Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

ব্যর্থ ফখরুলের লজ্জা থাকলে পদত্যাগ করত: কাদের

ব্যর্থ ফখরুলের লজ্জা থাকলে পদত্যাগ করত: কাদের
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বেপরোয়া চালক আখ্যা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়,  এত কিছুর পর লজ্জা-শরম থাকলে আরও আগে পদত্যাগ করত।

বুধবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের একসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীর এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, নির্বাচনে কারচুপির কারণে স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে ওবায়দুল কাদেরকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে হবে।

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কাদের বলেন, 'বেপরোয়া চালক যে কোনো সময় যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।  বিএনপির সব বেপরোয়া চালক হয়ে গেছে। সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। ১০ বছর পর নির্বাচন, সেই নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ১০ টির কম আসন পায়। আন্দোলনে ব্যর্থতা, আন্দোলনে ক্ষমাহীন ব্যর্থতা, নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়, লজ্জা শরম থাকলে আরও আগে পদত্যাগ করা উচিত ছিলো তার।'

তিনি বলেন, জনগণের রায়ের বিজয়কে যারা প্রত্যাখান করে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত জাতির কাছে। ইলেকশন যদি কারচুপি হতো আপনি জিতলেন কেমনে। এটার জবাব দিন।'

টিআইবির অভিযোগকে অলীক রহস্যময় কাহিনী  উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিআইবিকে বলবো- গল্প খাওয়াচ্ছেন, অনেক অবিশ্বাস্য রূপকথার কাহিনী সাজাচ্ছেন- নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়নি বলে। স্বচ্ছ ব্যালট বক্স ব্যবহার করা হয়েছে। আপনাদের একজন প্রতিনিধি বা প্রতিপক্ষের এজেন্ট নির্বাচনী কেন্দ্রে কি চ্যালেঞ্জ করেছেন? এই নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে। নির্বাচনের দিন সকাল ৮টায় যখন ব্যালট বক্স পরীক্ষা করে- তখন কি প্রতিবাদ করেছে টিআইবির কোনো প্রতিনিধি? স্বচ্ছতার বিরুদ্ধে কথা বলছে? তখন বলেনি- বলার কারণ খুঁজে পাননি। এতোদিন বলেনি এখন কেন এই অলীক রূপকথার কাহিনী সাজাচ্ছেন?’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ঈসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট।

আপনার মতামত লিখুন :

মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক

মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে মির্জা ফখরুলের শোক
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ

প্রবীণ রাজনীতিবিদ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত ৭টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপের এই সভাপতি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।

শুক্রবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত শোকবার্তা গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। বিবৃতিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও শোক প্রকাশ করেছেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শোকবার্তায় বলেন, মোজাফফর আহমদ স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন অনন্য প্রধান সংগঠক ও প্রতিথযশা রাজনীতিক। বর্তমানের দেশের এই দুঃসময়ে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মতো একজন গুণী রাজনীতিবিদের পৃথিবী থেকে চলে যাওয়াতে দেশে গভীর রাজনৈতিক শুন্যতার সৃষ্টি হলো। এ দেশের সামাজিক অগ্রগতি এবং মানুষের মুক্তির রাজনীতিতে তার অবদান ইতিহাসের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে এক অবিচ্ছেদ্য নাম অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ। তার রাজনীতি ও সংগ্রাম এ দেশের মানুষের কাছে এক অবিস্মরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বৃটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমলের শেষে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক আপোষহীন সিপাহ্সালার। তার মৃত্যুতে দেশবাসী একজন প্রাজ্ঞ অভিভাবককে হারালো।

এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, কিছুদিন আগে অসুস্থ থাকা অবস্থায় মোজাফফর আহমদকে দেখে এসেছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই সময় তিনি তার স্বাস্থ্য ও পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে মির্জা ফখরুল ইসলাম ব্যথিত।

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় বিএনপির নতুন সংগঠন

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় বিএনপির নতুন সংগঠন
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় নতুন একটি সংগঠন গঠন করেছে বিএনপি। ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ নামে নবগঠিত এ সংগঠনের আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানকে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিমা রহমান বলেন, এটা একটি সামাজিক সংগঠন। বিএনপি গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ রাজনৈতিক দল, সামাজিক অধঃপতনের অরাজক পরিস্থিতির সময় নির্বিকার বসে থাকতে পারে না। খুন-ধর্ষণের পৈশাচিক বিকৃতি আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজকে গ্রাস করে ফেলেছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বত্র ঘৃণা ছড়ানোর ফলে ক্ষমতাঘনিষ্ঠ সমাজবিরোধীরা আশকারা পাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতি জনমনে গভীর উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে। ধর্ষণ ও ধর্ষণ প্রচেষ্টার কারণে শিশু হত্যার ঘটনা এখন সংবাদপত্রের উল্লেখযোগ্য সংবাদ। অভিভাবকরা মেয়ে ও শিশু সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আইনের প্রয়োগ নেই বলেই সমাজবিরোধীরা ধর্ষণ-নিপীড়নে উৎসাহিত হচ্ছে। আইনের শাসনের অভাবে মাদকের বিস্তার এবং মূল্যবোধের অবক্ষয়সহ বিভিন্ন কারণে নারী ও শিশু নির্যাতন বাড়ছে। আমরা মনে করি, এই কারণগুলো সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।

নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য জানাতে সেলিমা রহমান বলেন, নারী ও শিশু অধিকার রক্ষার যাবতীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী এবং বেগবান করা; নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা; এই জনগোষ্ঠীর জীবন সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবন্ধকতাপূর্ণ, এদের মধ্যে যারা ভিক্টিম হচ্ছে তাদের আইনগত ও চিকিৎসাগত সহায়তা দেয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা; বিশেষভাবে দুস্থ ভিক্টিমদের শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য আইনগত সহায়তা দেওয়া; ভিক্টিম নারী ও শিশুদের মানবাধিকার সমুন্নত রাখা; ‘নারীকে নির্যাতন করা অন্যায়’ এটি পরিবার থেকে শিশুকে শেখানো। এ সংগঠনের লক্ষ্য নারীর বর্তমান অবস্থা থেকে আরও বেশি ক্ষমতায়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দান; নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতন যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করা; যেকোন গণমাধ্যমে আলাপচারিতা ও পারস্পরিক কথাবার্তায় যাতে নারীবিদ্বেষী বক্তব্য প্রচার না পায়, সেক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ গড়ে তোলা।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সব পেশার মানুষ এ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। পরে তিনি সংগঠনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

সংগঠনের উল্লেখযোগ্যরা হলেন—প্রধান উপদেষ্টা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, উপদেষ্টা: খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জয়নুল আবেদীন, রুহুল কবির রিজভী। সদস্য সচিব: নিপুন রায়।

সদস্য: আজিজুল বারী হেলাল, আমিনুল হক, রাশেদা বেগম হিরা, মীর সরাফত আলী সপু, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, আফরোজা আব্বাস, বেবী নাজনীন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র