Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

নির্বাচন নিয়ে এখন কিছু বলব না: খালেদা জিয়া

নির্বাচন নিয়ে এখন কিছু বলব না: খালেদা জিয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সদ্য সমাপ্ত একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এখন কিছু বলবেন না বলে জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) মামলায় হাজিরা শেষে তাঁকে কারাগারের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে খালেদা জিয়া আদালতে আসেন। তার পরনে সাদা শাড়ি ও বেগুনি রংয়ের ওড়না ছিল। সোয়া ১২টায় আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

খালেদা জিয়া আদালতকে বলেন, 'এ রকম জায়গায় মামলা চলতে পারে না। আমার আইনজীবীরা আদালতে আসতে পারেন না। আদালতে তাদের বসার জায়গা নেই। গেট থেকে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও এ কোর্ট চলতে থাকলে আমি আর এ আদালতে আসবো না। আপনারা আমাকে সাজা দিলে দিয়ে দেন।'

ঢাকার বিশেষ জজ-৯ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন। 

আদালতে মওদুদ আহমেদ বলেন, ‘আপিল বিভাগে ঢুকতেও কোনো আইনজীবীকে খাতায় নাম লেখাতে হয় না। মোবাইল গেটে রেখে যেতে হয় না। অথচ এখানে ঢুকতে হলে খাতায় নাম লেখাতে হয়। গেটেই মোবাইল রেখে দেওয়া হয়। এটা কোনো উন্মুক্ত আদালত হলো?’

হাজিরা শেষে খালেদা জিয়া আদালত কক্ষেই কিছু সময় তার আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তাকে হুইল চেয়ারে করে নিয়ে যাওয়ার সময় সম্প্রতি হয়ে যাওয়া একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে খালেদা জিয়ার কিছু বলার আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে এখন কিছু বলবো না।’

এরপর তাকে হুইল চেয়ারে করে ফের কারাগারের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

আগামী ১৩ জানুয়ারি এ মামলায় ফের চার্জ শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। ঐদিন মওদুদ আহমেদের পক্ষে চার্জ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

জাতীয় মহিলা পার্টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

জাতীয় মহিলা পার্টির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন
জাতীয় পার্টির পতাকা

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামকে সভানেত্রী এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য নাজমা আকতারকে সাধারণ সম্পাদিকা করে জাতীয় মহিলা পার্টির ২৪১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের গঠনতন্ত্রের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার সুপারিশক্রমে এ কমিটি অনুমোদন দেন।

কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরী, নাসরিন জাহান রতনা এমপি, শেরিফা কাদের, অধ্যাপিকা মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী এমপি, মেরিনা রহমান, মাহজাবীন মোরশেদ, খুরশীদ আরা হক, শাহানারা বেগম, সৈয়দা পারভীন তারেক, ফরিদা শিকদার, অ্যাডভোকেট লাকী বেগম, হেনা খাঁন পন্নী, রাজিয়া সুলতানা, পারভীন ওসমান, আলেয়া বেগম, অনন্যা হোসেন মৌসুমী, কাজী সুফিয়া বেগম, সফুরা বেগম।

সিনিয়র সহ-সভানেত্রী করা হয়েছে রওশন আরা মান্নান এমপি-কে, সহ-সভানেত্রী—রিতু নূর, ডা. সেলিমা খাঁন, মাহমুদা রহমান মুন্নী, মনোয়ারা তাহের মানু, আমিনা হাসান, জাহানারা মুকুল, শারমিন পারভীন লিজা, নুরুন নাহার বেগম, শারমীন আক্তার, নিগার সুলতানা রানী, অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, মিনি খাঁন, পারভীন হোসেন, হাসনা হেনা, বিউটি বেগম, জেসমিন নূর বেবী প্রিয়াংকা, শিরিন চৌধুরী, ইয়াসমিন চৌধুরী, তৌফিকুননেছা লাকী, চিনু বেগম, পারুল সুপারি সুফিয়া।

যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদিকা—জোস্না আক্তার, তাসলিমা আকবর রুনা, লাবনী হাসনা চৌধুরী, মনোয়ারা বেগম ইতি, শামীমা হক, শাহানাজ পারভীন, মনোয়ার-ই-খোদা চৌধুরী মন্টি, লায়লা নূর, সায়মা শাহনাজ পিংকি, সুলতানা রহমান, সাদিয়া ইসলাম সিমি, নারগিস কামাল।

সাংগঠনিক সম্পাদক জোসনা আক্তার (ঢাকা), তাজলিনা আক্তার মনি (চট্টগ্রাম), মনিকা আলম (খুলনা), মাহবুবা বেগম (রাজশাহী), মরিয়ম বেগম (বরিশাল), নাহিদা আক্তার (সিলেট)।

কোষাধ্যক্ষ অ্যাড. আলীয়া খাঁন প্রিয়াংকা (অতি. দায়িত্বপ্রাপ্ত), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদিকা মোমেনা বেগম, দফতর সম্পাদিকা তাসলিমা আকবর রুনা (অতি. দায়িত্বপ্রাপ্ত), সমবায় বিষয়ক সম্পাদিকা রিনা বেগম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদিকা শামীমা সুলতানা, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদিকা সৈয়দা আছিয়া বেবী।

সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদিকা সুরভী আক্তার, তথ্য গবেষণা বিষয়ক সম্পাদিকা ফাতেমা খাঁন নিশি, আইন বিষয়ক সম্পাদিকা অ্যাড. আলীয়া খাঁন প্রিয়াংকা, যুব বিষয়ক সম্পাদিকা তানিশা তাহের, শিল্প বিষয়ক সম্পাদিকা নিগার সুলতানা, পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদিকা মিসেস রীলু বেগম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদিকা ফারহানা আইরিন, এনজিও বিষয়ক সম্পাদিকা কবিতা চাকমা, শ্রম ও সমাজকল্যাণ সম্পাদিকা ফেরদৌসি বেগম মালা।

সাহিত্য ও কৃষ্টি বিষয়ক সম্পাদিকা শিরিন আক্তার, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদিকা নাছিমা বেগম (শিক্ষিকা), যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদিকা প্রিয়া আক্তার (চট্টগ্রাম), সিদ্দীকা বেগম (খুলনা), সফুরা বেগম (রাজশাহী), অ্যাড. নারগিস আক্তার (বরিশাল), শিউলী আক্তার (সিলেট), আফরোজা ইসলাম জেলি (রংপুর)।

যুগ্ম-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদিকা রেহেনা বেগম, যুগ্ম-সমবায় বিষয়ক সম্পাদিকা রওশন আরা বেবী, যুগ্ম-কৃষি বিষয়ক সম্পাদিকা রোকেয়া আক্তার স্বপ্না, যুগ্ম-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদিকা লাইলি বেগম, যুগ্ম-সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা আফরোজা পারভীন, যুগ্ম-তথ্য গবেষনা বিষয়ক সম্পাদিকা আফরোজা পারভিন মুক্তি, যুগ্ম-আইন বিষয়ক সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন, যুগ্ম-যুব বিষয়ক সম্পাদিকা তাবাসসুম বক্স মুমু।

যুগ্ম-শিল্প বিষয়ক সম্পাদিকা সামসুন্নাহার, যুগ্ম-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদিকা আকতারী বেগম মিনা, যুগ্ম- পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদিকা লিজা আক্তার, যুগ্ম-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদিকা রোকেয়া বেগম লাইজু, যুগ্ম-এনজিও বিষয়ক সম্পাদিকা বকুল বিবি, যুগ্ম-শ্রম ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদিকা মনোয়ারা বেগম নাছিমা, যুগ্ম-সাহিত্য ও কৃষ্টি বিষয়ক সম্পাদিকা রেহেনা আলী নিপা, যুগ্ম-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদিকা রাবেয়া খাতুন, যুগ্ম-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদিকা শায়লা আক্তার।
এক নম্বর সদস্য হিসেবে রয়েছেন কুলসুম বেগম।

‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই’

‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই’
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এখন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই। সামাজিক কর্মসূচিতেও পরস্পরের থেকে দূরে থাকতে হয়, এমনকি কথা বলাবলিও বন্ধ থাকে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের রক্ষা করে খুনিদের বিচার বন্ধ করতে যেয়ে যে অলঙ্ঘনীয় দেয়াল তৈরি করা হয়েছে তা এখন আরও উঁচু হয়েছে।

রবিবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ’৭৫-এর ঘাতকদের আমরা চিনি। পেছন থেকে কারা তাদের সহযোগিতা করল, পৃষ্ঠপোষকতা দিল, বিদেশে চলে যেতে সাহায্য করল—তাদেরও আমরা চিনি। তবে বঙ্গবন্ধু ও দেশের মানুষের সঙ্গে জিয়া ও তার পরিবার যে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তারা সেই বিশ্বাসঘাতকতাই পেয়েছে। ’৭৫-এর হত্যাকারীদের যদি সেই সময় পৃষ্ঠপোষকতা করা না হতো তাহলে ’৮১-তে আরেকটি হত্যাকাণ্ড হতো না। জেনারেল জিয়াকে হত্যার সাহস করতো না। যারা ’৭৫-এর খুনি তাদেরই বুলেটে খালেদা জিয়া বিধবা হয়েছেন।

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ড একই সূত্রে গাঁথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে প্রাইম টার্গেট ছিলেন শেখ হাসিনা। হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি হান্নান স্বীকারোক্তিতে বলেছেন যে, হাওয়া ভবনের নির্দেশেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সত্যকে এড়ানোর উপায় নেই। ইতিহাসের প্রথম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার ছিলেন রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার। শেক্সপিয়র যেটিকে নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড বলেছেন। আমি বলব, শেক্সপিয়ার বেঁচে থাকলে ’৭৫-এর হত্যাকাণ্ডকে নৃশংসতম বলতেন।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। সভা সঞ্চালনা করেন পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের পরিচালক জামিল আহমেদ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র