কাঁদছে লাভলু-তারিনের নারকেল গাছ!

বিনোদন ডেস্ক, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফয়জু মুন্সি বাংলা সিনেমা দেখান। চা দোকানের পেছনে তার মিনি সিনেমা হল। সেখানে গ্রামের পোলাপানের আড্ডাখানা। দুপুরের শো তে নায়ক জসিম যখন জাম্বুর মাথা ফাটাচ্ছিল বাংলা মদের বোতল দিয়ে, তখনই বাড়ি থেকে খবর পাঠায় ফয়জুর বউ সেতারা, উঠানের পাশে নারকেল গাছ কাঁদছে!

ফকির বাবা বাড়িতে এসে ঘোষণা দেয় এটা আধ্যাত্মিক নারকেল গাছ। কথা রটে যায় পুরো অভিরামপুর গ্রামে। শুরু হয় পানি পড়া, গাছের ছাল নেবার লাইন। নারকেল গাছের নিচে চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে যায় ফয়জু মুন্সি। ফকির বাবা পানি পড়া দেন। ফয়জু টাকা পয়সা, হাস, মুরগি, লাউ কুমড়া সব বুঝে নেয়।

এই রকম একটি চিত্রকল্পের মাধ্যমে ভেসে ওঠে গ্রাম বাংলার কু-সংস্কারের বড় অংশ। সেই গল্পটিকেই এবার পর্দায় তুলে আনছেন নাট্যকার-নির্মাতা হিমু আকরাম। নাটকের নাম ‘ফয়জু মুন্সির নারকেল গাছ'।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/06/1565089358102.jpg

নাটকে ফয়জু মুন্সি চরিত্রে অভিনয় করছেন সালাহউদ্দীন লাভলু আর সেতারা চরিত্রে তারিন। বিভিন্ন চরিত্রে আরও আছেন সিদ্দিকুর রহমান,হুমায়ূন সাধু,কাজী উজ্জ্বল,আলামিন,মাসুদ রানা মিঠু প্রমুখ।

গল্পটি প্রসঙ্গে সালাহউদ্দীন লাভলু বলেন, ‘এখানে আমি ফয়জু চরিত্রে অভিনয় করেছি। গ্রামের চা দোকানে মিনি সিনেমা হল চালাই। আমার নারকেল গাছের কান্না শুনে মানুষের ভিড় বাড়ে বাড়িতে। সিনেমা হল বন্ধ করে শুরু হয় পানি পড়ার ব্যবসা। সব মিলিয়ে চরিত্রটি বেশ মজার। যদিও এই নাটকের শেষ দিকে দর্শকরা অন্য একটি গল্প পাবেন। যেটা এভাবে ভাবেননি কখনো।’

নির্মাতা-নাট্যকার হিমু আকরাম বলেন, ‘এক কথায় আমাদের ফেলে আসা জীবনের গল্প এটি। ছোট বেলায় গ্রামে এই ধরনের বহু ঘটনা দেখেছি। তারই আধুনিক রূপায়নে ফয়জু মুন্সির নারকেল গাছ। তবে গল্পের শেষটা অন্যরকম হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :