Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফের সংলাপ করবেন প্রধানমন্ত্রী

ফের সংলাপ করবেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক দলগুলোকে ফের সংলাপের আমন্ত্রণ জানাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার(১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা এবং তার আশেপাশের জেলা, উপজেলা, পৌরসভা পর্যায়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভা মেয়রদের সঙ্গে যৌথ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, 'একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল রাজনৈতিক দলকে সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন । ঐক্যফ্রন্ট-যুক্তফ্রন্টসহ ৭৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে গণভবনে সংলাপ হয়েছিল।

'এখন নির্বাচন শেষ হয়েছে, আমাদের নেত্রী গতকাল আমাদের সঙ্গে ওয়ার্কিং কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে যৌথ বৈঠকে বলেছেন যে, যাদের সঙ্গে সংলাপ হয়েছে; তাদেরকে আমন্ত্রণ করবেন, আহবান করবেন, নিমন্ত্রণ করবেন। তাদের সঙ্গে কিছু মতবিনিময় করবেন এবং তাদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে। '

তিনি আরও বলেন, 'সেটা খুব শিগগিরই জানিয়ে দেওয়া হবে। সকল রাজনৈতিক দল গণভবনে আমন্ত্রিত। ঐক্যফ্রন্ট আছে, যুক্তফ্রন্ট আছে, ১৪ দল আছে, জাতীয় পার্টি আছে, অন্যান্য যেসব দল আছে সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। যাদের সঙ্গে সংলাপ করেছিলেন তাদেরকে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হবে।'

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরুনকুশ বিজয় সম্পর্কে কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ এবার যে ঐক্য দেখিয়েছি সমসাময়িককালে এমন ঐক্য আমি আর দেখিনি। সামগ্রিক ঐক্যের কারণেই জতীয় নির্বাচনে আমাদের বিজয় নিশ্চিত হয়েছে। ভবিষ্যতেও যদি এমন ঐক্য থাকে তাহলে কোনো পরাশক্তি আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে পারবে না। সামনে উপজেলা নির্বাচন সেখানেও সবার সংঘবদ্ধ থেকে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।

উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি আসলে চ্যালেঞ্জিং হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আমরা যেকোনো নির্বাচনকে চ্যলেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করি। আমরা প্রতিটি নির্বাচনকে অর্থবহ করতে চাই। আমরা কখনোই প্রতিপক্ষকে দুর্বল ভাবি না, বরং শক্তিশালী ভাবি। নির্বাচনে আমরা জয়ের জন্য আসি। বিএনপি নির্বাচনে আসলে তাদের স্বাগতম।

বিএনপির সঙ্গে জামায়াত নির্বাচনে অংশ নেবেন তা জানলে ড. কামাল নির্বাচন অংশ নিতেন না এমন বক্তব্যে প্রসঙ্গে কাদের বলেন, তিনি( কামাল) জেনেশুনে বিষপান করেছেন। ড. কামাল হোসেনের বক্তব্য স্ববিরোধী বলে মনে করি। ড. কামাল  ভুল করেছেন, তাকে নিজেই সেই ভুলের খেশারত দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক

মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ

প্রবীণ রাজনীতিবিদ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত ৭টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপের এই সভাপতি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।

শুক্রবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত শোকবার্তা গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। বিবৃতিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও শোক প্রকাশ করেছেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শোকবার্তায় বলেন, মোজাফফর আহমদ স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন অনন্য প্রধান সংগঠক ও প্রতিথযশা রাজনীতিক। বর্তমানের দেশের এই দুঃসময়ে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মতো একজন গুণী রাজনীতিবিদের পৃথিবী থেকে চলে যাওয়াতে দেশে গভীর রাজনৈতিক শুন্যতার সৃষ্টি হলো। এ দেশের সামাজিক অগ্রগতি এবং মানুষের মুক্তির রাজনীতিতে তার অবদান ইতিহাসের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে এক অবিচ্ছেদ্য নাম অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ। তার রাজনীতি ও সংগ্রাম এ দেশের মানুষের কাছে এক অবিস্মরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বৃটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমলের শেষে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক আপোষহীন সিপাহ্সালার। তার মৃত্যুতে দেশবাসী একজন প্রাজ্ঞ অভিভাবককে হারালো।

এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, কিছুদিন আগে অসুস্থ থাকা অবস্থায় মোজাফফর আহমদকে দেখে এসেছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই সময় তিনি তার স্বাস্থ্য ও পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে মির্জা ফখরুল ইসলাম ব্যথিত।

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় বিএনপির নতুন সংগঠন

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় বিএনপির নতুন সংগঠন
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় নতুন একটি সংগঠন গঠন করেছে বিএনপি। ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ নামে নবগঠিত এ সংগঠনের আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানকে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিমা রহমান বলেন, এটা একটি সামাজিক সংগঠন। বিএনপি গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ রাজনৈতিক দল, সামাজিক অধঃপতনের অরাজক পরিস্থিতির সময় নির্বিকার বসে থাকতে পারে না। খুন-ধর্ষণের পৈশাচিক বিকৃতি আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজকে গ্রাস করে ফেলেছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বত্র ঘৃণা ছড়ানোর ফলে ক্ষমতাঘনিষ্ঠ সমাজবিরোধীরা আশকারা পাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতি জনমনে গভীর উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে। ধর্ষণ ও ধর্ষণ প্রচেষ্টার কারণে শিশু হত্যার ঘটনা এখন সংবাদপত্রের উল্লেখযোগ্য সংবাদ। অভিভাবকরা মেয়ে ও শিশু সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আইনের প্রয়োগ নেই বলেই সমাজবিরোধীরা ধর্ষণ-নিপীড়নে উৎসাহিত হচ্ছে। আইনের শাসনের অভাবে মাদকের বিস্তার এবং মূল্যবোধের অবক্ষয়সহ বিভিন্ন কারণে নারী ও শিশু নির্যাতন বাড়ছে। আমরা মনে করি, এই কারণগুলো সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।

নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য জানাতে সেলিমা রহমান বলেন, নারী ও শিশু অধিকার রক্ষার যাবতীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী এবং বেগবান করা; নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা; এই জনগোষ্ঠীর জীবন সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবন্ধকতাপূর্ণ, এদের মধ্যে যারা ভিক্টিম হচ্ছে তাদের আইনগত ও চিকিৎসাগত সহায়তা দেয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা; বিশেষভাবে দুস্থ ভিক্টিমদের শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য আইনগত সহায়তা দেওয়া; ভিক্টিম নারী ও শিশুদের মানবাধিকার সমুন্নত রাখা; ‘নারীকে নির্যাতন করা অন্যায়’ এটি পরিবার থেকে শিশুকে শেখানো। এ সংগঠনের লক্ষ্য নারীর বর্তমান অবস্থা থেকে আরও বেশি ক্ষমতায়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দান; নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতন যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করা; যেকোন গণমাধ্যমে আলাপচারিতা ও পারস্পরিক কথাবার্তায় যাতে নারীবিদ্বেষী বক্তব্য প্রচার না পায়, সেক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ গড়ে তোলা।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সব পেশার মানুষ এ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। পরে তিনি সংগঠনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

সংগঠনের উল্লেখযোগ্যরা হলেন—প্রধান উপদেষ্টা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, উপদেষ্টা: খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জয়নুল আবেদীন, রুহুল কবির রিজভী। সদস্য সচিব: নিপুন রায়।

সদস্য: আজিজুল বারী হেলাল, আমিনুল হক, রাশেদা বেগম হিরা, মীর সরাফত আলী সপু, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, আফরোজা আব্বাস, বেবী নাজনীন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র