Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

তারকাসহ ১০৫৫ নারী আ.লীগের ফরম কিনেছেন

তারকাসহ ১০৫৫ নারী আ.লীগের ফরম কিনেছেন
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪. কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নে পেতে মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) ও বুধবার (১৬ জানুয়ারি) দুইদিনে ১ এক হাজার ৫৫ নারী ফরম কিনছেন।

এর মধ্যে চিত্রনায়িকা মৌসুমী, তারিন, রোকেয়া প্রাচী, শমী কায়সার ও অরুণা বিশ্বাসসহ একঝাঁক তারকাও আছে। আছে ৮ জনের মত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষও।

মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয় সংরক্ষিত মহিলা আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি। বুধবার রাত পর্যন্ত মোট এক হাজার ৫৫টি ফরম বিক্রি হয়, জমা পড়েছে ২৫০ টির মত। এ তথ্য জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কা‌দের ব‌লে‌ছেন, রাজপ‌থের আন্দোলন সংগ্রা‌মে যারা অগ্রণী ভূ‌মিকা পালন ক‌রে‌ছেন, দ‌লের জন্য যারা ত্যাগ স্বীকার ক‌রে‌ছেন ম‌নোনয়‌নে তারা অগ্রা‌ধিকার পা‌বেন।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ের পাশে নতুন ভবন থেকে এই ফরম বিতরণ করা হচ্ছে। উৎসবমূখর প‌রি‌বে‌শে ম‌নোনয়ন ফরম বি‌ক্রি হ‌চ্ছে।

ফরম প্রতি ৩০ হাজার টাকা দলীয় ফান্ডে জন্য নেয়া হচ্ছে। ফরম সংগ্রহকারীরা আগামী শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন।

সংরক্ষিত নারী আসনের আইন অনুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পাবে ৪৩টি। আর বিরোধী দল জাতীয় পার্টি পাবে ৪টি।

আগামী মার্চ মাসে সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গেছে। ইসি বলছে, এই নির্বাচনের তফসিল হবে ফ্রেবুয়ারির মাঝামাঝিতে; মার্চের মধ্যেই ভোটগ্রহণ করা হবে।

২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনেরও পর সে বছর মার্চে ৫০ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্যই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

পাকিস্তানপন্থি সাম্প্রদায়িক শক্তি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে: কাদের

পাকিস্তানপন্থি সাম্প্রদায়িক শক্তি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে: কাদের
বক্তব্য রাখছেন ওবায়দুল কাদের, ছবি: বার্তা২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে চর্তুথবারের মতো ক্ষমতায় আসায় পাকিস্তানপন্থি সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি মেনে নিতে পারছে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, এই অশুভ শক্তি সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে। ভেতরে ভেতরে প্রস্তুতি নিচ্ছে, বড় ধরনের ভয়ঙ্কর কোনো হামলা পরিচালনার জন্য।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দলের ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার উদ্বোধন করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীন হয়েছে। সেই সময়কার চেতনা বিরোধী শক্তি এখন খুবই দুর্বল এ কথা বলার কোন কারণ নেই। এখন সাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী চেতনাকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি। এই সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি জঙ্গিবাদে আজও আর্বিভূত হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘হলি আর্টিজেন, শোলাকিয়ার সেই ট্রাজিডির পর আমরা যদি মনে করি- এই সাম্প্রদায়িক শক্তির পতন হয়েছে তাহলে আমরা শ্রীলঙ্কার মতোই ভুল করব। আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে, এখনও ষড়যন্ত্র আছে।’

কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনা সরকার আজকে নির্বাচনে বিপুলভাবে বিজয়ী হয়ে চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় এসেছে। এটা পাকিস্তানপন্থি

কিছু সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি এটা মেনে নিতে পারছে না।’

‘এই অশুভ শক্তি সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে, সাম্প্রদায়িক শক্তি ভেতরে ভেতরে প্রস্তুতি নিচ্ছে, বড় ধরনের ভয়ঙ্কর কোনো হামলা পরিচালনার জন্য।’

এসময় সবাইকে সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের জনগণকে নিয়ে অসম্প্রদায়িক শক্তিকে নিয়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী এ্যালায়েন্স নিয়ে সংস্কৃতি অঙ্গনের বিভ্রান্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংস্কৃতি অঙ্গনে একটা বিভ্রান্তি আছে যে- ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনী এ্যালায়েন্সের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার যে চেতনার পরিপন্থী কাজ করছে।’

‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই- ‘কৌশলগত কারণে পলিসির পরিবর্তন ঘটে। কিন্তু আদর্শিকভাবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের চেতনা থেকে এক চুলও সরিনি। আমরা শিকড়ের সঙ্গে আছি, থাকব।’

অনুষ্ঠানের উপ কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর খান, সদস্য সচিব আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সদস্য রিয়াজুল কবির কাওছার ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফাহমিদা নবী, বাপ্পা মজুমদার ও তার দল দলছুট, কিরণ চন্দ্র রায়, বাউল শিল্পী রিজু বাউল, আবৃত্তি শিল্পী ভাস্কর বন্দোপাধ্যানসহ আরও অনেকে।

ওহে জাপা, তুমি কি কাক হয়ে গেলে!

ওহে জাপা, তুমি কি কাক হয়ে গেলে!
অডিটরিয়ামের ভিতরে চলছে জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সভা, বাইরে যুক্ত আছে সাউন্ড সিস্টেম

কাক নিজের চোখ বন্ধ করে রেখে বাসায় খাবার লুকিয়ে রাখার সময় ভাবে—আমি যখন দেখি নাই তখন অন্য কেউও দেখে নাই। জাতীয় পার্টিও কি সেই কাকের মতো হয়ে গেল!

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সভা নিয়ে এমন হাস্যকর মন্তব্য করেছেন অনেকে।

‘ক্লোজ ডোর’ ওই সভায় অডিটরিয়ামের ভেতরে সাউন্ড সিস্টেম, বাইরেও বেশ কয়েকটি লাউড স্পিকার দেওয়া। এতে বাইরে থেকে বক্তব্য শুনতে কোন বেগ পেতে হচ্ছে না। মাইকের শব্দ মাঠ ছাড়িয়ে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সামনের প্রধান সড়ক থেকে বেশ স্পষ্টই শোনা যাচ্ছিল। অথচ ওই সভাটি ‘ক্লোজ ডোর’ সভা। গেটে কড়া পাহারা বসানো। পরিচয়পত্র নিশ্চিত হয়ে তবেই আগতদের প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বেলা সাড়ে ১১টায় উদ্বোধন শেষে জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সাবেক ভিপি গোলাম মোহম্মদ রাজু বলেন, এবার আমাদের পার্টির অভ্যন্তরীণ আলোচনা সভা হবে। পার্টির নেতাকর্মীরা আলোচনা করবেন। সাংবাদিক ভাই-বোনদের হলরুমের বাইরে যাওয়ার অনুরোধ করছি।

শুধু বলেই ক্ষান্ত হননি। মাই টিভির ক্যামেরাপার্সন একজনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলে স্বেচ্ছাসেবকরা তাকে বিরত থাকতে বাধ্য করেন। এক সাংবাদিক তো বলেই বসলেন—বাইরে লাউড স্পিকার দিয়ে ক্লোজ ডোর হয়, এখানে না এলে জানা হতো না!

এ বিষয়ে গোলাম মোহাম্মদ রাজু বার্তা২৪.কমকে বলেন, সাংবাদিকদের বাইরে যেতে বলার বিষয়টি আসলে কথার কথা। বলতে হয় সে কারণে বলেছি। আজকাল কি আর কোনো জিনিস ঢাকা থাকে! এটা বাচনভঙ্গি, আপনি কিভাবে নেবেন সেটাই বিষয়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561472220789.jpg
সাংগঠনিক সভা উপলক্ষে হলরুম ও প্রধান সড়ক জাতীয় পার্টির দলীয় পতাকা ও রংবেরঙের ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়। সকাল থেকেই রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের নেতারা মতিঝিল এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে অবস্থান নেন। তারা স্লোগানে স্রোগানে আশপাশের এলাকা মুখর করে তোলেন।

সভার শুরুতে কোরআন তেলাওয়াতের পরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করে মোনাজাত করা হয়। জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌর কমিটির নেতারা বক্তব্য রাখেন।

বেলা ১১টায় শুরু হওয়া সাংগঠনিক সভার শুরুতে জিএম কাদের বলেন, আমরা সবার কথা শুনতে চাই, সে কারণে প্রত্যেকে তিন মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করতে পারলে ভালো। আপনারা যতক্ষণ কথা বলতে চান, আমি ততক্ষণ আছি। প্রয়োজন হলে বিকেল পর্যন্ত চলবে।

জিএম কাদেরের এই বক্তব্যের প্রতিফলন পাওয়া যায় কাজেও। সবার বক্তব্য মনযোগ সহকারে শোনেন তিনি। কিছু কিছু নোটও করেন। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কখনই এতো দীর্ঘ সময় ধরে পার্টির নেতাদের বক্তব্য শোনেননি। যে কারণে নেতাকর্মীরা বেশ উৎফুল্ল তাদের আক্ষেপ ঝাড়তে পেরে। বুধ, বৃহস্পতিবারও একই স্থানে পৃথক ৪ বিভাগের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় সিনিয়র নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, আলমগীর সিকদার লোটন, মো. এমরান হোসেন মিয়া ও জাফর ইকবাল সিদ্দিকী প্রমুখ।

চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেজর (অব.) আশরাফ উদ দৌলা, ড. নুরুল আজহার শামীম, নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি, পনির উদ্দিন আহমেদ এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি, শওকত চৌধুরী, সরদার শাহজাহান, জহিরুল আলম রুবেল, নিগার সুলতানা রানী, শফিকুল ইসলাম শফিক, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, অ্যাডভোকেট তোফাজ্জেল হোসেন প্রমুখ।

চার দিনব্যাপী এই সাংগঠনিক সভা ২৪ জুন শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের নেতারা অংশ নেন। দ্বিতীয় দিনে রংপুর ও রাজশাহী, তৃতীয় দিন ২৬ জুন সিলেট চট্টগ্রাম বিভাগ, শেষ দিন ২৭ জুন অংশ নেবেন খুলনা-বরিশাল বিভাগের নেতারা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র