বিদেশে নালিশ করে নির্বাচন প্রভাবিত করা যাবে না: তোফায়েল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদেশে নালিশ করে বাংলাদেশের নির্বাচনকে কেউ প্রভাবিত করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ।

তিনি বলেন, নির্বাচন হবে সংবিধান অনুসারে। কেউ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারবে না। কোন দেশ অন্য দেশের নির্বাচন নিয়ে প্রভাব বিস্তার করে না। বাংলাদেশের নির্বাচন সঠিক সময়েই সংবিধান অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

সম্প্রতি বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ভিয়েতনাম সফর উপলক্ষে রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুলকে জাতিসংঘের মহাসচিব আমন্ত্রণ জানান নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফখরুল সাহেব দেশে বলে গেলেন জাতিসংঘের মহাসচিব তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কিন্তু এটি সত্য নয়। তিনি জাতিসংঘের মহাসচিবের দেখা পাননি। কারণ তিনি অন্য একটি দেশে ছিলেন। মির্জা ফখরুল জাতিসংঘের জুনিয়র লেভেলের কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

তিনি বলেন, গণফোরাম প্রধান ড. কামাল হোসেনসহ বেশকিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি মিলে যে যুক্তফ্রন্ট করতে যাচ্ছে এটাকে আমি স্বাগত ও অভিনন্দন জানাই। কারণ মাল্টি পার্টি ডেমোক্রেসি বাংলাদেশে আছে। তাতে কোন দল যদি জোট করে কোন সমস্যা নেই। আশির দশকে এবং নব্বইয়ের দশকে আওয়ামী লীগও জোট করেছে। এখনো আওয়ামী লীগের নেত্বত্বে ১৪ দলীয় জোট আছে। ওদিকে বিএনপির নেতৃত্বে একটি জোট আছে। ফলে আরেকটি জোট যদি হয় ড. কামাল ও বদরুদ্দোজার নেতৃত্বে, এটাকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু তারা যা প্রস্তাব করেছে সেগুলো গ্রহণযোগ্য নয়।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, জাতীয় নির্বাচন হবে বর্তমান ক্ষমতাশীন দলের অধীনে। সংবিধান অনুসারে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ মতে। মন্ত্রী হিসেবে আমরা নির্বাচনকালীন সরকারে যারা থাকবো তারা দৈন্দদিন কাজ পরিচালনা করবো। নীতিগত বড় কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না তারা এ তিন মাস।

তিনি জানান, ভারতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে ক্ষমতাসীন দল নির্বাচন পরিচালনা করে। মার্কিন যক্তরাষ্ট্রে বারাক ওবামা সম্প্রতি ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন পরিচালনা করেছে। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া ও সিংগাপুরসহ বিশ্বের সব দেশে যে নির্বাচন হয় সেখানে ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করে। তাহলে বাংলাদেশে সমস্যা কোথায়?

তিনি আরো বলেন, ড. কামাল হোসেনরা কাল (শনিবার) অভিযোগ করেছেন তাদেরকে সোহরাওয়ার্দীতে তাদেরকে সমাবেশের অনুমোদন দেওয়া হয়নি, এটা সঠিক নয়। তারাতো আবেদনই করেননি। অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন সোহরাওয়ার্দীতে তারা যদি সমাবেশ করে তাহলে তাদের অনুমতি দেয়া হবে। এমনকি তিনি বলেছেন মঞ্চও করে দেওয়া হবে। এখন তারা দরখাস্তই করেনি। তাহলে এসব অভিযোগ কেন? আমরা কাউকে ছোট করে দেখি না। আমরা চাই নির্বাচনটা অংশগ্রহণমূলক হোক।

আপনার মতামত লিখুন :