Alexa

শেখ হাসিনা: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও এক অদ্বিতীয়ার বিজয়গাঁথা

শেখ হাসিনা: স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও এক অদ্বিতীয়ার বিজয়গাঁথা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা/ ছবি: সংগৃহীত

শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বের অন্যতম সৎ ও ক্ষমতাধর শাসক। ফিলিস্তিনি, রোহিঙ্গাসহ বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের কণ্ঠস্বর ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী প্রাচ্যের এক ইস্পাতমানবী।

শেখ হাসিনাকে নিয়ে অল্প কথায় কিছু বলে শেষ করা যাবে না। তাঁর জীবন বৈচিত্র্যময় লড়াই-সংগ্রাম-প্রতিরোধের মধ্যে অতিক্রান্ত একখণ্ড মহাকাব্য! এ মহাকাব্য নিয়ে আজ কিছু কথা বলব। কারণ শেখ হাসিনার শাসন ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণারত থাকায় কিছু কথা বলা একজন গবেষকের দায়বদ্ধতা।

আজ ১৭ মে, ২০১৯। ৩৮ বছর আগের এই দিনে ভীষণ প্রতিকূল পরিবেশে তীব্র অনিশ্চয়তা কিন্তু অসীম বিশ্বাসে জনতার নৌকা ভাসিয়েছিলেন শেখ হাসিনা; বাংলাদেশের বুকে। যখন বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিভাজন, খুন-গুম, ক্যু-পাল্টা ক্যু, দেশে না ফেরার চাপ, উড়ে এসে জুড়ে বসা সামরিক শাসন, দলের নেতাদের বেঈমানী ইত্যাদিতে দেশটা নিমজ্জিত; তখন ১৭ মে ১৯৮১ সালে দেশ গড়ার প্রত্যয়ে সাহসী সেই মহাযোদ্ধা দেশে আসেন বিপুল আত্মপ্রত্যয় নিয়ে।

শেখ হাসিনা লড়াই-সংগ্রাম-প্রতিরোধের এক অনন্য নাম। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদরের বড় সন্তান। রাসেলের হাসু বুবু। রেহানা-কামাল-জামালের বড় আপা, ছাত্রলীগের আপা, আওয়ামী লীগের নেত্রী, আর পুরো দেশবাসীর কাছে একজন লড়াকু সেনা শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সিআইএ এর প্রচ্ছন্ন মদদে, আইএসআই এর ছায়া অনুচর ক্ষমতালিপ্সু, নিম্নাভিলাষী সেনাবাহিনীর পিশাচরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে তখন স্বামী ওয়াজেদ মিয়ার সাথে জার্মানি থাকায় বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোটবোন শেখ রেহানা। তাঁর বেঁচে যাওয়া কোন সাধারণ ঘটনা ছিল না। তাঁর বেঁচে থাকা মানে ছিল বাংলাদেশের বেঁচে থাকা। মা, মাটি ও মানুষের বেঁচে থাকার, স্বপ্ন দেখার অপর নাম শেখ হাসিনা।

২.
পুরো পরিবার নেই, অকৃতজ্ঞ আর্মি খুনীদের লোভের কাছে হারিয়ে গেছে দেশের স্থপতি নেতা ও পিতা, দলের কাণ্ডারীরা লুকিয়ে বা কেউ কেউ পরিবর্তিত, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা নেতাহীন অসহায়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যেন আর নেই, আর কোনো দিন জাগবে না! জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ইনডেমনিটি বহাল থাকলো। স্বাধীনতার স্থপতিকে হত্যাকারীরা রাজনীতি করার সুযোগ পেলো, শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলাও যেন তখন অপরাধ এমন স্বাধীনতা ও মানবতা বিরোধী অগণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হলো।

বাংলাদেশ যেন আর কোনোকালে বন্দুক আর উর্দির ছায়া থেকে মুক্তি পাবে না চারদিকে এমন শঙ্কা। এমন একটি গুমোট দম বন্ধ হওয়া পরিবেশ থেকে, ছাইয়ের স্তূপ থেকে আল্লাহর রহমতে ফিনিক্স পাখির মত আওয়ামী লীগ ও তাঁর সহস্র নেতাকর্মীদের প্রাণ ফিরিয়ে আনলেন যে মানবী তিনিই শেখ হাসিনা। সেই সময়টি ১৭ মে, ১৯৮১।

তিনি আসার পর আওয়ামী লীগ চাঙ্গা হতে থাকলো। ক্ষমতা কুক্ষীগত করা আরেক সামরিক স্বৈরাচার 'বিশ্ব বেহায়া' জেনারেল এরশাদের বিরুদ্ধে তিনি ও আর্মিদের হাতে খুন হওয়া জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজনৈতিক ঐক্য করে এক হয়ে আন্দোলন শুরু করলেন। বাংলাদেশ ফের গর্জে উঠলো তাঁর পদচারণায়। ৯০ এর পর তিনি পার্লামেন্টে বিরোধী নেত্রী হলেন। ১৯৯৬ সালে দীর্ঘ দুই দশক পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। তাঁর পর তিনি দলের ভেতরে ও বাইরে এক শক্তিশালী নেতৃত্বের উদ্ভব ঘটান। এ নয়া নেতৃত্বে প্রভাবে বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক বয়ান, আচারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এলো।

দলের যেকোন কোন্দল, বিভাজন অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে সমাধান করেন তিনি। তৃণমূলের সাথে মূলধারার সরাসরি সংযোগ তৈরি করেন তিনি। প্রান্তিক থেকে শীর্ষ, দেশের ভেতরের বা বাইরের, শহর থেকে নগরের সকল নেতাকর্মীর সর্বশেষ আস্থা হয়ে ওঠেন তাদের প্রিয় 'আপা', 'নেত্রী', বা 'হাসু আপা'! তাঁর হাত ধরে আগামীর বাংলাদেশ নির্মিত হওয়ার আশা ও উদ্দীপনা প্রোথিত হয়। টুঙ্গিপাড়ার মেয়েটি পুরো বাংলাদেশের আ্শা ও ভরসার কেন্দ্রস্থল হয়ে ওঠেন পরিশ্রম, সততা ও নেতৃত্বের বলে। সামরিক শাসন থেকে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে প্রবেশের প্রধান দ্বারের নাম শেখ হাসিনা।

৩.
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ইতিহাসে একই সাথে ভারত, চীন, রাশিয়া, ব্রিটেন ও আমেরিকাকে সমানভাবে কূটনীতিকভাবে শান্ত বা বশিভূত রেখে বাংলাদেশের স্বার্থ আদায়ের অনন্য নজির কেবল একজনই করেছেন। তিনিই শেখ হাসিনা।

২০০৮ সাল থেকে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় তিনি। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ফুলে ফেঁপে ওঠে। ২০৩০ এর মধ্যে জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাওয়ার উপাত্ত প্রকাশ করেছে সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশের মানুষ আর না খেয়ে থাকে না। রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কারখানা হতেই আছে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আনার চেষ্টা চলছে, পোশাক, পাট, চামড়া ও ঔষধ শিল্পকে বিশ্বমানের করা হচ্ছে। প্রবাসে কাজে যাচ্ছে বাঙালি। বিশ্বের অল্প কয়েকটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ হয় ডিজিটাল বাংলাদেশ। সেবা খাত সাধারণের হাতের মুঠোয় চলে আসে। তিনি সমুদ্র বিজয় করেন, বিশ্বব্যাংকসহ সাম্রাজ্যবাদীদের চোখ রাঙানো উপেক্ষা করে নিজের টাকায় পদ্মা ব্রিজ করেন, তিনি বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের কর্তৃত্ব নিতে গভীর সমুদ্র বন্দরের পরিকল্পনা হাতে নেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেন, জাতির পিতা হত্যাকারীদের বিচার করেন, ফসলের ন্যায্যমূল্যর জন্য লড়াই করেন, সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটন করতে বধ্য পরিকর হয়ে সিদ্ধান্ত নেন, অসহায় রোহিঙ্গা জাতিকে আশ্রয় দিয়ে মানবতার জননী হিসেবে আবির্ভূত হন, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূণ্য-সহিষ্ণুতা নীতি প্রকাশ্যে প্রকাশ করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছেন। দেশের মানুষের অধিকার ও নানা সূচক মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে অনেকক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে হৃদয়ে ধারণ করা একটি জাতীয়তাবোধসম্পন্ন প্রজন্ম বড় হচ্ছে তাঁর শাসনামলে। এই সব কিছু সম্ভব হয় কারণ আজকের এই দিনে, ১৭ মে ১৯৮১ সালে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রাখেন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন আধুনিক বাংলাদেশের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।

৪.
তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত, দেশবিরোধী, বহিঃশত্রু ও তাদের দেশীয় দালালেরা অনেকবার তাঁকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু মহান প্রতিপালকের পরিকল্পনা ঐ ষড়যন্ত্রের কারিগরদেরই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে। ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার সবচেয়ে জঘন্য গ্রেনেড হামলাও আল্লাহ পাক বানচাল করে তাঁকে ফিরিয়ে আনেন মানুষের মাঝে৷ নতুন উদ্যমে তিনি দেশ ও মানবতার সেবায় নিয়োজিত হতে আত্মনিয়োগ করেন।

একটি পরিবারহারা, শোকাহত, এতিম মেয়ে এসে একটি দেশের স্বাধীনতা আনা লুপ্তপ্রায় দলের হাল ধরলেন, ধীরে ধীরে নেতাকর্মীদের সক্রিয় করলেন, রাজনীতির সূক্ষ্ম বিষয়াদীকে আত্মস্থ করলেন, পিতামাতা-ভাই-আত্মীয়-ঘনিষ্টজন হারানো শোককে শক্তি বানিয়ে মাটি ও মানুষের হৃদয়ের সাম্রাজ্যে স্থায়ী জায়গা তৈরি করে নিলেন এবং শত প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে আজ তিনিই দেশের প্রধানমন্ত্রী। একবার নয়, পরপর তিনবার, সব মিলিয়ে চারবার। আজ তার দেয়া শান্তির মডেল জাতিসংঘে আলোচিত হয়, আজ তার নেয়া সন্ত্রাসবাদ বিরোধী নীতি প্রশংসিত হয়, তাঁর প্রস্তাবিত পদক্ষেপ জাতিসংঘের এসডিজিতে অন্তর্ভুক্ত হয়, তিনিই ভরা মজলিসে প্রতি বছর ফিলিস্তিনের মুক্তির জন্য দাবি জানিয়ে আসেন, তিনি এক শতগুণে শোভিত মজলুম নেত্রী, মজলুমের নেত্রী।

তিনি একই সাথে মমতাময়ী ও দেশ পরিচালনায় শক্ত, সুদক্ষ, ইস্পাতমানবী। পশ্চিমা আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তিনি প্রাচ্যের আধুনিক প্রতিরোধদুর্গ। তাঁর জীবন, তাঁর বেড়ে ওঠা, তাঁর শোক, ছাত্র রাজনীতি, তাঁর ফিরে আসা, লড়াই, সংগ্রাম, প্রতিরোধ, আন্দোলন, ক্ষমতাগ্রহণ, নীতি, দেশ পরিচালনা, গৃহীত পদক্ষেপ হতে পারে একজন মানুষের ভীষণ অনুপ্রেরণার উৎস। আমার শিক্ষাগুরু (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম বিভাগের শিক্ষক, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা নিয়ে নিরন্তর গবেষণারত) শেখ আদনান ফাহাদ বলেছিলেন,"কেউ যদি শেখ হাসিনার জীবনের দিকে চায়, তা অধ্যয়ন কতে তবে তার আর অন্য মোটিভেশন লাগবেনা, শেখ হাসিনার জীবনের চেয়ে মোটিভেশনাল জীবন, সংগ্রাম আর একটিও নেই। তাঁর সাফল্যগাথার অধ্যয়ন ও আলোচনা হতে পারে একজনের জীবনের জন্য অনুপ্রেরণা, উদ্দীপনা, প্রতিরোধ-সংগ্রামের জ্বালানী"।

৫.
শেখ হাসিনা এক আলোকবিন্দু। পুরো বাংলাদেশকে আলোকিত করে চলেছেন ইতিবাচক শাসনব্যবস্থা দিয়ে। কাজ করার সময় আশেপাশের লোকের কারণে কিছু সীমাবদ্ধতা আসে, আছে, থাকে; কিন্তু দিন শেষে আপনি নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করলে শেখ হাসিনার দুর্দান্ত সফল একটি প্রতিবিম্ব দেখবেন। ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে যিনি বিজয়ের স্বপ্ন দেখেন, দেখান; যিনি রক্তাক্ত শরীর নিয়ে গোলাপ চাষের চিন্তা করেন, করান; যিনি ষড়যন্ত্র-নীল নকশাকে প্রতিরোধ করতে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হাত নাড়েন তিনিই অনন্যা শেখ হাসিনা। যিনি বাংলাদেশকে স্বাধীনতা বিরোধী, সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদীদের স্বার্থান্বেষী শকুনী দৃষ্টি থেকে সুরক্ষা দিতে স্রষ্টার অবুগ্রহে নিজের আঁচলের ছায়ায় জীবন বাজি রেখে বাংলার মাটি, সম্পদ ও মানুষকে আশ্রয় দেন তিনিই শেখ হাসিনা।

এক প্রবল মানবকল্যাণকামী অদ্বিতীয়া শেখ হাসিনা। একজন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। যার কথায় ও কাজে বাংলাদেশের প্রাণ-প্রকৃতি-মানুষের ঘ্রাণ আসে। আউশ-আমন-বোরো; মাছ-ভাত-ডাল; মসলিন-জামদানি-ইলিশ; ১৭৫৭-১৯৪৭-১৯৫২-১৯৬৬-১৯৬৯-১৯৭০-১৯৭১; নারী-পুরুষ-তারুণ্য-বার্ধক্য; জারি-সারি-গীত-রবী-নজরুল-শাড়ি ও লুঙ্গি; হিন্দু-খ্রীস্টান-বৌদ্ধ-মুসলমান; হাডুডু-ক্রিকেট-কলসিন্দুর; বিশ্ববিদ্যালয়-মাদরাসা-সমতল-পাহাড়-উত্তর-দক্ষিণ-গ্রাম-শহর; কৃষি-শিল্প-উদ্যোগ; ইন্টারনেট-স্যাটেলাইট-বিনিয়োগ; দল-মত-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষ বাংলাদেশ; এই সব কিছুর সমন্বয় একটি নাম; একটি অবয়ব, একজন ব্যক্তি, যিনি কখনোই অধৈর্য না, বিপদে কম্পিত না, যিনি সাফল্য, বিজয় ও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের সাথে বোঝাপড়া না করে দমে যান না
তিনিই অদ্বিতীয়া, তিনিই যোদ্ধা, তাঁর নাম শেখ হাসিনা।

মহান প্রতিপালক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমাদের মাঝে শত বছর বাঁচিয়ে রাখুন। তাঁর স্বপ্ন ও কর্মের সমন্বয় বাংলাদেশের মাটি, সংস্কৃতি, মানুষ ও লাল-সবুজ পতাকা বিশ্বে সবার উপরে থাকুক। এক শতাব্দী আমাদের মাঝে আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে যাবেন এই প্রত্যাশায় বাংলার মাটি ও মানুষের বুকে ফিরে আসার দিনে বিনম্র শ্রদ্ধা, প্রিয় আপা, হৃদয়ের একেবারে গভীর থেকে। সমৃদ্ধ বাংলাদেশের আশা ও আলোর উৎসবিন্দু হয়ে আমাদের পথ প্রদর্শন করুন পৃথিবীর বুকে শক্তিশালী জাতিসত্তা হিসেবে টিকে থাকতে।

মঈনুল ইসলাম: প্রভাষক, সাংবাদিকতা, যোগাযোগ ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগ, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী

আপনার মতামত লিখুন :