Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময় হবে: কাদের

সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময় হবে: কাদের
অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদেরসহ দলীয় নেতাকর্মীরা, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলোকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে আমন্ত্রণ জানাতে চান বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, 'নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোন বিষয় নেই। যে নির্বাচন নিয়ে গণতান্ত্রিক বিশ্বে কোন সংশয় নেই। গণতান্ত্রিক বিশ্বের কোন প্রশ্ন নেই সেখানে সংলাপের প্রশ্ন হাস্যকর।'

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের বিশাল বিজয় সমাবেশ উপলক্ষে বর্ধিত সভাটি আয়োজন করা হয়।

কাদের বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে সবকয়টি রাজনৈতিক দলকে গণভবনে সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। বিএনপি ঐক্যফ্রন্টসহ ৭৫টা দল তখন সংলাপে অংশ নিয়েছিল। তাদের সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য তাদের আমন্ত্রণ জানাতে চান প্রধানমন্ত্রী। এখানে কোন সংলাপের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি না। সংলাপ নয়, শুভেচ্ছা বিনিময় হবে।'

বিজয় সমাবেশের কথা তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী বলেন, 'বিশাল বিজয় বিশাল দায়িত্ব। বিজয়ী দলের অনেক দায়িত্ব। তাই জনদুর্ভোগকে মাথায় রাখতে হবে। মহা বিজয়ে কেউ যেন মহা দাপট দেখাতে না যান। এ মহা বিজয় থেকে জনগণের কাছে আরও বিনয়ী হবেন। তাতে আমাদের ক্ষতি নেই।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/14/1547465081000.gif

সমাবেশকে কেন্দ্র করে কিছুটা জনদুর্ভোগ হবে জানিয়ে আগাম দুঃখ প্রকাশ করেন সেতুমন্ত্রী।

দল সরকার চালাবে,সরকার দল চালাবে না মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, 'আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সরকারের মধ্যে যেন দল হারিয়ে না যায় এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। দলের সত্ত্বা যেন সরকারে বিলীন হয়ে না যায়। কেননা দল সরকারের উপরে।'

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'যতই আমরা ঐক্যবদ্ধ হই আমি জানি ভেতরে কিছু দুর্বলতা আছে। সাংগঠনিক কিছু দুর্বলতা আছে। এ মহানগরীতে আছে। সারা দেশেও আছে। এ বিজয়কে যদি সংহত করতে চাই তাহলে আমাদের দল গোছাতে হবে।'

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির উপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, 'আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ বিজয় যদি আপনারা চান তাহলে আপনাদের দলের ভেতরের সমস্যা আগে ঠিক করতে হবে। এই সমস্যাগুলো অনতিক্রম্য নয়, অতিক্রম্য। আপনারাই সেটা পারেন।'

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজী আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, শিক্ষামন্ত্রী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মণি, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, সভাপতি নুরুল আমিন রুহুলসহ আরও অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন :

অজেয় এরশাদ

অজেয় এরশাদ
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, পুরনো ছবি

রংপুরের কারমাইকেল কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আটশ’ মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় অন্যরা যখন সাতশ’ মিটার শেষ করেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তখন আটশ’ মিটারই শেষ করেছিলেন। দর্শকদের মধ্যে যারা অমনোযোগী ছিলেন, তাদের কেউ কেউ নাকি দ্বিধায় পড়ে গিয়েছিলেন।

খেলাধুলার পাশাপাশি অন্যান্য জায়গাতেও অজেয় ছিলেন এরশাদ। জীবনে কখনও কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। যখন যেখানে যে পদে নির্বাচন করেছেন দেশের জনগণ তাকে সেখানেই বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছে। অনেকটা গর্ব করেই বলতেন এসব কথা।

ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা জীবদ্দশায় বারবার উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলতেন, ‘সামরিক শাসক ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর কারাগারে পাঁচটি আসনে জয়ী হওয়ার নজির পৃথিবীতে নেই। একমাত্র আমি জেলে থেকেও পাঁচটি আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলাম। অন্য অনেক নেতা পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।’

ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে বিজয়ী হওয়া ওই পাঁচটি আসন ছিল- বৃহত্তর রংপুরের। এরপর ১৯৯৬ সালেও পাঁচ আসনে নির্বাচন করে সবক’টি থেকেই বিজয়ী হন। পরে রংপুর সদর আসন রেখে অন্যগুলো ছেড়ে দেন। ২০০১ সালে তিনটি আসনে নির্বাচন করে তিনটিতেই বিজয়ী হন। এসব বিজয়ী হওয়া নিয়ে তাকে অনেকে ব্যঙ্গ করে বলতেন, ‘রংপুরের বাইরে থেকে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দেখাক।’ বিরোধীদের সেই চ্যালেঞ্জেও শতভাগ সফল হন প্রয়াত এরশাদ।

২০০৮ সালে রংপুর সদরের পাশাপাশি ঢাকার প্রেসটিজিয়াস আসন ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী থেকে নির্বাচন করে বিএনপির প্রার্থীকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন। এসব ঘটনাক্রমের নজির উত্থাপন করে এরশাদ বলতেন, ‘আমি কখনও স্বৈরাচার ছিলাম না। আমি যে জনপ্রিয় ছিলাম, জনগণ তা ভোটের মাধ্যমে জানান দিয়েছে। কিন্তু যারা আমাকে স্বৈরাচার বলেন, তারা কিন্তু জনগণের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন কখনও কখনও।’

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে টানা প্রায় নয় বছর রাষ্ট্রপতি ছিলেন এরশাদ। রোববার (১৪ জুলাই) সকাল পৌনে ৭টার দিকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। 

১৯৩০ সালের ২০ মার্চ কুড়িগ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পাঁচ ভাই পাঁচ বোনের মধ্যে দ্বিতীয় এবং ভাইদের মধ্যে সবার বড় ছিলেন তিনি।

অনেকদিন ধরেই অসুস্থতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন নব্বই বছরে পা রাখা এরশাদ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গত ২০ নভেম্বর ইমানুয়েলস কনভেনশন সেন্টারে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সামনে সবশেষ আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেন তিনি। এরপর অসুস্থতার কারণে আর কোনো কর্মসূচিতে অংশ নেননি। ৬ ডিসেম্বর গাড়িতে করে অফিসের সামনে এলেও রাস্তায় গাড়িতে বসে কথা বলেই চলে যান।

১০ ডিসেম্বর চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যান এরশাদ। ২৬ ডিসেম্বর দেশে ফিরলেও নির্বাচনী প্রচারণায় যোগ দেননি। এমনকি নিজের ভোটও দিতে যেতে পারেননি তিনি।

ভোটের পর শপথ নেন আলাদা সময়ে গিয়ে। সেদিনও স্পিকারের কক্ষে হাজির হয়েছিলেন হুইল চেয়ারে বসে। ২০ জানুয়ারি ফের সিঙ্গাপুরে যান চিকিৎসার জন্য। ফেরেন ৪ ফেব্রুয়ারি।

গত ২৬ জুন তার স্বাস্থ্যের অবনতি হলে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ জুলাই চিরবিদায় নিলেন তিনি।

সার্চ কমিটির জন্য আটকে আছে ছাত্রদলের কাউন্সিল!

সার্চ কমিটির জন্য আটকে আছে ছাত্রদলের কাউন্সিল!
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল

বয়সসীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় বিক্ষুব্ধ হয়ে আন্দোলনে নামে ছাত্রদলের একাংশ। এতে সংকটে পড়ে ছাত্রদল। বিক্ষুব্ধ ছাত্রদলের নেতাদের অভিযোগ, সংকট সমাধানের প্রধান অন্তরায় কাউন্সিলের জন্য গঠিত সার্চ কমিটির সদস্যরাই।

সার্চ কমিটি বয়সসীমা রেখেই কাউন্সিলের আয়োজন করতে চায়। একই সঙ্গে ছাত্রদলে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও তারা নানান যুক্তি দিয়ে বোঝাচ্ছে। ফলে ছাত্রদলের কাউন্সিল নিয়ে তৈরি হওয়া সংকট সমাধানের পথ দেখছে না বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।

বিক্ষুব্ধ নেতারা মনে করেন, সার্চ কমিটির সদস্যরা তারেক রহমানকে যা বোঝাচ্ছে আর মাঠের বাস্তবতা এক নয়। তিনি দেশের বাইরে, ফলে সব পরিস্থিতিও বুঝতে পারছেন না। তাই সার্চ কমিটি ও স্থায়ী কমিটির সদস্যদের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাকে। তবে পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, বয়সসীমা তুলে দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠন না করলে ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতারা আবারও আন্দোলন শুরু করবেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কাউন্সিলের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করার তারিখ ছিল। কিন্তু বিলুপ্ত কমিটির নেতাদের আন্দোলনের মুখে ঘোষিত তফসিল স্থগিত করতে বাধ্য হয় বিএনপি। ফলে সমস্যা সমাধান হওয়ার আগ পর্যন্ত কাউন্সিল হচ্ছে না, এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, কাউন্সিলে প্রার্থী হতে হলে ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্য পদে থাকতে হবে। অবশ্যই বাংলাদেশের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হতে হবে। ২০০০ সাল বা তার পরের যে কোন বছরে এসএসসি/সমমানের পরীক্ষা অংশগ্রহণকারী হতে হবে। আর এতেই ছাত্রদলের নেতারা শুরু করেন আন্দোলন। দলীয় কার্যালয়ে তালা দেওয়া, চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর চালান তারা। একই সঙ্গে ছাত্রদলের ১২ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কারও করে বিএনপি।

জানা গেছে, ছাত্রদলের কাউন্সিল নিয়ে তৈরি হওয়া এ সংকট সমাধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও মির্জা আব্বাসকে। তারা তারেক রহমানের সঙ্গে বেশ কয়েকবার স্কাইপে আলোচনায় বসেন। পাশাপাশি ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতাদের নিয়েও বৈঠক করেন। তাদের দাবি সমস্যা সমাধানে কাছাকাছি চলে এসেছেন। খুব শিগগিরই কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুনদের দায়িত্ব দেওয়া হবে।

ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতাদের একজন নাম প্রকাশ না করা শর্তে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘কাউন্সিল নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে। সার্চ কমিটিতে যারা আছেন তারা আমাদের বড় ভাই। কিন্তু তাদের আচরণ-কর্মকাণ্ড আসলে ইতিবাচক না। তারা স্ট্যান্ডবাজি করছে। এখন ভাইয়াকে (তারেক রহমান) তারা ভুল বুঝাচ্ছে। সার্চ কমিটি চাচ্ছে তারা যা করেছে (বয়সসীমা) সেভাবেই কাউন্সিল হোক। কারণ তারাই এটা করেছে, এখন তারা তো ভাইয়াকে বলতে পারছে না যে, ঠিক আছে আহ্বায়ক কমিটি করে দেন। তারা চাচ্ছে তাদের প্রভাব যেন ছাত্রদলের কমিটিতে বজায় থাকে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির একজন সহ-সভাপতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'সার্চ কমিটি একেবারেই ব্যর্থ। সবগুলো সিন্ডিকেটের লোক। এটা মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারাও জানেন। তারপরও তাদের ওপর কেন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমরা বুঝলাম না। স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য আলোচনা করে মোটামুটি সমাধানের পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু সার্চ কমিটি সেটা পছন্দ করছে না।’

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘দলীয়ভাবে কাউন্সিলের তারিখ দেওয়া হয়েছিল, এটা আবারও দেওয়া হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে আবারও তারিখ ঠিক করা হবে যেন কাউন্সিলের বিষয়ে কোন অন্তরায় সৃষ্টি না হয়। আমাদের নিজস্ব দায়িত্ববোধ থেকে ছাত্রদলের সংকট উত্তরণের চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় সেই সংকট উত্তরণ করতে পেরেছি। আমরা যেদিন থেকে এদের (ছাত্রদল নেতাদের) ডাকছি, কথা বলেছি তার পর থেকে তো নতুন কোনো সংকট সৃষ্টি হয়নি। যারা (সার্চ কমিটি) দায়িত্বে আছে তাদের সাথে কথাবার্তা বলা হচ্ছে যেন নতুন করে কোনো সমস্যা সৃষ্টি না হয়। এটা সফলতার মুখ দেখবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র