শাহাদাতের জনপ্রিয়তা আছে বলে আটকে রাখা হয়েছে: খসরু

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চট্টগ্রাম, বার্তা২৪
সংবাদ সম্মেলনে আমির খসরু মাহমুদ, ছবি: বার্তা২৪

সংবাদ সম্মেলনে আমির খসরু মাহমুদ, ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

সব মামলায় জামিন পাওয়া সত্ত্বেও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, 'ডা. শাহাদাত হোসেন সব মামলায় জামিন পেয়ে (শুক্রবার) জেল থেকে বের হওয়ার প্রাক্কালে তাকে অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। নির্বাচনের মাঠে ডা. শাহাদাত একজন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বলে তাকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। ডা. শাহাদাত মুক্ত হলেই চট্টগ্রাম ৯ আসনের নির্বাচনের চিত্র পাল্টে যাবে। একাদশ সংসদ নির্বাচন একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন।'

শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম-৯ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু অভিযোগ করে বলেন, 'আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উপর হামলা, সমর্থকদেরকে গায়েবি মামলা ও গ্রেফতার করে এক প্রকার মাঠ ছাড়া করে দিয়েছে। এরপরও বিএনপি নির্বাচনে আছে এবং শেষ পর্যন্ত থাকবে। দেশের গণতান্ত্রিক শাসন মানুষের সাংবিধানিক, মৌলিক অধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, জবাবদিহিতামূলক শাসন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে বিএনপি আন্দোলন চালিয়ে আসছিল।'

তিনি আরও ব্বলেন, 'চট্টগ্রাম-৯ আসনে ডা. শাহদাত কারাগারে থাকলেও তার পক্ষে কেউ নির্বাচনী প্রচারে নামতে পারেনি। কোন জায়গায় পোস্টার ও লাগাতে পারেনি। সমস্ত এলাকায় একজন প্রার্থীর পোস্টারে ছেয়ে আছে। নির্বাচনকে এক তরফা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন করে তুলেছে। এটা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।'

৩০ ডিসেম্বর কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, 'চট্টগ্রাম-৯ আসনে যেহেতু ইভিএম মেশিনে ভোট হবে সেখানে দায়িত্বে থাকবে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। এজন্য জনগণের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কোন ধরণের হুমকি এবং গুজবে কান না দিয়ে সবাইকে কেন্দ্রে যেতে হবে। নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে দু:শাসন দূর করতে হবে। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।'

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সাবেক সহসভাপতি বদরুল আনোয়ার, বার কাউন্সিলর সদস্য এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম বার কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাজিম উদ্দিন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্যফ্রন্টের আহবায়ক এডভোকেট জহুরুল ইসলাম, নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :