব। গানটি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব।

এই বছরের মে-জুন মাসের রানার সঙ্গে পরিচয় হয় তবীবের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘুরে র‌্যাপ গান শোনাতো রানা। তবীবের সঙ্গে রানার পরিচয়ের পর বলিউডের 'গাল্লিবয়' নাম জুড়ে দেন রানার নামের সঙ্গে। তারপর রানার গাওয়া 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি।

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান
আনন্দ কুমারকে পা ছুঁয়ে সম্মান জানাচ্ছেন হৃতিক রোশন

গত ১১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হৃতিক রোশন অভিনীত ‘সুপার থার্টি’। ভারতের পাটনার গণিত শিক্ষক আনন্দ কুমারের জীবনী নিয়ে নির্মিত ছবিটি এরইমধ্যে আয় করে নিয়েছে ৭০ কোটি রুপি।

ছবিটির প্রচারণার জন্য পাটনা শহরে গিয়েছিলেন হৃতিক রোশন। এ কারণে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) হোটেল মৌরিয়াতে আয়োজন করা হয় এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে ছবির অন্যান্য কলাকুশলীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আনন্দ কুমারও।

চমকপ্রদ তথ্য হলো, সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সামনে আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে তাকে সম্মান জানান হৃতিক।

এমন সম্মানে আবেগ আপ্লুত আনন্দ কুমার বলেন, ‘হৃতিক যখন এসেছিলেন সেসময় গুরু পূর্নিমা ছিল। এই দিনটিতে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে। আর এটি জানার পর হৃতিকও আমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই বলিউডের এই অভিনেতাকে। বিশেষ করে আমার গল্পটি বিশ্বের প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে কৃতজ্ঞ।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563459345069.jpg১৯৯৪ সালে আনন্দ কুমার কেমব্রিজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। শুধু প্লেনের টিকিটের টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই কেমব্রিজে পড়ার স্বপ্ন সেখানেই ভেঙে যায় তার।

নিজের স্বপ্ন সত্যি হয়নি, তাই অন্যের স্বপ্ন পূরণে নেমে যান আনন্দ কুমার। যেসব গরিব ছাত্র স্বপ্ন দেখত আইআইটিতে (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) পড়ার, নিজের স্বল্প আয়ের পুরোটাই তিনি খরচ করতেন ওই ছাত্রদের খাওয়া, পড়া, থাকা আর লেখাপড়ার খাতে।

২০০২ সাল থেকে আনন্দ কুমার নিজের কোচিং সেন্টার চালু করেন। সেখানে প্রতি বছর বিহারের সেরা ৩০ জন গরিব মেধাবী ছাত্র একেবারে বিনা পয়সায় ‘সুপার থার্টি’ প্রজেক্টের অধীনে আইআইটির ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং করার সুযোগ পায়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আনন্দ কুমারের কোচিং থেকে ৪৮০ জনের ভেতরে ৪২২ জন চান্স পায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র