Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সার্ফিং নিয়ে চাঁটগাঁইয়া ভাষায় ‘ন ডরাই’

সার্ফিং নিয়ে চাঁটগাঁইয়া ভাষায় ‘ন ডরাই’
‘ন ডরাই’ ছবির পোস্টার উন্মোচন অনুষ্ঠানে নির্মাতা ও কলাকুশলীরা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
বৃষ্টি শেখ খাদিজা
নিউজরুম এডিটর


  • Font increase
  • Font Decrease

সার্ফিং নিয়ে প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্র নির্মিত হলো বাংলাদেশে। নাম ‘ন ডরাই’। তাই বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিশ্ব সার্ফিং দিবসে এর পোস্টার উন্মোচন হলো। এদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর পান্থপথে স্টার সিনেপ্লেক্সে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561049986172.jpgছবির নামটি চাঁটগাঁইয়া ভাষায়। সংলাপও একই। তবে ইংরেজি সাব-টাইটেল রয়েছে। নারী সার্ফার নাসিমার জীবনের সত্যি ঘটনা অবলম্বনে এ ছবির গল্প সাজানো হয়েছে। নারীর এগিয়ে যাওয়ার বার্তা রয়েছে এতে। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন বলিউডের ‘পিঙ্ক’ ছবির চিত্রনাট্যকার কলকাতার শ্যামল সেনগুপ্ত। এর প্রায় নব্বই শতাংশ দৃশ্যধারণ হয়েছে কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিনে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561049615117.jpgএ ছবির ইংরেজি ট্যাগলাইন রাখা হয়েছে ‘ডেয়ার টু সার্ফ’। তানিম রহমান অংশুর পরিচালনায় এতে সার্ফার কন্যার ভূমিকায় আছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন শরিফুল রাজ। গান গেয়েছেন জেফার। তিনিই নির্বাহী প্রযোজক। পোশাক পরিকল্পনার ভাবনাও তার।

সুনেরাহ বিনতে কামাল জানান, ছবিটির জন্য তিন মাস সার্ফিং শিখেছেন। স্থানীয় সার্ফারদের সহযোগিতা নিয়েছেন তিনি। ‘ন ডরাই’র মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে তার। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে অভিনয়ের শখ আমার। কিন্তু এমন একটি চিত্রনাট্য চেয়েছি যা সবার মন ছুঁয়ে যাবে। এই ছবিটির গল্প আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। এতে নারীর ক্ষমতায়নের বার্তা আছে। কাজটি করে খুব ভালো লেগেছে। আশা করছি, দর্শকরা আমাকে গ্রহণ করবেন।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561049962013.jpgআগামী অক্টোবরে ছবিটি দেশের প্রেক্ষাগৃহে ও ভারতে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। এর আগে আন্তর্জাতিক কয়েকটি উৎসবে ছবিটি নিয়ে যেতে চান প্রযোজক স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান। তিনি বলেন, ‘ভালো মানের বাংলা চলচ্চিত্রের অভাবে মনের জেদ থেকে ছবি নির্মাণে এসেছি। প্রতি বছর চারটা করে ছবি প্রযোজনা করতে চাই।’

আপনার মতামত লিখুন :

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা

একদিনেই ১ মিলিয়ন 'গাল্লিবয়' রানা
'গাল্লিবয়' রানা

কামরাঙ্গীরচরের ৮ নম্বর গলিতে বেড়ে ওঠা রানাকে নিয়ে প্রথম 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ হাসান তবীব। তারপর 'গাল্লিবয়' রানা ইন্টারনেট জুড়ে ভাইরাল।

'গাল্লিবয়' রানা এতটাই ভাইরাল যে ১৭ জুলাই ইউটিউবে 'গাল্লিবয় পার্ট-২' শিরোনামের গান প্রকাশের একদিনেই ১ মিলিয়ন ভিউ অতিক্রম করেছে । গানটিতে রান প্রশ্ন রেখেছেন, আমি রানা, আমার সবটাই জানা। আমার মত আছে হাজার রানা। এক গান গেয়ে আমি আজ ভাইরাল, বাকী রানাদের বলো কি হবে কাল?

বরাবরের মতোই গানটির কথা, সুর ও ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব। গানটি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছেন মাহমুদ হাসান তবীব।

এই বছরের মে-জুন মাসের রানার সঙ্গে পরিচয় হয় তবীবের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘুরে র‌্যাপ গান শোনাতো রানা। তবীবের সঙ্গে রানার পরিচয়ের পর বলিউডের 'গাল্লিবয়' নাম জুড়ে দেন রানার নামের সঙ্গে। তারপর রানার গাওয়া 'গাল্লিবয়' নামের একটি গান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি।

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান

আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে হৃতিকের সম্মান
আনন্দ কুমারকে পা ছুঁয়ে সম্মান জানাচ্ছেন হৃতিক রোশন

গত ১১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হৃতিক রোশন অভিনীত ‘সুপার থার্টি’। ভারতের পাটনার গণিত শিক্ষক আনন্দ কুমারের জীবনী নিয়ে নির্মিত ছবিটি এরইমধ্যে আয় করে নিয়েছে ৭০ কোটি রুপি।

ছবিটির প্রচারণার জন্য পাটনা শহরে গিয়েছিলেন হৃতিক রোশন। এ কারণে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) হোটেল মৌরিয়াতে আয়োজন করা হয় এক সংবাদ সম্মেলনের। যেখানে ছবির অন্যান্য কলাকুশলীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আনন্দ কুমারও।

চমকপ্রদ তথ্য হলো, সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সামনে আনন্দ কুমারের পা ছুঁয়ে তাকে সম্মান জানান হৃতিক।

এমন সম্মানে আবেগ আপ্লুত আনন্দ কুমার বলেন, ‘হৃতিক যখন এসেছিলেন সেসময় গুরু পূর্নিমা ছিল। এই দিনটিতে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে। আর এটি জানার পর হৃতিকও আমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই বলিউডের এই অভিনেতাকে। বিশেষ করে আমার গল্পটি বিশ্বের প্রতিটি কোনায় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে কৃতজ্ঞ।’
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563459345069.jpg১৯৯৪ সালে আনন্দ কুমার কেমব্রিজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। শুধু প্লেনের টিকিটের টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই কেমব্রিজে পড়ার স্বপ্ন সেখানেই ভেঙে যায় তার।

নিজের স্বপ্ন সত্যি হয়নি, তাই অন্যের স্বপ্ন পূরণে নেমে যান আনন্দ কুমার। যেসব গরিব ছাত্র স্বপ্ন দেখত আইআইটিতে (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) পড়ার, নিজের স্বল্প আয়ের পুরোটাই তিনি খরচ করতেন ওই ছাত্রদের খাওয়া, পড়া, থাকা আর লেখাপড়ার খাতে।

২০০২ সাল থেকে আনন্দ কুমার নিজের কোচিং সেন্টার চালু করেন। সেখানে প্রতি বছর বিহারের সেরা ৩০ জন গরিব মেধাবী ছাত্র একেবারে বিনা পয়সায় ‘সুপার থার্টি’ প্রজেক্টের অধীনে আইআইটির ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং করার সুযোগ পায়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আনন্দ কুমারের কোচিং থেকে ৪৮০ জনের ভেতরে ৪২২ জন চান্স পায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র