অংশগ্রহণমূলক চার জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে আ.লীগ

তপন কান্তি রায়, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জয়ের কৌশল হিসেবে অংশগ্রহণমূলক বিগত চার জাতীয় নির্বাচন পর্যালোচনা করেছে আওয়ামী লীগ। এসব নির্বাচনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায় দলটি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, একাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই নির্বাচনগুলোতে যেসব আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ভালো ফলাফল করেছিলেন; সেসব আসনে বেশি মনোযোগ দিবে ক্ষমতাসীনরা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০০ আসনে বিজয়ের টার্গেট করেছে ক্ষমতাসীনরা। সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনে দুইশ আসনে বিজয়ী হবে বলে আওয়ামী লীগ আত্মপ্রত্যয়ী।

এর বাইরে নানা সংস্থার মাধ্যমে কয়েক দফা জরিপের কাজ শেষ করে আসনের জনপ্রিয় প্রার্থীদের তালিকা দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চূড়ান্ত করছেন।

যেসব আসনে দলীয় প্রার্থী বদল হবে তাদের চলতি মাস থেকেই গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হবে। অক্টোবরে চূড়ান্ত দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ায় এসব নির্বাচনের ফলাফলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরাও।

এই চার জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দু’বার হেরেছে আর দু’বার জিতেছে। তবে যেসব আসন থেকে অন্তত দুবার আওয়ামী লীগের জয় হয়েছে। সেসব আসন আওয়ামী লীগের বড় ভোট ব্যাংক ধরে নেয়া হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, এসব আসনে জনপ্রিয় যোগ্য প্রার্থী দিলে আসনগুলো জয়লাভ করা সহজ হবে। নিরপেক্ষ ভোটের আয়োজন করেও ২০০ আসন পাওয়া সম্ভব।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বার্তা২৪.কমকে বলেন, বিগত নির্বাচনগুলো গুরুত্বপূর্ণ; অবশ্যই পর্যালোচনা করছি। এসব পর্যালোচনা অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। আর সংস্থার মাধ্যমে জরিপ করা হয়েছে; এই জরিপ আর জনপ্রিয়তা ভিত্তিতে প্রার্থিতা নির্ধারণ করা হবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :