Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

১৭ ডিসেম্বর ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ঘোষণা: মির্জা ফখরুল

১৭ ডিসেম্বর ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ঘোষণা: মির্জা ফখরুল
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ১৭ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ফ্রন্টের মুখপাত্র এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকের পর তিনি এ তথ্য জানান।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ কালে মির্জা ফখরুল বলেন, গণহারে মনোনয়ন  বাতিলের পর যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে এ বিষয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে।

প্রতীক বরাদ্দের বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সেই সঙ্গে বরাদ্দের পরেই নিজ নিজ এলাকায়, নিজ নিজ আসনে  প্রতীক নিয়ে জনগণের সামনে উপস্থিত হবে প্রার্থীরা। 

তিনি বলেন, ১০ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভা নির্বাচনের কারণে স্থগিত করা হচ্ছে। পরবর্তীতে এই জনসভার তারিখ ঘোষণা করা হবে। এটা সম্ভবত নির্বাচনের প্রচারণার শেষের দিকে করা হবে।

তিনি বলেন, আগামী ১৭ ডিসেম্বর ঐক্যফ্রন্টের যে ইশতেহার তা প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

আসন বণ্টন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এমনর প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, প্রতীক বরাদ্দ এবং আসন বিন্যাস নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরবর্তীতে আপনারা দুই এক দিনের মধ্যেই জানতে পারবেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জেএসডি'র সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু ফ্রন্টের নেতা সুলতান মহসিন মন্টু, এ্যাড. সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

ছাত্রদলের কাউন্সিলের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু

ছাত্রদলের কাউন্সিলের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু
বিএনপি নেতাদের কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম নিচ্ছেন ছাত্রদলের এক নেতা

বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন নির্বাচনের আপিল কমিটির প্রধান ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

নতুন তারিখ অনুযায়ী আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কাউন্সিলরদের ভোটে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, যারা এই দুঃসময়ে ছাত্রদলকে এগিয়ে নিতে শত নির্যাতন উপেক্ষা করে, কারাবরণ করে, হামলা-মামলা সহ্য করে তারেক রহমানের চিন্তা ও পরামর্শে একত্রিত হচ্ছেন তাদের অভিনন্দন জানাই।

তিনি বলেন, আমাদের ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বীরের বেশে দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং আমাদের জনপ্রিয় নেত্রী চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে মুক্ত করতে ছাত্রদলের আগামী নেতৃত্ব সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

উদ্বোধনের পর মনোয়নপত্র সংগ্রহ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক মামুন খান এবং ছাত্রদল নেতা আলিমুল হাকিম মুন্সি।

নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র বিতরণ ১৭ ও ১৮ আগস্ট। জমা দেওয়া যাবে ১৯ ও ২০ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৩১ আগস্ট। ২২-২৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই শেষে ২ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।

এরপর ১২ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ভোটের জন্য প্রচার চালাতে পারবেন। ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ভোটগ্রহণ হবে।

মনোনয়ন ফরম বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ড. আসাদুজ্জামান রিপন, ফজলুল হক মিলন, অ্যাড. রুহুল কবির রিজভী, সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল,আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, রাজিব আহসান, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন, সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা এবি এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, হাবিবুর রশিদ হাবিব, আকরামুল হাসান প্রমুখ।

'সরকার দেশকে রাজনীতি শূন্য করার চক্রান্ত করছে'

'সরকার দেশকে রাজনীতি শূন্য করার চক্রান্ত করছে'
বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে মির্জা ফকরুল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'আওয়ামীলীগ সরকার বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে রাজনীতি শূন্য করে দেওয়ার চক্রান্ত শুরু করেছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য দেশে একটি দল থাকবে, আর কোনো দল থাকবে না।' 

শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির বেশ কয়েকজন নেতার বিএনপিতে যোগদান উপলক্ষে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় গাজীপুরের পৌর সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. আব্দুল করিমসহ তার অনুসারীরা বিএনপিতে যোগদান করেন। বিএনপির মহাসচিব তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566025625294.jpg

 

এই সরকার অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ভাবে বাংলাদেশেকে রাজনীতি শূন্য করে দিচ্ছে দাবি করে বিএনপির এ নেতা বলেন, 'সরকার বিরাজনীতিকরণ করছে। যেন বাংলাদেশের মানুষ রাজনীতি না করতে পারে, রাজনৈতিক দলগুলোও যেন রাজনীতি না করতে পারে এজন্য একে একে সংবিধানে পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। সেই পরিবর্তন করে সরকার বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে রাজনীতি শূন্য করে দেওয়ার একটা চক্রান্ত শুরু করেছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এই দেশে এক দল থাকবে, আর কোনো দল থাকবে না। আগে তারা বাকশাল করেছিল এখন তারা আবার একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566025738765.jpg

 

মির্জা ফখরুল বলেন, 'যখন বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের কর্মকাণ্ডে রাজনীতি করা কঠিন হয়ে পড়েছে, ২৬ লাখ মানুষকে আসামি করা হয়েছে, ১ লাখের বেশি মামলা করা হয়েছে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে, সেই সময় মো.আব্দুল করিমের মতো একজন জনপ্রিয় নেতা বিএনপিতে যোগ দেওয়া নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এই সময়ে তার বিএনপিতে যোগ দেওয়াটা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।'

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর মহানগর বিএনপি'র সভাপতি হাসান উদ্দিন সরকারসহ মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র