Alexa

সম্পাদকীয়

ভেজাল দ্রব্যের উৎসে হানা জরুরি

ভেজাল দ্রব্যের উৎসে হানা জরুরি

ছবি: সংগৃহীত

ভেজাল দ্রব্য সামগ্রী নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে উচ্চ আদালত পর্যন্ত সবাই উৎকণ্ঠায়। ৫২টি পণ্যকে এই ভেজাল তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের বিএসটিআই তাদের নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এই দ্রব্যগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে। যে দ্রব্যগুলো নিয়ে এই উৎকণ্ঠা সেগুলো বাজারে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে।

লক্ষ্যণীয়, রিটেইলার বা খুচরা বিক্রেতা বা ক্রেতা পর্যায়ে এ নিয়ে তেমন মাথাব্যথা নাই। তাদের কাছে ভেজাল পণ্যের এই বার্তা পৌঁছাতে আরো অনেক সময় লাগবে।

এই পণ্যগুলো নিয়ে তেমন কোন সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা নাই। কারণ যে গণমাধ্যমগুলো এ নিয়ে সক্রিয় হতে পারতো তারা চুপ। কারণ, ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহকারী এই কোম্পানিগুলোর বিজ্ঞাপন/স্পন্সর নিয়ে এক ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে এই কোম্পানিগুলোকে।

এমনকি এদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের সংবাদ দায়সারা গোছেরভাবে প্রকাশ করে অথবা পুরো চেপে যায়। প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া নির্বিশেষে এই হাল। এই মিডিয়াগুলো দিচ্ছে এক ধরনের ‘ক্লিনচিট’। এরা কার্যত সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এক ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করছে।

নানা ইস্যুতে কিছু প্রিন্ট মিডিয়াকে ‘জ্ঞান’ দান করার মহান এক দায়িত্ব পালনের কার্যত ভূমিকা পালনে অতি উৎসাহী দেখা গেলেও এ বিষয়ে তারা নীরব। কোন ধরনের উচ্চবাচ্য নাই।

সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে আমাদের আকুল আবেদন আপনারা ছোট ছোট অভিযানের পাশাপাশি যুগপৎ এই কোম্পানিগুলোর ফ্যাক্টরিতে বা কারখানায় অভিযান পরিচালনা করুন। উৎসে অভিযানের মধ্য দিয়েই এই ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন :