Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঈদে বিটিভিতে হাসির বিতর্ক ‘তৃণমূল পেশাজীবী সংবর্ধনা’

ঈদে বিটিভিতে হাসির বিতর্ক ‘তৃণমূল পেশাজীবী সংবর্ধনা’
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ টেলিভিশনে আসছে ঈদ-উল-ফিতরে প্রচারিত হবে দম ফাটানো হাসি ও তথ্যমূলক বিতর্ক অনুষ্ঠান ‘তৃণমূল পেশাজীবী সংবর্ধনা’। ঈদের  দিন তৃতীয় বিকেল ৫ টায় বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে আঞ্চলিক বিতর্কমূলক এ অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানটির গ্রন্থনা, পরিকল্পনা ও উপস্থাপনায় আছেন সৈয়দ আশিক।

আঞ্চলিক ভাষায় এবং বিশেষ ধারায় নির্মিত এই মজার বিতর্ক সৈয়দ আশিক প্রথম টেলিভিশনের পর্দায় প্রথম নিয়ে আসেন বছর দুই এক আগে ‘বাংলায় আমরাই সেরা’ নামে অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। অনুষ্ঠানটিতে বরিশাল,নোয়াখালী, কুমিলা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের বক্তারা ছিলেন। যারা আঞ্চলিক ভাষায় বক্তব্য দিয়ে মন মাতায় দর্শকদের। এ অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলো কলকাতার দাদা।

অনুষ্ঠানেটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এবং ইউটিউব ঝড় তুলে এবং দর্শক বিনোদনের নতুন একটি উৎস খুজে পায়। এরই ধারাবাহিকতায় সৈয়দ আশিক একের পর এক নির্মাণ করেন গুণীজন সংবর্ধনা এবং ভ্রাম্যমাণ পেশাজীবী সংবর্ধনা। যার সবগুলো দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করেছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/30/1559215533507.jpgএবার নির্মিত হচ্ছে তৃণমূল পেশাজীবী সংবর্ধনা। যেখানে চরিত্র হিসেবে থাকছেন যশোরের ছাগল খামারি রকিবুল হাসান, নোয়াখালীর বই বিক্রেতা মনিরুজ্জামান মুন্না, বরিশালের নাপিত মো. আলামিন ময়মনসিংহের রাধুনি ইশরাত জাহান তন্মী, চট্রগ্রামের যাত্রাশিল্পী তমা চৌধুরী, বরিশালের দালাল আব্দুল্লাহ আল মামুন ভোলার ঘটক তাওহীদ মুন্সি, চাপাই নবাবগঞ্জের মাইক ব্যাটারি বদিউজ্জামাল মিলন, নোয়াখালীর লজিং মাস্টার এস এম ইউনুস এবং সিলেটের মোড়ল খায়ের উদ্দিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন জসিম এবং নাসিম।

অনুষ্ঠানে সবাই সবার পেশার গুরুত্ব এবং অবদান সেরা দাবি করে আঞ্চলিক ভাষায় পেশাভিত্তিক বক্তব্য তুলে ধরবেন। পাশাপাশি অন্যান্য ব্যক্তি ও পেশার সমালোচনা করে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করবেন।

উপস্থাপক সৈয়দ আশিক বলেন, এই ধারাটি দর্শক প্রচুর আগ্রহের সঙ্গে গ্রহণ করেছে। তাছাড়া এখানে আঞ্চলিক ভাষায় মজার সঙ্গে সঙ্গে থাকছে গঠনমূলক এবং শিক্ষামূলক তথ্য পরিবেশন। ইদানিং বিনোদনের নামে আমরা এমন অনেক ভাড়ামি করি যেখানে হাসি নেই এমনকি কোনো শিক্ষামূলক তথ্য কিংবা ইতিহাস নেই। কিন্তু আমরা এসব বিষয়ে ভিন্ন মাত্রায় বিশেষ কিছু যোগ করি। তাই শিক্ষার্থীদের কাছে এটি বিনোদনের পাশাপাশি জ্ঞানের উৎসাহ যোগায়। এবারের অনুষ্ঠানটিও দর্শকদের দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন :

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা
'গাল্লিবয়' রানা

কামরাঙ্গীরচরের ৮ নম্বর গলিতে বেড়ে ওঠা রানাকে নিয়ে প্রথম 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ হাসান তবীব। তারপর 'গাল্লিবয়' রানা ইন্টারনেট জুড়ে ভাইরাল।

'গাল্লিবয়' রানা এতটাই ভাইরাল যে ১৭ জুলাই ইউটিউবে 'গাল্লিবয় পার্ট-২' শিরোনামের গান প্রকাশের একদিনেই ১ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করেছে । গানটিতে রান প্রশ্ন রেখেছেন, আমি রানা, আমার সবটাই জানা। আমার মত আছে হাজার রানা। এক গান গেয়ে আমি আজ ভাইরাল, বাকী রানাদের বলো কি হবে কাল?

বরাবরের মতোই গানটির কথা, সুর ও ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব। গানটি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব।

এই বছরের মে-জুন মাসের রানার সঙ্গে পরিচয় হয় তবীবের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘুরে র‌্যাপ গান শোনাতো রানা। তবীবের সঙ্গে রানার পরিচয়ের পর বলিউডের 'গাল্লিবয়' নাম জুড়ে দেন রানার নামের সঙ্গে। তারপর রানার গাওয়া 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি।

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান
আনন্দ কুমারকে পা ছুঁয়ে সম্মান জানাচ্ছেন হৃতিক রোশন

গত ১১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হৃতিক রোশন অভিনীত ‘সুপার থার্টি’। ভারতের পাটনার গণিত শিক্ষক আনন্দ কুমারের জীবনী নিয়ে নির্মিত ছবিটি এরইমধ্যে আয় করে নিয়েছে ৭০ কোটি রুপি।

ছবিটির প্রচারণার জন্য পাটনা শহরে গিয়েছিলেন হৃতিক রোশন। এ কারণে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) হোটেল মৌরিয়াতে আয়োজন করা হয় এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে ছবির অন্যান্য কলাকুশলীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আনন্দ কুমারও।

চমকপ্রদ তথ্য হলো, সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সামনে আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে তাকে সম্মান জানান হৃতিক।

এমন সম্মানে আবেগ আপ্লুত আনন্দ কুমার বলেন, ‘হৃতিক যখন এসেছিলেন সেসময় গুরু পূর্নিমা ছিল। এই দিনটিতে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে। আর এটি জানার পর হৃতিকও আমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই বলিউডের এই অভিনেতাকে। বিশেষ করে আমার গল্পটি বিশ্বের প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে কৃতজ্ঞ।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563459345069.jpg১৯৯৪ সালে আনন্দ কুমার কেমব্রিজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। শুধু প্লেনের টিকিটের টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই কেমব্রিজে পড়ার স্বপ্ন সেখানেই ভেঙে যায় তার।

নিজের স্বপ্ন সত্যি হয়নি, তাই অন্যের স্বপ্ন পূরণে নেমে যান আনন্দ কুমার। যেসব গরিব ছাত্র স্বপ্ন দেখত আইআইটিতে (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) পড়ার, নিজের স্বল্প আয়ের পুরোটাই তিনি খরচ করতেন ওই ছাত্রদের খাওয়া, পড়া, থাকা আর লেখাপড়ার খাতে।

২০০২ সাল থেকে আনন্দ কুমার নিজের কোচিং সেন্টার চালু করেন। সেখানে প্রতি বছর বিহারের সেরা ৩০ জন গরিব মেধাবী ছাত্র একেবারে বিনা পয়সায় ‘সুপার থার্টি’ প্রজেক্টের অধীনে আইআইটির ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং করার সুযোগ পায়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আনন্দ কুমারের কোচিং থেকে ৪৮০ জনের ভেতরে ৪২২ জন চান্স পায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র